টাকা ও অলঙ্কারসহ প্রবাসীর স্ত্রী উধাও

গোদাগাড়ীতে টাকা ও স্বর্ণ অলঙ্কারসহ উধাও হয়েছেন প্রবাসীর স্ত্রী। প্রবাসীর ভাই খাইরুল ইসলাম বাদী হয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা গোদাগাড়ী ইউনিয়নের মোল্লা পাড়া গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে ও কাতার প্রবাসী সাত্তারুল ইসলাম (৩০) সঙ্গে বিয়ে হয় একই গ্রামের মফিজুল ইসলাম মেয়ে শিরিন খাতুনের (২৫)।

দীর্ঘ সাত বছর সংসার করার পর শিরিন ২০১৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর বাড়ি থেকে ১২ লাখ টাকা ও ৭ ভরি স্বর্ণের অলংকার নিয়ে উধাও হন। তাকে না পেয়ে প্রবাসীর ভাই থানায় অভিযোগ দেন। এতে বলা হয়, উপজেলার তাজেন্দ্রপুর গ্রামের মুনসুর আলীর ছেলে সাদ্দাম হোসেন (২৬) বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শিরিনকে নিয়ে যায়।গোদাগাড়ী মডেল থানার এসআই মিজানুর রহমান বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং শিরিনসহ অভিযুক্তদের আ”টক করতে চেষ্টা চলছে।

আয়াতুল কুরসি পড়লে ‌‘মৃ’ত্যু’র আ,যাব হবে পিপড়ার কামড়ের মত

একজন মুমিন মুসলিমের জীবন মৃ’ত্যুর আগ পর্যন্ত সুন্দরভাবে অতিবাহিত করার জন্য
অনেক দোয়া রয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন- মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ্ আত্নাকে
বলেন, “বেরোও।” সে বলে, “না আমি স্বেচ্ছায় বেরোব না।” আল্লাহ বলেন, “অনিচ্ছায় হলেও, বেরোও।”রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন- যখন মু’মিন-বিশ্বাসী বান্দার রূহ বেরোয় তখন তার সাথে দু’জন ফেরেশতা দেখা (অর্থাৎ তা গ্রহণ) করে এবং তা নিয়ে দু’জনই ঊর্ধ্বে আরোহন করে। তারপর এর সুগন্ধির কথা উল্লেখ করা হয়। আসমানবাসিগণ বলে, “পৃথিবী থেকে একটি পবিত্র রূহের আগমন ঘটেছে। হে রূহ! তোমার প্রতি এবং যে দেহ তুমি আবাদ করছিলে,তার প্রতি আল্লাহর শান্তি বর্ষিত হোক।” এরপর একজন ফেরেশতা তাকে নিয়ে তার প্রতিপালকের কাছে চলে যায়।তারপর তিনি বলেন, “তাকে শেষ সময়ের (অর্থাৎ কেয়ামত না হওয়া পর্যন্ত) জন্য নিয়ে যাও।”

পক্ষান্তরে কাফিরের আত্না যখন বেরোয়, তখন এর দুর্গন্ধ ও অপবিত্রতার কথা উল্লেখ করা হয়। আসমানবাসিগণ বলে, “পৃথিবী থেকে একটি অপবিত্র রূহের আগমণ ঘটেছে।” আর এর সম্বন্ধে বলা হয়-“শেষ সময় পর্যন্ত রাখবার জন্য তাকে নিয়ে যাও।”হযরত আজরাঈল (আ) যখন জান কবজ করতে আসবেন, তখন মৃত্যু পূর্ব মুহুর্তে কষ্ট হবেই। তবে মহান আল্লাহ তায়ালার মমিন বান্দারা সেই কষ্টটা কম পেয়ে থাকেন। আল্লাহ পাক বলছেন, আল কোরআনে বর্ণিত ছোট্ট এই দোয়াটি পড়লে মৃ’ত্যু আযাব হালকা হয়ে যাবে। দোয়াটিকে

আমরা সবাই ‘আয়াতুল করসি’ বলেই জানি। দোয়াটি নিম্নরূপঃ
আয়াতুল কুরসী: আল্লাহু লাইলাহা ইল্লাহুওয়াল হাইয়্যুল ক্বইউম, লাতা’খুযুহু সিনাতুওঁ ওয়ালা
নাওম, লাহু মাফিস্* সামাওয়াতি ওয়ামা ফিল আরয। মানযাল্লাযি ইয়াশ্*ফাউ ইন্*দাহু ইল্লা
বিইযনিহ। ইয়ালামু মা বাইনা আইদীহিম ওয়ামা খালফাহুম, ওয়ালা ইউহীতূনা বিশাইয়িম মিন
ইলমিহি ইল্লা বিমাশাআ ওয়াসিয়া কুরসিয়্যুহুস সামাওয়াতি ওয়াল আরযা, ওয়ালা ইয়াউদুহু হিফযুহুমা ওয়াহুওয়াল আলিয়্যুল আযীম। (সূরা বাকারঃ ২৫৫)

হিজাব পরিহিতা সকল মুসলিম নারীকে আমি সম্মান করি: ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরন সামাজিক অখণ্ডতা রক্ষায় দেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা বজায়
রাখার জন্য সবার প্রতি আহবান জানান। এসময় তিনি বলেন, আমি হিজাব পরিহিতা সকল নারীকে সম্মান করি।ম্যাকরন বলেন, গত কয়েক বছর বিশ্বে অভিবাসনস্রোতের কারণে ফ্রান্সে ব্যাপক-আকারে ইসলামের প্রসার শুরু হয়েছে। ফ্রান্সে মুসলিম নাগরিকদের সংখ্যা সাড়ে চার হতে ছয় মিলিয়নের মতো।তিনি আরো বলেন, ইসলাম ধর্ম ফ্রান্সের জন্য অনেকটা নতুন। আমাদের অনেক নাগরিক ইসলামকে ভয় পায়, আমি তাদের বলবো, ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য প্রত্যেক বিশ্বাসীর স্বাধীনতার প্রতি সন্মান জানাতে হবে।

হিজাব পরিধান বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ম্যাকরন বলেন, আমি হিজাব পরিহিতা প্রত্যেক নারীকে সম্মান করি। ফ্রান্সের প্রত্যেক নাগরিককে তাদের সন্মান করতে হবে, হিজাব নিষিদ্ধের সমর্ধক আমি নই। ম্যাকরন বলেন, ইসলামে চরমপন্থা না থাকা সত্ত্বেও চরমপন্থী ও উগ্র স্রোতের কারণে ইসলাম-ভীতি তৈরি হয়েছে।

ইউনিসেফ নির্বাহী বোর্ডের প্রেসিডেন্ট হলেন বাংলাদেশের ফাতিমা

জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা ইউনিসেফের নির্বাহী বোর্ডের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) জাতিসংঘ সদরদফতরে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছে জাতিসংঘে নিযুক্ত মরক্কো ও লিথুয়ানিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি এবং ব্রাজিল ও সুইজারল্যান্ডের উপস্থায়ী প্রতিনিধি।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার ফলে এখন থেকে বাংলাদেশ শিশুদের জন্য বিশেষভাবে নিয়োজিত
জাতিসংঘ সংস্থা ইউনিসেফের কর্মকাণ্ডে কৌশলগত দিকনির্দেশনা প্রদান করতে পারবে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৯-২০২১ মেয়াদে বাংলাদেশ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে নির্বাহী বোর্ডের সদস্য নির্বাচিত হয়।রাষ্ট্রদূত ফাতিমা সম্প্রতি জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন।তার পূর্বসূরী রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন ২০১৯ সালে ইউনিসেফের নির্বাহী বোর্ডে ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন।বিশ্বব্যাপী শিশুরা যেসব ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে তা মোকাবিলাসহ ২০২০ সালকে ইউনিসেফেরজন্য একটি অর্থবহ ও কার্যকর বছরে পরিণত করতে বোর্ড সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে তাকেপ্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করে বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রতি যে আস্থা রেখেছেন সে জন্য ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রদূত ফাতিমা।

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর নতুন প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানিয়ে বলেন,তার সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞার আলোকে ইউনিসেফ আলোকিত হবে। নতুন প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে নির্বাহী বোর্ডের দিকনির্দেশনা ইউনিসেফের কাজকে আরও গতিশীল করবে।

বৃষ্টির পানিতে ইসরাইলি বিমানবাহিনীর ৮টি এফ-১৬ যুদ্ধ,বিমান নষ্ট!

ইসরাইলের বিমান বাহিনী নিজেদের ৮টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের বড় ধরণের ক্ষতির জন্য ভুল
স্বীকার করেছে। গত সপ্তাহে ইসরাইলজুড়ে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়। এতে দেশটির হাতজর
বিমানঘাঁটিতে অন্তত ৫ কোটি লিটার পানি জমে যায়। কিন্তু সেখানে থাকা ভূগর্ভস্থ হ্যাঙ্গার
থেকে কোনো যুদ্ধবিমানকে সরাতে ভুলে যায় বিমান বাহিনীর দায়িত্বে থাকা ইউনিট। এতে পানিতে ডুবে অন্তত আটটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বৃষ্টিপাতের পরিমাণ এতই বেশি ছিলো যে, ভূগর্ভস্থ অংশগুলো ডুবে বিমানবন্দরের রানওয়েও
প্লাবিত হয়েছে। মাত্র আধা ঘন্টা বৃষ্টিতে এত ক্ষতি হয়ে যাবে সেটি বুঝতে দেরি করে ফেলে ইসরাইলি বিমান বাহিনী। হ্যাঙ্গারগুলো অন্তত দেড় মিটার পানির নিচে তলিয়ে যায়।সেখানে থাকা মেকানিকরাও আটকে পড়েছিলেন। পরে অবশ্য তাদেরকে উদ্ধার করা হয়।জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, ওই ঘটনায় মোট আটটি এফ-১৬ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটির ক্ষতি সামান্য। তবে তিনটি এফ-১৬ বিমানে বড় ধরণের ক্ষতি হয়েছে।

ইসরাইলি বিমানবাহিনী টুইটারে দোষ স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে। এতে তারা বলে, আমরা বিমানগুলো না সরিয়ে ভুল করেছিলাম। অবশ্যই ভুল নিয়ে তদন্ত চলবে। ভবিষ্যতে যাতে এ
ধরণের ঘটনা না ঘটে সে জন্য আমরা ব্যবস্থা নেবো। ঘটনার পর ঘাঁটিটির স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড
পুনরায় শুরু হয়েছে। প্রতিটি বিমান মেরামতের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আশা প্রকাশ করা হয়েছে যে, আগামি সপ্তাহের মধ্যেই সব আবারো সার্ভিসে ফিরে আসবে। বিমানবাহিনী
জানিয়েছে, যদিও যুদ্ধবিমানগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তারপরেও এর ফলে বিমানবাহিনীর দক্ষতা
নিয়ে প্রশ্ন তোলার কিছু নেই। প্রাথমিকভাবে জানানো হয়, ওই ঘটনায় মোট ক্ষতির পরিমান কয়েক মিলিয়ন শেকেল। তবে ব্যয় আরো কম হবে বলে এক উর্ধতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

গত সপ্তাহে বড় ধরণের বৃষ্টিপাত হয় ইসরাইলে। এতে বেশ কয়েকজন মারা যাওয়ার ঘটনা
ঘটেছে দেশটিতে। দেশটির পুলিশ ও দমকলকর্মীরা বন্যায় আক্রান্ত মানুষদের উদ্ধারে
দেশব্যাপী অভিযান পরিচালনা করছে। আইডিএফ সেনা বাহিনী এবং হোমফ্রন্ট কমান্ডের
পাশাপাশি আর্মার্ড কর্পস, আর্টিলারি, পদাতিক এবং নৌবাহিনীকে উদ্ধার অভিযানে মোতায়েন করা হয়েছে।

জলপাই চুল পড়া, ক্যানসার ও হার্ট অ্যা,টাকের ঝুঁকি কমায়

জলপাই একটি সুপরিচিত ফল। অনেকেই জলপাই পছন্দ করেন। কেউ কেউ আবার পছন্দ
করেন এ আচার। শীতকালীন এ ফল নানা পুষ্টিগুণে ভরপুর। আছে স্বাস্থ্য উপকারিতাও।
পুষ্টিগুণ: এটি ভিটামিন সি-এর একটি ভালো উৎস। গবেষণায় দেখা গেছে, এই ফল খনিজ, ভিটামিন, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ।প্রতি ১০০ গ্রাম জলপাইয়ে খাদ্যশক্তি ৭০ কিলোক্যালরি, ৯ দশমিক ৭ শর্করা, ৫৯ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ১৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি।

স্বাস্থ্য উপকারিতা:
১. জলপাইয়ের তেলে পাওয়া যায় ফ্যাটি অ্যাসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ত্বক ও চুলের যত্নে কাজ করে। জলপাইয়ের তেল চুলের গোড়া মজবুত করে। চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা দূর হয়।
জলপাইয়ের ভিটামিন-ই ত্বকে মসৃণ ভাব আনে। ২. জলপাইয়ের তেল হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি
কমায়।

৩. নিয়মিত জলপাই খেলে গ্যাস্ট্রিক ও আলসার কম হয়। বিপাকক্রিয়া ঠিকভাবে হয়।

৪. কালো জলপাই ভিটামিন-ই এর ভালো উৎস। এটি ফ্রি র‌্যাডিকেল ধ্বংস করে। ফলে
শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। জলপাইয়ের ভিটামিন-ই কোষের অস্বাভাবিক গঠনে বাধা দেয়। ফলে ক্যানসারের ঝুঁকি কমে।

৫. জলপাইয়ের মনো স্যাচুরেটেড চর্বিতে থাকে প্রদাহবিরোধীউপাদান। হাড়ের ক্ষয়রোধ করে জলপাই তেল।

৬. নিয়মিত জলপাই খেলে পিত্তথলির পিত্তরসঠিকভাবে কাজ করে। পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার প্রবণতা কমে যায়।

৭. জলপাই প্রাকৃতিকঅ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে। সর্দি, জ্বর ইত্যাদি দূরে থাকে।রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। ৮. জলপাই রক্তের চিনি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

চাহিদা নেই, নিরু,পায় হয়ে ২২ টাকা কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করছে ভারত!

বেশি দামের কারণে খুচরা বাজারে চাহিদা কম। অথচ মজুদ বেশি। ফলে গুদামে পচতে শুরু
করেছে পেঁয়াজ। নিরুপায় হয়ে এবার ২২ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।দেশটির গণমাধ্যম আনন্দবাজার জানায়, গত তিন মাস ধরে পেঁয়াজের দাম ছিল ঊর্ধ্বমুখী।এখনো ৮০ থেকে ১০০ টাকায় পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে দেশের বিভিন্ন শহরে। এর মধ্যেই মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছে, গুদামে পড়ে থাকা পেঁয়াজ রাজ‌্যগুলোকে আরও

সস্তায় মাত্র ২২ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে দেওয়া হবে। এর সুফল পাবে গরিবরা।
জানা যায়, চাহিদার কথা মাথায় রেখে গতবছরই বিদেশ থেকে এক লক্ষ ২০ হাজার টন পেঁয়াজ কেনায় অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। সেই মতো তুরস্ক, মিশর এবং
আফগানিস্তান থেকে ১৮ হাজার টন পেঁয়াজ এসে পোঁছেছে ভারতে। কিন্তু মূল্যবৃদ্ধির জেরে
এমনিতেই খাদ্যদ্রব্যের বিক্রিবাটা কমে গিয়েছে। তাতে আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি করা যায়নি। তাই শেষমেশ পেঁয়াজের দাম আরও কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।

কেন্দ্রীয় খাদ্য সরবরাহ মন্ত্রী রামবিলাস পাসোয়ান এ দিন বলেন, ‘‘মোট ১৮ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি করা হলেও, এখনও পর্যন্ত মাত্র ২ হাজার টন পেঁয়াজই বিক্রি হয়েছে।
এখন ২২ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’’রামবিলাস জানান, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর বিভিন্ন দেশে মোট ৩৬ হাজার টন পেঁয়াজের বরাত দেওয়া হয়। তার মধ্যে ১৮ হাজার টন দেশে এসে পোঁছেছে। কিন্তু তা বিক্রি করাই অসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হল? তার জন্য রাজ্যগুলিকেই দুষেছেন তিনি।

রামবিলাসের দাবি, ‘‘ঘরোয়া বাজারে চাহিদার জোগান দিতে এবং মূল্যবৃদ্ধিতে রাশ টানতেই বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। কিন্তু আমদানিকৃত পেঁয়াজ নিতেকিনতে আগ্রহ
দেখাচ্ছে না রাজ্যগুলি। এতে আমাদের কী করার আছে? এর পর যেন আমদানিকৃত পেঁয়াজ
কেন পচছে, তা নিয়ে আদালতে না যান কেউ।’’এখনও পর্যন্ত অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরল, উত্তরপ্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গই আমদানিকৃত পেঁয়াঁজ কিনেছে বলে জানিয়েছেন রামবিলাস। আবার শুরুতে আগ্রহ দেখিয়েও অনেক রাজ্য পরে

অবস্থান পাল্টেছে বলেও জানান তিনি।ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের সচিব অবিনাশ শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, আগামী দু’দিনের মধ্যেই বিদেশ থেকে আরও চার হাজার টন পেঁয়াজ এসে পৌঁছবে। মাসের শেষে এসে পৌঁছবেআরও ১৪ হাজার টন। আরও সাড়ে পাঁচ হাজার টন পেঁয়াজ এসে পৌঁছনোর কথা ছিল। কিন্তু চাহিদার অভাবে শেষ মুহূর্তে তা বাতিল করা হয়।

আল আকসায় ইসলাম গ্রহণ করেছেন ২৪০ জন

কাশ্মীর সংকট, রোহিঙ্গা ইস্যুসহ মুসলিমদের জন্য চরম হতাশার বছর ছিল ২০১৯ সাল। তবে
নতুন বছরে মুসলমানদের জন্য ভয়, দুর্দশা ও চরম হতাশার মাঝেও দারুণ একটি সুখবর দিয়েছে ফিলিস্তিন ভিত্তিক প্রভাবশালী গণমাধ্যম আল কুদস ও শাবাকাতুল কুদস আল ইখবারিয়্যাহ। তারা জানিয়েছে, বিদায়ী বছর ২০১৯ সালে অন্তত ২৪০জন মানুষ বিশ্বের নানাপ্রান্ত থেকে পবিত্র মসজিদ আল আকসায় এসে ইসলাম গ্রহণ করেছেন।

এ মাসের প্রথম দিকে বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) ফিলিস্তিনের সর্বোচ্চ দাঈ ও ওলামা পরিষদ
এসোসিয়েশন অফ ইসলামিক স্কলারস-এর চেয়ারম্যান শায়খ ইকরিমা সাবরির বরাতে গণমাধ্যমদুটি এই সুখবর প্রদান করে।সূত্র জানায়, এক্ষেত্রে খৃষ্টধর্ম ত্যাগ করে ইসলামধর্ম গ্রহণকারী নওমুসলিমদের সংখ্যা অন্যান্যধর্মাবলম্বীদের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। আগামী বছরগুলোতে নতুন ইসলামধর্ম গ্রহণকারীদের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে বিশেষজ্ঞরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

আজ ১৫ জানুয়ারি ২০২০, সকল দেশের মুদ্রার রেট

আজ ১৫ জানুয়ারি ২০২০ ইং, প্রবাসী ভাইরা দেখে নিন আজকের সকল দেশের রেট এ বাংলাদেশি টাকায় কত টাকা। প্রবাসী ভাইরা, হুন্ডি এটা অবৈধ পন্থা এই পথে টাকা পাঠাবেন না। আপনারা ব্যাংকের মধ্যমে বাংলাদেশে টাকা পাঠান এতে আপনার টাকার গ্যারান্টি আছে, বাংলাদেশের রেমিটেন্স বাড়বে দেশের উপকার হবে।

SAR (সৌদি রিয়াল) = 22.58 ৳

MYR (মালয়েশিয়ান রিংগিত) = 20.77 ৳

SGD (সিঙ্গাপুর ডলার) = 62.86 ৳

AED (দুবাই দেরহাম) = 23.06 ৳

KWD (কুয়েতি দিনার) = 279.25 ৳

USD (ইউএস ডলার) = 84.70 ৳

OMR (ওমানি রিয়াল) = 219.98 ৳

QAR (কাতারি রিয়াল) = 23.26 ৳

BHD (বাহরাইন দিনার) = 224.66 ৳

EUR (ইউরো) = 94.30 ৳

MVR (মালদ্বীপিয়ান রুপিয়া) = 5.48 ৳

IQD (ইরাকি দিনার) = 0.071 ৳

ZAR (সাউথ আফ্রিকান রেন্ড) = 5.88 ৳

GBP (ব্রিটিশ পাউনড) = 110.36 ৳

INR (ভারতীয় রুপি) = 1.19 ৳

প্রবাসী ভাইদের উদ্দেশে বলছি আপনারা বিনিময় মূল্য (রেট) জেনে দেশে টাকা পাঠাতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আমাদের ওয়েব সাইট বা আপনার নিকটস্থ ব্যাংক হতে টাকার রেট জেনে নিতে পারেন।যখন বৈদেশিক মুদ্রার রেট বৃদ্ধি হয় তখন দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠালে বেশি টাকা পেতে পারেন। সবাই সবসময় মনে রাখবেন, যেকোন সময় মুদ্রার রেট উঠা-নামা করতে পারে। নতুন নতুন খবর পেতে সবসময় সঙ্গে থাকুন।

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা বাড়াতে ১ বিলিয়ন দিয়েছে সৌদি : ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত মার্কিন সেনা পাঠানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার পরিশোধ করেছে তাদের মিত্র সৌদি আরব। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটর ফক্স নিউজের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

মিডল ইস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেল ফক্স নিউজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অঞ্চলটিতে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন প্রসঙ্গে বলেন, ‘সৌদি আরব আমাদেরকে (আমাদের সেনার জন্য) অর্থ পরিশোধ করেছে। এছাড়া আমাদের (যুক্তরাষ্ট্রের) সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্কও খুব ভালো।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও জানান, ‘আমি বলেছি, শুনুন, আপনারা খুবই ধনী দেশ। আপনারা কি আরও সৈন্য চান? যদি চান তাহলে আমি আপনাদেরকে তা (সেনা) পাঠাবো কিন্তু আপনাদের এর জন্য অর্থ পরিশোধ করতে হবে। তারা আমাদের অর্থ পরিশোধ করেছে। ইতোমধ্যে আমাদের নামে ব্যাংবে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার জমা হয়েছে।’

গত বছরের অক্টোবরে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দফতর পেন্টাগন জানায়, সৌদি আরবে অতিরিক্ত ৩ হাজার মার্কিন সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ব্যাপারে অনুমোদন দিয়েছে তারা। গত সেপ্টেম্বরে সৌদির রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকোতে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলাকে কারণ হিসেবে জানায় তারা।

সৌদি আরবে পাঠানো সামরিক সরঞ্জামের মধ্যে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধবিমান ও থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও ছিল। ট্রাম্প বারবার বলে আসছেন, মার্কিন সুরক্ষা নিতে হলে তিনি অন্য দেশগুলোতে অর্থ পরিশোধে বাধ্য করবেন। বিশেষ করে পারস্য উপসাগরের ক্ষেত্রে।

প্রসঙ্গত, ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর সৌদি আরবের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা বৃদ্ধি ও যুদ্ধাবস্থার তৈরি হয়। তার প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যে এমনকি সৌদি আরবেও তার প্রশাসন অতিরিক্ত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠায়। তবে ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনাদের বের করে আনার ঘোষণাও দিয়েছিলেন।