মু’সলমানদের জন্য হ’জ অ’ত্যাবশ্যকী’য় ইবাদত হজ পালন করতে সাইকেল চালিয়ে মক্কায়

সাম’র্থবান মু’সলমানদের জন্য হ’জ একটি অ’ত্যাবশ্যকী’য় ইবাদত। তাছাড়া পবিত্র ঘর কাবা শরীফ স্প’র্শ করার ইচ্ছে কার মনে না জাগে। প্রতিবছরই লাখ লাখ মানুষ হ’জ করার
উদ্দেশ্যে ম’ক্কায় যান। যাওয়ার মাধ্যম হিসেবে সবাই বিমানকেই বেছে নেন। তবে মাঝেমধ্যে
সাইকেলে ম’ক্কা যাওয়ার খবরও শোনা যায়। তেমন তিনটি ঘটনা নিয়ে এ আয়োজন-
ব্রিটিশ তরুণদের ‘ট্যুর দ্য হ’জ’যাত্রা শুরু হয় ২০১৯ সালের ৭ জুলাই লন্ডন থেকে। ৫৯ দিনে পেরিয়েছেন ১৭ দেশ। অম্ল-মধুর দীর্ঘ এ পথ পাড়ি দিয়ে ৮ ব্রিটিশ তরুণ পৌঁছান প্রিয়নবীর শহর ম’দিনা মুনাওয়ারায়।ব্রিটিশ গ্রুপটি এর নাম দিয়েছেন ‘ট্যুর দ্য হ’জ’। যাত্রা থেকে ৬০ দিনের ভেতর সৌদিতে পৌঁছানের আশা ছিল তাদের, তবে কাঙ্ক্ষিত স্থান পৌঁছে যান একদিন আগেই।

এ যাত্রায় ৪ হাজার মাইল অ’তিক্রম করতে হয়েছে। ১৫টি দেশ সাইকেল চালিয়ে পেরুলেও সিরিয়া ও ই`রাক বিমানে পাড়ি দিয়ে মিসরে পৌঁছান তারা। এর আগে লন্ডন থেকে ২০১৭ সালেও একটি গ্রুপ সাইকেলে হ’জ পালনে পবিত্র নগরী ম’ক্কায় যান।কেনিয়ার চার তরুণ চার কেনিয়ান নাগরিকও সাইকেল চালিয়ে হ’জে গিয়েছিলেন। তারা হলেন মোহাম্ম’দ জহির(দলপতি), ওসমান ইদরিসা, মোহাম্ম’দ সালিম ও আনোয়ার মানসুর। কেনিয়া থেকে যাত্রা শুরু করে তারা ইথিওপিয়া ও উত্তর সুদান অ’তিক্রম করেন তারা। এরপর ফেরিতে করে লোহিত সাগর পাড়ি দিয়ে সৌদির জেদ্দা বন্দরে পৌঁছান। সেখান থেকে তারা পবিত্র হ’জ পালনে ম’ক্কায় পৌঁছান। তাদের সময় সময় লেগেছিল ৪৫ দিন ইন্দোনেশিয়ার এক পরিবার বিশ্বের সর্বাধিক মু’সলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।

দেশটি থেকে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মু’সলিম হ’জ ও ওম’রা পালনে সৌদি আরব গমন করে থাকেন। সাধারণত আকাশপথেই এই ধ’র্মীয় কাজটি পালন করতে যান তারা। কিন্তু ২০১৮ সালে হাজারো দ্বীপপুঞ্জের দেশটিথেকে পাঁচ সদস্যের এক পরিবার বাইসাইকেল চালিয়ে ম’ক্কায় যান হ’জ পালন করার জন্য। এই পুণ্যের যাত্রায় ছিলেন মু’সলিস আবদুল্লাহ (৪৭), তার স্ত্রী’ জুলিয়ান্তি হুসিন (৪৭),তাদের সন্তান মির্জা হাকিম (১৫), আহম’দ জাকি হাফিজ (১১) এবং ছয় বছর বয়সীঅলিভিয়া ইয়ুমনা। তাদের দিক-নির্দেশনায় সঙ্গে ছিলেন মু’সলিসের বন্ধু মোহামেদ দামাহুরি মুতালিব (৬২)।শুধু সাইকেল নয় পায়ে হেঁটেও হ’জ পালন করেছেন অনেকে। এরমধ্যে অন্যতম বসনিয়ার সেনাদ হাদজিক। ২০১২ সালে ৪৭ বছর বয়সী ওই বসনিয়ান নাগরিক পায়ে হেঁটে পবিত্র ম’ক্কা নগরীতে গিয়ে পৌঁছান। এ যাত্রায় তাকে ৫ হাজার ৯০০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে পাড়ি দিতে হয়।

যারা প্রবাসী ও শিক্ষার্থী রয়েছেন তাদের জন্য ই-পাসপোর্ট নিয়ে সুসংবাদ

আগামী বুধবার (২২ জানুয়ারি) চালু হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট (ই-
পাসপোর্ট)। সেদিন রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ই-পাসপোর্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।রোববার (১৯ জানুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘ই-পাসপোর্ট ভবন ও ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম উদ্বোধন-সংক্রান্ত’ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এ তথ্য জানান।প্রবাসী শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের কম টাকায় ই-পাসপোর্ট দেবে সরকার। বাংলাদেশের একজন নাগরিকের বৈধ পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি-এর টাকার পরিমাণ এতদিন সবার জন্য সমান থাকলেও এবারই প্রথম বিদেশে কর্মরত শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের

জন্য অপেক্ষাকৃত কম টাকায় পাসপোর্ট পাওয়ার সুযোগ দিচ্ছে সরকার।সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. শহীদুজ্জামান বলেন,এবারই প্রথমবারের মতো প্রবাসী শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের জন্য অপেক্ষাকৃত কম টাকায় পাসপোর্ট করার সুযোগ দেয়া হচ্ছে।তিনি বলেন, এতদিন একজন বড় ব্যবসায়ী যে টাকায় পাসপোর্ট করতেন গরিব মানুষও সমপরিমাণ টাকা ফি বাবদ জমা দিতেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রবাসী শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের জন্য কম টাকায় পাসপোর্ট করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।কোন ই-পাসপোর্টের ফি কত?৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠার দুই ধরনের পাসপোর্ট প্রদান করা হবে। ৫বছর ও ১০ বছর মেয়াদী পাসপোর্টে সাধারণ (১৫ দিন), জরুরি (৭ দিন) ও অতি জরুরি (২ দিন) ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদী সাধারণ পাসপোর্টের ফি ৩৫০০ টাকা,জরুরি ৫ হাজার ৫০০ টাকা এবং অতি জরুরি বাবদ সাড়ে ৭ হাজার টাকা ফি দিতে হবে।

এছাড়া ৪৮ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদের ক্ষেত্রে সাধারণ, জরুরি ও অতি জরুরি ফি যথাক্রমে ৫ হাজার, ৭ হাজার ও ৯ হাজার টাকা।একইভাবে ৬৪ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদী সাধারণ পাসপোর্টের ক্ষেত্রে ৫ হাজার ৫০০ টাকা,জরুরি ৭ হাজার ৫০০ এবং অতি জরুরি বাবদ ১০ হাজার ৫০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ৬৪ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদের ক্ষেত্রে সাধারণ, জরুরি ও অতি জরুরি ফি যথাক্রমে ৭ হাজার, ৯ হাজার ও ১২ হাজার টাকা।প্রবাসী শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের জন্য এ ফি অন্যান্যদের চেয়ে কম হবে। তবে কত টাকা কমবে তাৎক্ষণিকভাবে সেটা জানাতে পারেননি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (জননিরাপত্তা) সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দিন।

সৌদি আরব গিয়েছিলেন ৪ লাখ টাকা খরচ করে কিন্তু দেশে ফিরতে হলো শূন্য হাতে

সৌদি আরব গিয়েছিলেন ভাগ্য বদলের আশায়, কিন্তু দেশে ফিরতে হলো শূন্য হাতে। ফেরত আসা দুই জনের কপালে এখন চিন্তার ভাঁজ…চার লাখ টাকা খরচ করে পাঁচ মাস আগে ক্লিনারের কাজ নিয়ে সৌদি আরব গিয়েছিলেন নরসিংদীর মো. মিন্টু মিয়া। একদিন কাজ শেষে রুমে ফেরার সময় পুলিশ ধরে তাকে। তখন আকামা (কাজের অনুমতিপত্র) দেখানোর পরও ছাড় পাননি তিনি। সৌদি পুলিশ তাকে ধরে ফেরত পাঠিয়েছে স্বদেশে। শূন্য হাতে দেশে ফিরে নিজের সেই দুর্ভাগ্যকেই যেন দুষছিলেন মিন্টু মিয়া।শনিবার (১৮ জানুয়ারি) সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে দেশে ফেরেন নরসিংদীর এই বাসিন্দা। এদিন সৌদিএয়ারলাইন্সেরই দুটি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন মিন্টুসহ ২২৪ জন।রাত ১১টা ২০ মিনিটে এসভি ৮০৪ ফ্লাইটে ফেরেন ১০৮ জন।

তার আগে দুপুর ১২টা ২০মিনিটে এসভি ৮০৮ ফ্লাইটে ফেরেন আরও ১১৬ জন। এ নিয়ে নতুন বছরের ১৮ দিনে সৌদি থেকে দেশে ফিরেছেন ১ হাজার ৮৩৪ জন।বরাবরের মতো শনিবারও যারা ফেরত আসেন, তাদের প্রবাসীকল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতায় জরুরি সহায়তা দেয় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম।এদিন দেশে ফেরা বরিশালের আগৈলঝরা উপজেলার শামীম (৩০) জাগো নিউজকে জানান, মাত্র তিন মাস আগে তিন লাখ টাকা খরচ করে সৌদি আরব গিয়েছিলেন ড্রাইভিং ভিসা নিয়ে। সেখানে দুই মাস কাজ করলেও কোনো বেতন পাননি। পরে কফিলকে (নিয়োগকর্তা)বারবার অনুরোধ করলে তিনি অন্য জায়গায় কাজের ব্যবস্থা করে দেন। কিন্তু সেখানে কর্মরত অবস্থায় পুলিশ শামীমকে আটক করে। এ সময় কফিলকে ফোন দিলেও তিনি কোনো দায়িত্ব নেননি শামীমের।নরসিংদীর মিন্টু মিয়া জানান, চার লাখ টাকা খরচ করে পাঁচ মাস আগে ক্লিনারের কাজ নিয়ে সৌদি গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেখানে কাজ শেষে রুমে ফেরার সময় পুলিশ ধরে তাকে। আকামা দেখানোর পরও তাকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।শামীম-মিন্টুর মতোই ফিরতে হয়েছে পটুয়াখালীর শাহিন সরদার, ময়মনসিংহের মো. আশরাফুল, মো. সুমন ও শফিক, নরসিংদীর সালাউদ্দিন, মানিকগঞ্জের আমিনুল,মুন্সিগঞ্জের মামুন কবিরসহ অনেককে, যারা এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে ফিরতে বাধ্য হয়েছেন।

ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান জানান, দেশে ফেরত আসা কর্মীরা বরাবরেই মতো অভিযোগ করেছেন, তাদের প্রত্যেককে নানা স্বপ্ন দেখিয়েছিল দালাল চক্র ও রিক্রুটিং এজেন্সি। কিন্তু সৌদি আরবে গিয়ে নানা সমস্যায় পড়েন তারা। অনেকে বেতন পাননি।অনেকে সৌদি আরব যাওয়ার কয়েক মাসের মধ্যে ফেরত এসেছেন। তারা সবাই ভবিষ্যত নিয়ে এখন দুশ্চিন্তায়।শরিফুল হাসান আরও জানান, ২০১৯ সালে ২৫ হাজার ৭৮৯ বাংলাদেশিকে সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। নতুন বছরের শুরুর ১৮ দিনে ১ হাজার ৮৩৪ জন বাংলাদেশিফিরলেন দেশটি থেকে। ফেরত যারা এসেছেন, তাদের সবার ভোগান্তির বর্ণনা প্রায় একইরকম। প্রায় সবাই খালি হাতে ফিরেছেন। কয়েকমাস আগে গিয়েছিলেন এমন লোকও আছেন।প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের তথ্য অনুযায়ী ২০১৯ সালে মোট ৬৪ হাজার ৬৩৮ জন অভিবাসী কর্মী দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে সৌদি আরব থেকে ২৫ হাজার ৭৮৯ জন, মালয়েশিয়া থেকে ১৫ হাজার ৩৮৯ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৬ হাজার ১১৭ জন, ওমান থেকে ৭হাজার ৩৬৬ জন, মালদ্বীপ থেকে ২ হাজার ৫২৫ জন, কাতার থেকে ২ হাজার ১২ জন,বাহরাইন থেকে ১ হাজার ৪৪৮ জন ও কুয়েত থেকে ৪৭৯ জন শূন্য হাতে ফিরেছেন, যাদের পরিচয় ডিপোর্টি।

শরিফুল হাসান বলেন, কেউ যখন বিদেশে যান, তখন পরিবার-স্বজন সবাই খুশি হন। কিন্তু ফেরত আসা মানুষগুলোর পাশে সেভাবে থাকেন না। এমনকি পরিবারের সদস্যরাও তাদের নানা কটূ কথা বলেন। অথচ এই সময় তাদের পাশে সবার দাঁড়ানো উচিত। ফেরত আসা প্রবাসীদের আমরা শুধু বিমানবন্দরে সহায়তা দিয়েই দায়িত্ব শেষ করছি না, তারা যেন ঘুরে দাঁড়াতে পারেন, সেজন্য কাউন্সেলিং, দক্ষতা প্রশিক্ষণ ও আর্থিকভাবেও পাশে থাকার চেষ্টা করছি। সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা সবাই মিলে কাজটি করতে হবে। পাশাপাশি এভাবে যেন কাউকে শূন্য হাতে ফিরতে না হয় সেজন্য রিক্রুটিং এজেন্সিকে দায়িত্ব নিতে হবে। দূতাবাস ও সরকারকেও বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে হবে। বিশেষ করে ফ্রি ভিসার নামে প্রতারণা বন্ধ করা উচিত।

আরব আমিরাতে এক বাংলাদেশির লাশ আরব সাগর থেকে উদ্ধার করেছে দেশটির পুলিশ

আরব সাগর থেকে মো. ইদ্রিছ নামে এক বাংলাদেশির লা’’শ উদ্ধার করেছে দেশটির পুলিশ।
ছয়দিন নিখোঁজের পর রাতে সাগরটির ওমান সীমান্ত থেকে লা’’শটি উদ্ধার করা হয়। ম’’রদেহ বর্তমানে ওমানের হি’’মঘরে রাখা হয়েছে।জানা গেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাস-আল-খাইমা প্রদেশের ওয়াদি শামস এলাকায় গাড়ি উ’’ল্টে আরব সাগরে ভেসে যান ইদ্রিছ। এক বছর আগে জীবিকার সন্ধানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যান তিনি।মৃ’’তের

সহকর্মীরা জানায়, গত ১১ জানুয়ারি এক সহকর্মীসহ মো. ইদ্রিছ কাজে যাওয়ার সময় জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে তার গাড়ি ভেসে যায়।এ সময় স্থানীয়রা সহকর্মীকে উদ্ধার করতে পারলেও ছিটকে পড়ে আরব সাগরে ভেসে যায় মো. ইদ্রিছ। পরে শুক্রবার রাতে ওমান সী’’মান্ত থেকে তার লা’’শ উদ্ধার করা হয়।নি’’’’হত ইদ্রিছ চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার দক্ষিণ রাজানগর ইউনিয়নের আহমদ জলিলের ছেলে।তার স্ত্রী ও দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। এ ঘটনায় মৃ’’তের পরিবার ও প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শো’’কের ছায়া নেমে এসেছে।

দেখে নিন আজ কোন দেশে স্বর্ণের দাম কত !!

যুক্তরাষ্ট্রে আজ রোববার (১৯ জানুয়ারি) এক আউন্স স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫৫৬ ডলারে, রুপার দাম ১৮ ডলার। সংযুক্ত আরব আমিরাতে এক আউন্স স্বর্ণের দর ৫ হাজার ৭১২ দিরহাম, রুপার দাম ৬৬ দিরহাম। বাংলাদেশে আজ এক আউন্স স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩২

হাজার ২৭২ টাকা। রুপার দাম ১ হাজার ৫৩২ টাকা। মালয়েশিয়ার বাজারে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৩১৮ রিঙ্গিতে। রুপা বিক্রি হচ্ছে ৭৩ রিঙ্গিতে। ভারতে আজ এক আউন্স স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ১০ হাজার ৩৪০ রুপিতে। রুপা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২৭৮ রুপিতে।

গাইবান্ধায় ধানক্ষেতে হঠাৎ জরুরি অবতরণ করলো হেলিকপ্টার

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ধানক্ষেতে হঠাৎ অবতরণ করল ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মেঘনা এভিয়েশনের আর-৬৬ এসটুএইড নামের একটি হেলিকপ্টার।রোববার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের শ্রীকলা গ্রামের একটি ধানক্ষেতে জ*রুরি অবতরণ করে এ হেলিকপ্টার। ফাঁ*কা মাঠে হঠাৎ হেলিকপ্টারের অবতরণ দেখে এলাকাবাসীর মধ্যে আত*ঙ্ক ছ*ড়িয়ে পড়ে।খোঁ*জ নিয়ে জানা যায়, ঢাকা থেকে দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল মেঘনা এভিয়েশনের আর-৬৬ এসটুএইড নামের এ হেলিকপ্টারটি।

হঠাৎ আকাশ মে*ঘাচ্ছন্ন ও ঘন কুয়াশা দেখে দিনাজপুরে না গিয়ে পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের শ্রীকলা গ্রামের একটি ধানক্ষেতে জ*রুরিভাবে হেলিকপ্টারটি অবতরণ করান পাইলট।স্থানীয় সূত্র জানায়, ধানক্ষেতে হঠাৎ হেলিকপ্টারের অবতরণ দেখে গ্রামে আত*ঙ্ক ছ*ড়িয়ে পড়ে। পরে হেলিকপ্টারের কাছে ছুটে আসে উৎসুক গ্রামবাসী।পাইলট বিষয়টি খুলে বললে তাদের আ*ত*ঙ্ক কে*টে যায়। এরপর হেলিকপ্টারটি দেখার জন্য ওই মাঠে ভি*ড় জমান সব বয়সী নারী-পুরুষ।

১ লক্ষ ৭২ হাজার ডলার দিবেন দুই টেনিস তারকা অস্ট্রেলিয়ার দাবানলে ক্ষ*তিগ্রস্তদের

অস্ট্রেলিয়ার ভ*য়াবহ দাবানলে এখন পর্যন্ত প্রা’’’ণ হারিয়েছেন ২৮ জন। পুড়ে গিয়েছে প্রায় আড়াই হাজার বাড়ি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অসং’’খ্য বন্যপ্রাণী। এজন্য ক্ষ’তি গ্রস্তদের সাহায্যার্থে
অনুদান দেওয়ার অ*ঙ্গীকার করলেন দুই টেনিস তারকা রজার ফেডেরার এবং রাফায়েল নাদাল।জানা গেছে, অস্ট্রেলিয়ান ওপেন শুরু হওয়ার আগে গত বুধবার মেলবোর্ন পার্কের রড লেভার এরিনায় এক চ্যারিটি অনুষ্ঠান হাজির হন রজার ফেডেরার ও রাফায়েল নাদাল। এ সময় তারা ১ লক্ষ ৭২ হাজার ডলার অনুদান দেওয়ার কথা বলেন।নাদাল বলেন, ‘এর ফলে

মানুষ হয়তো এই ভ*য়াবহ বি*পদে সাহায্যের জন্য আরও বেশি করে এগিয়ে আসবেন। এই সাহায্যের ফলে আমরা আবার নতুন করে শুরু করতে পারব। আগুনে যে ক্ষত তৈরি হয়েছে, তাতে কিছুটা হলেও প্রলেপ দেওয়া যাবে।’ফেডেরার বলেন, ‘খুব ক*ঠিন সময় এটা। আমি আশা করব, এমনটা যেন আমার দেশে না হয়। আমরা খুবই ভাগ্যবান যে সুইৎজারল্যান্ডে এমনটা কখনও ঘটে না। আমি সর্বতোভাবে অস্ট্রেলিয়ার মানুষদের পাশে আছি। নিজের সময় এবং অর্থ দিয়ে সাহায্য করতে চাই।’

৮ তারকা হাফেজ তেলাওয়াত ও হৃদয়কাড়া সুরে বিশ্বদরবারে দেশের মান উঁচু করলো

আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন ও কেরাত প্রতিযোগিতায় বরাবরই সুনাম অর্জন করছে বাংলাদেশের শিশু-কিশোর হাফেজ-কারিরা।সুমধুর তেলাওয়াত ও হৃদয়কাড়া সুরে নজর কাড়ছে বিশ্ববাসীর, বিশ্বদরবারে দেশের মান উঁচু করলো তারা। তাদের অনন্য অবদানে প্রায়ই বিশ্বমিডিয়ায় শিরোনাম হচ্ছে ষোলো কোটি মানুষের ‘বাংলাদেশ’।যেসব হাফেজ ও কারি বিশ্বদরবারে দেশকে অনন্য উচ্চতায় তুলে ধরেছেন, তাদের কয়েকজনকে নিয়ে আজকের আয়োজন। সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার, মালয়েশিয়া, ভারত, বাহরাইনসহ বিভিন্ন দেশে আয়োজিত আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পুরস্কারপ্রাপ্ত আটজন হাফেজে কোরআনের কথা–১) হাফেজ মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম: আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় ১০৩টি দেশকে পেছনে ফেলে প্রথম স্থান অধিকার করেছে কুমিল্লা দাউদকান্দির হাফেজ মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম। ২০১৭ সনের ১৫ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক রাজধানী দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় ১০৩ প্রতিযোগীর সঙ্গে বাংলাদেশের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সে।সুমধুর তেলাওয়াত ও মুগ্ধকর সুরে বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে সেরা বিজয়ীর খেতাব অর্জন করে তরিকুল। পুরস্কার হিসেবে পায় ২ লাখ ৫০ হাজার দিরহাম (প্রায় ৫৬ লাখ টাকা)।দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স আহমদ বিন মোহাম্মদ বিন রাশেদ আল

মাকতুম তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন।হাফেজ তরিকুল রাজধানীর মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার ছাত্র। কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার মালিগাঁও গ্রামে তার জন্ম। বাবার নাম মো. আবু বকর সিদ্দিক। তিনি অবসরপ্রাপ্ত হাইস্কুল শিক্ষক। সাত ভাইবোনের মধ্যে তরিকুল পঞ্চম। হিফজের পাশাপাশি আলিয়া মাদ্রাসা থেকে জেএসসি পরীক্ষা দিয়েছে তরিকুল। পুরস্কারের অর্থ দিয়ে সেবামূলক কাজ ও বাবা-মাকে হজ করাতে চায় সে।
হাফেজ তরিকুল ২০১৪ সালে মাছরাঙা টেলিভিশনে ‘আল কোরআনের আলো’ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয়, ২০১৫ সালে বাংলাভিশনে ‘পবিত্র কোরআনের আলো’ প্রতিযোগিতায় ষষ্ঠ, ২০১৭
সালে এনটিভিতে ‘পিএইচপি কোরআনের আলো’ প্রতিযোগিতায় পঞ্চম ও ২০১৭ সালে হুফফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশনের ‘জাতীয় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায়’ দ্বিতীয় স্থান লাভ করে।২) হাফেজ আবদুল্লাহ আল মামুন: গেল বছর (২০১৭) বিশ্বজয় করেছে হাফেজ আবদুল্লাহ আল মামুন। সৌদি আরবের ‘বাদশা আবদুল আজিজ আল সৌদ আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা’য় ৭৩টি দেশকে পেছনে ফেলে প্রথম স্থান অর্জন করেছে সে।১১ অক্টোবর আয়োজিত ওই প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ৭৩টি দেশের কিশোর ও তরুণ হাফেজরা অংশ নিয়েছিল। চারটি ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। হাফেজ আবদুল্লাহ আল মামুন দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অর্জন করে। পুরস্কার হিসেবে পায় ক্রেস্ট এবং ১ লাখ ২০ হাজার রিয়াল।হাফেজ মামুন আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত হাফেজ কারি নাজমুল হাসান প্রতিষ্ঠিত ঢাকার যাত্রাবাড়ীর তাহফিজুল কোরআন ওয়াসসুন্নাহ মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার হিরাকান্দা তার গ্রামের বাড়ি। বাবার নাম মো. আবুল বাশার।হাফেজ মামুন এর আগেও মিশরের রাজধানী কায়রোয় ৫৫টি দেশের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিতহিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে প্রথম স্থান অর্জন করে। ২০১৬ সালে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় এবং ২০১৪ সালের জুলাই মাসে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে।৩) হাফেজ নাজমুস সাকিব: আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত হাফেজ নামজুস সাকিব একাধিকবার বিশ্ববুকে বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চাতায় নিয়ে গেছে। শুরুটা ২০১২ সালে ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতেঅনুষ্ঠিত এশিয়া মহাদেশ কেরাত প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে। সেবার ২৭টি দেশকে পেছনে ফেলে প্রথম স্থান অর্জন করে নাজমুস সাকিব।

তারপর ২০১৩ সালে দুবাই আন্তর্জাতিক কেরাত প্রতিযোগিতায় ৮৬টি দেশের প্রতিযোগীকে টপকে প্রথম স্থান অর্জন করে। ২০১৪ সালে পবিত্র মক্কায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কেরাত
প্রতিযোগিতায় ৭৩ দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করে। ওই বছরই ওমানের রাজধানী
মাসকাটে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কেরাত প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে।২০১৫ সালে সুদানের রাজধানী খার্তুমে অনুষ্ঠিত আফ্রিকা মহাদেশ কেরাত প্রতিযোগিতায় ৬৫টি দেশের মধ্যে প্রথম হয়। একই বছর কাতারে অনুষ্ঠিত ১৮ দেশের মধ্যে প্রথম হয়। ২০১৬
সালে মালয়েশিয়া আন্তর্জাতিক কেরাত প্রতিযোগিতায়ও প্রথম স্থান অর্জন করে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের সম্মান বৃদ্ধি করেছে এই হাফেজে কোরআন।তার গ্রামের বাড়ি বৃহত্তর ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া থানাধীন ইতাইল পল্লীতে। বাবার নাম মো. আবুল কালাম আজাদ। মা সালমা বেগম। ২৯ মার্চ ২০০১ সালে তার জন্ম। ২০০৬ সালেময়মনসিংহের আমলাপাড়া আনোয়ারা হাফেজিয়া মাদ্রাসায় তার পড়াশোনার হাতেখড়ি হয়। এ মাদ্রাসা থেকেই হিফজ শেষ করে হাফেজ হিসেবে স্বীকৃতি পায়।২০০৮ সালে ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে অবস্থিত মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় ভর্তিহয়। সেখানে তিন বছর অধ্যয়ন করে বর্তমানে ঢাকার বারিধারা মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত।৪) হাফেজ মুহাম্মদ জাকারিয়া: ‘কুয়েত অ্যাওয়ার্ড’ নামে আন্তর্জাতিক কেরাত ও হিফজ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দেশের সুনাম বয়ে আনে কিশোর হাফেজ মুহাম্মদ জাকারিয়া।২০১৬ সালের ১৩ এপ্রিল কুয়েতের আওকাফ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ৫৫টি দেশের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক কেরাত ও হিফজ প্রতিযোগিতায় চতুর্থ স্থান অর্জন করে।প্রতিযোগিতাটি উদ্বোধন করেন কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল আহমাদ আল জাবের আল সাবাহ। হাফেজ জাকারিয়া ৩০ পারা কোরআন হিফজ গ্রুপে চতুর্থ স্থান অর্জন করে ৭
হাজার কুয়েতি দিনার ও সম্মাননাপত্র লাভ করে। কুয়েতে অনুষ্ঠিত কোনো প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এটাই সর্বোচ্চ সফলতা।এর আগে ২০১৫ সালের এপ্রিলে মিশরের কায়রোয় আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে ৫০ হাজার পাউন্ড জিতে নেয় হাফেজ মুহাম্মদ জাকারিয়া।একই বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক শহর দুবাইয়ে আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় ৮০টি দেশের প্রতিযোগীকে হারিয়ে তৃতীয় ও সুর ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান লাভকরে। এছাড়াও কাতার, জর্ডান ও মিশরের কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখে জাকারিয়া।হাফেজ জাকারিয়ার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জ। তার বাবা হাফেজ মাওলানা ফয়েজ উল্লাহ মানিকগঞ্জ হরিরামপুরের একটি মসজিদের ইমাম। হাফেজ জাকারিয়ার সাফল্যের যাত্রা শুরুহয় ২০১৩ সালে বাংলাদেশের বেসরকারি টিভি চ্যানেল বাংলাভিশন আয়োজিত হিফজুলকোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করার মধ্য দিয়ে। সেবার দেশের বাছাইকৃত প্রায় ৩০ হাজার হাফেজের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে ৫ লাখ টাকা পুরস্কার পায় সে।৫) হাফেজ সাইফুর রহমান ত্বকি: বাহরাইনে শায়েখ জুনায়েদ আন্তর্জাতিক হিফজুলকোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ৫৪টি দেশের মধ্যে তৃতীয় স্থান অধিকার করে বাংলাদেশের কিশোর হাফেজ সাইফুর রহমান ত্বকি। ২০১৭ সালের ২১ নভেম্বর প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়। একই বছর কুয়েতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় ৭২টি দেশের মধ্যে দ্বিতীয় হয় সে।হাফেজ ত্বকির গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানাধীন ডালপা গ্রামে। ২০০০ সালের ৩১ অক্টোবর তার জন্ম। তার বাবা মাওলানা বদিউল আলম। পারিবারিক শিক্ষা শেষে ঢাকারউত্তর যাত্রাবাড়ীর ধলপুর লিচু বাগান হাফিজিয়া নূরানী মাদ্রাসায় হিফজ শুরু করে হাফেজ ত্বকি। এখানেই হিফজ শেষ করে। তারপর উচ্চতর শিক্ষার জন্য ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় অধ্যয়ন শুরু করে।২০১৪ সালে বেসরকারি টেলিভিশন এনটিভিতে প্রচারিত ‘পিএইচপি কোরআনের আলোপ্রতিভার সন্ধানে’ কেরাত প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে। এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় প্রতিযোগিতাসহ ২০১৭ সালে হুফফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে।৬) হাফেজ আবু রায়হান: বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বলকারী আরেকজন হাফেজের নাম আবু রায়হান। মার্চ ’১৮-এ কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল জিম টিভির একটি রিয়েলিটি শোতে অংশ নিয়ে প্রথম স্থান অধিকার করে সে। অনূর্ধ্ব পনেরো বছর বয়সিদের নিয়ে আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনের পাশাপাশি কেরাত প্রতিযোগিতায় চতুর্থ স্থান অধিকার করে।১২ বছর বয়সি হাফেজ আবু রায়হান মাত্র আট বছর বয়সে কোরআনের হাফেজ হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করে। খুদে এই হাফেজ নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজারে অবস্থিত মুফতি আবদুল কাইয়ুম প্রতিষ্ঠিত বল্লভদী আল ইসলামিয়া একাডেমি শিক্ষার্থী।বড় হয়ে বিশ্বব্যাপী কোরআনের আলো ছড়াতে চায় সে।
৭) হাফেজ হেলাল উদ্দীন: পবিত্র মসজিদুল হারামে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দেশের সুনাম বয়ে এনেছে হাফেজ মুহাম্মাদ হেলাল উদ্দীন। ২০১৫

সালের নভেম্বরে মক্কায় আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ৮০ দেশের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তৃতীয় স্থান অর্জন করে সে।পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মক্কার আমির খালেদ আল-ফয়সাল, প্রধান বক্তা ছিলেন, পবিত্র হারাম শরিফের ইমাম আবদুর রহমান আল-সুদাইস। বিজয়ী হাফেজ মুহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের হাতে ৭৫ হাজার সৌদি রিয়াল চেক, সনদ এবং ক্রেস্ট তুলে দেন প্রধান অতিথি।হাফেজ মুহাম্মাদ হেলাল উদ্দিন কারি নেছার আহমাদ আন নাছিরী পরিচালিত মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদি খান উপজেলার গোবরদি বয়রাগাদী (নুরপুর) গ্রামে তার জন্ম। বাবা হাফেজ মাওলানা মো. মঈনুদ্দীন। মা আলেমা মারুফা।৮) হাফেজ ইয়াকুব হোসাইন তাজ: আন্তর্জাতিক কেরাত ও হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে কৃতিত্ব অর্জনকারী আরেক বাংলাদেশি ক্ষুদ্র তারকার নাম হাফেজ ইয়াকুব হোসাইন তাজ। ২০১৭ সালে কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল জিম টিভির কেরাত ও হিফজ রিয়েলিটি শোতে অংশ নিয়ে ২৮টি দেশের প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে কিশোর এই হাফেজ।হাফেজ ইয়াকুব ঢাকার তানযীমুল উম্মাহ হিফজ মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। ১০ বছর বয়সি এই হাফেজের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জে। তার বাবার নাম মো. হোসাইন।হাফেজ ইয়াকুব এর আগে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে পঞ্চম স্থান লাভ করেছিল। সেবার তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল ৯৬টি দেশের প্রতিনিধি।

নতুন সূচি প্রকাশ এসএসসি পরীক্ষার

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার নতুন সূচি প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ রবিবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার নতুন সূচি প্রকাশ করা
হয়। ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনের কারণে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার তারিখ

পেছানো হয়। পূর্ব নির্ধারিত ১ ফেব্রুয়ারি পরিবর্তে এই পরীক্ষা শুরু হবে ৩ফেব্রুয়ারি। নতুন সূচি অনুযায়ী ৩ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) বাংলা প্রথম পত্র ও ৪ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।চলবে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আর ২৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা নেয়া হবে।

প্রবাসী এক বাংলাদেশি নারী ইংল্যান্ড থেকে নি’খোঁজ

ফারজানা বেগম নামে ২৭ বছর বয়সী এক বাংলা‌দেশি বংশোদ্ভূত ব্রি‌টিশ নারী দুইদিন থেকে
নি’খোঁজ রয়েছেন। তিনি যুক্তরা‌জ্যের বেডফোর্ড এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ ফারজানাকে খুঁজে বের করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।সর্বশেষ গত শুক্রবার রাত ১০টার সময় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ হয় ফারজানার। তখন তিনি লন্ডনের নিকটবর্তী মিল্টন কেইনস এলাকার টেমস ভ্যালি এলাকায় ছিলেন।

এরপর থেকে তার কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।কেউ ফারজানার সন্ধান পেলে বা কোথাও দেখে থাকলে ১০১ নম্বরে কল করে MPC/132/20 উল্লিখিত রেফারেন্সে পুলিশকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।ফারজানার বোন নূরজাহান বেগম বলেছেন, তার বোন কিছুটা অপ্রকৃতস্থ। কেউ ফারজানার স*ন্ধান পেলে যেন তার পরিবার অথবা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বোনকে ফিরে পেতে সবার সহ‌যোগিতা কামনা করেন নূরজাহান।