দেরি করে ঘুমাতে নিষেধ করেছেন মহানবী (সা.)

রাতে জলদি ঘুমাতে যাওয়া আর সকালে জলদি ঘুম থেকে উঠা সুস্বাস্থ্য, সম্পদ আর জ্ঞানের পূর্বশর্ত। বিষয়টি রাসুল (সা.)-এর হাদিসের সঙ্গেও মিলে যায়। আমাদের প্রিয় নবী (সা.)
রাতে দেরি করে ঘুমানো অপছন্দ করতেন। সাহাবায়ে কিরামকে তাগিদ দিতেন এশার পরপরই ঘুমিয়ে যাওয়ার।রাসুলুল্লাহ (সা.) এশার নামাজ এক-তৃতীয়াংশ রাত পরিমাণ দেরি করে পড়া পছন্দ করতেন, আর এশার আগে ঘুমানো এবং এশার পর না ঘুমিয়ে গল্পগুজব করা অপছন্দ করতেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৯৯)রাতে দেরিতে ঘুমানোয় স্বাস্থ্যঝুঁ’কি, মানুষের সুস্থতার জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম। এর জন্য সবচেয়ে উপযোগী সময় হলো রাত। কেননা আল্লাহ তাআলা রাতকে বিশ্রামের উপযোগী করেই বানিয়েছেন। মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘আমি তোমাদের বিশ্রামের জন্য নিদ্রা দিয়েছি, তোমাদের জন্য রাত্রিকে করেছি আবরণস্বরূপ আর দিনকে বানিয়েছি তোমাদের কাজের জন্য।’ (সুরা : নাবা, আয়াত : ৯-১১)বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ক্যান্সারবিষয়ক গবেষণা বিভাগ ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সারের তথ্য মতে, যখন সূর্যের আলো থাকে না তখন শরীরকে কাজ করতে বাধ্য করা বা জাগিয়ে রাখা শরীরে মেলাটনিন হরমোন তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করে।

আর এই মেলাটনিনই মানুষের দেহে টিউমারের বৃদ্ধিকে রোধ করে। ফলে তাদের ধারণা, রাত জাগা মানুষদের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁ’কি বেশি। অর্থাৎরাতের ঘুম অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং এটি কোনোভাবেই দিনের বেলায় ঘুমিয়ে পুষিয়ে নেওয়া যায় না।তাই রাতের বেলা গল্পগুজব, সিনেমা, ফেসবুকিংসহ সব অহেতুক কাজ থেকেই বিরত থাকা প্রয়োজন। কারণ রাতে অহেতুক দেরি করে ঘুমানো মানুষকে শেষরাতের ইবাদত ও ফজর নামাজ থেকে যেমন বঞ্চিত করে, তেমনি এটি স্বাস্থ্যের জন্যও মোটেই শুভকর নয়।যুক্তরাজ্যের এক দল গবেষকের মতে, যারা দেরিতে ঘুমায় ও দেরিতে ঘুম থেকে ওঠে, তাদের অকালমৃত্যুঝুঁ’কি বেড়ে যায় যুক্তরাজ্যের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. পিরেঞ্জ লেভি বলেন, রাত জাগার বদ-অভ্যাস যারা গড়ে তুলেছে, তাদের ৯০ শতাংশই মা’নসিক রোগের শি’কার। ৩০ শতাংশে থাকে ডায়াবেটিসে
আ’ক্রা’ন্ত হওয়ার ঝুঁ’কি। এছাড়া স্নায়বিক সমস্যা থেকে শুরু করে অন্ত্রের রোগে আ’ক্রা’ন্ত’ হওয়ার ঝুঁ’কি অনেকাংশে বেড়ে যায়।সকালে দেরিতে ঘুম থেকে উঠার অপকারিতা, যুক্তরাজ্যের সুবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রোনোলজি বিভাগের অধ্যাপক জন রিচার্ডসন বলেন, ‘আমরা দেখেছি, যারা দেরি করে ঘুম থেকে ওঠে তারা নানা ধরনের মানসিক ও শারীরিক জ’টিলতায় ভো’গে। তাদের গড় আয়ু নিয়মিত সকালে উঠা মানুষের চেয়ে সাড়ে ছয় বছর কম।’খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠার উপকারিতা, খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠা সম্পদ ও জ্ঞানের জন্য পূর্বশর্ত। বলা যায় সফলতার চাবিকাঠি। কেননা ভোররাতে বা দিনের শুরুতে সবচেয়ে বেশি কল্যাণ থাকে। শুধু ইবাদত-বন্দেগিই নয়, দুনিয়াবি কাজের জন্যও এটি সবচেয়ে উপযুক্ত ও বরকতময় সময়। রাসুলুল্লাহ (সা.) ভোরবেলার কাজের জন্য বরকতের দোয়া করেছেন।
সখর গামেদি (রা.) সূত্রে বর্ণিত, রাসুল (সা.) এ দোয়া করেছেন, ‘হে আল্লাহ, আমার উম্মতের জন্য দিনের শুরুকে বরকতময় করুন।’

এ জন্যই রাসুল (সা.) কোনো যু’দ্ধ অ’ভিযা’নে বাহিনী পাঠানোর সময় দিনের শুরুতে পাঠাতেন। বর্ণনাকারী বলেন, সখর (রা.)-ও তার ব্যবসায়ী কার্যক্রম ভোরবেলা শুরু করতেন। এতে তাঁর ব্যবসায় অনেক উন্নতি হয়। তিনি সীমাহীন প্রাচুর্য লাভ করেন। (আবু দাউদ, হাদিস : ২৬০৬)তা ছাড়া এ সময় বান্দার রিজিক বণ্টন হয়। যারা তখন ঘুমিয়ে থাকে তারা সফলতা ও রিজিকের বরকত থেকে বঞ্চিত হয়। প্রিয় নবী (সা.) ইরশাদ করেন, ‘সকালবেলায় রিজিকের অন্বেষণ করো! কেননা সকালবেলা বরকতময় ও সফলতা অর্জনের জন্য উপযুক্ত সময়।’ (মাজমাউজ জাওয়ায়েদ, হাদিস : ৬২২০)ফাতেমা বিনতে মুহাম্মদ (সা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা রাসুল (সা.) আমার ঘরে এসে আমাকে ভোরবেলায় ঘুমন্ত অবস্থায় দেখলেন, তখন আমাকে পা দিয়ে নাড়া দিলেন এবং বললেন, মামণি! ওঠো! তোমার রবের পক্ষ থেকে রিজিক গ্রহণ করো! অলসদের দলভুক্ত হয়ো না। কেননা আল্লাহ সুবহে সাদিক থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত মানুষের মধ্যে রিজিক বণ্টন করে থাকেন। (আত-তারগিব ওয়াত তারহিব, হাদিস : ২৬১৬)
খুব ভোরে উঠা মানুষগুলো সবার থেকে আলাদা ও কর্মদক্ষ হয়ে থাকে। গবেষণায় দেখা যায়, যারা খুব ভোরে ঘুম থেকে ওঠে কিংবা রাতে কম ঘুমায়, অন্যদের তুলনায় তাদের আইকিউ ভালো হয়।টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিক্ষার্থী ভোরবেলায়ই জাগতে পারে, তারা দেরিতে জাগ্রতদের চেয়ে বেশি নম্বর পায়। তাদের জিপিএ অন্যদের তুলনায় বেশি হয়। এই সাফল্যের পেছনে তারা বাড়তি উৎপাদনশীলতা এবং ভালো ঘুম হওয়াকেই কারণ হিসেবে উল্লেখ করে।প্রিয় নবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আল্লাহ ওই বান্দার ওপর রহম করুন, যে রাত্রিকালে উঠে নামাজ আদায় করে এবং তার স্ত্রীকেও জাগায় এবং সেও নামাজ আদায় করে। যদি সে (স্ত্রী) নিদ্রার চাপে উঠতে না চায়, তবে সে (ভালোবেসে) তার মুখে পানি ছিটিয়ে দেয়। আল্লাহ ওই নারীর ওপরও রহম করুন, যে রাত্রিতে উঠে নামাজ আদায় করে এবং তার স্বামীকে ঘুম থেকে জাগায় এবং সেও নামাজ আদায় করে। যদি সে ঘুম থেকে উঠতে না চায়, তবে সে (ভালোবেসে) তার মুখে পানি ছিটিয়ে জাগিয়ে তোলে।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ১৪৫০)

গ্রামে বাড়ি করতে ঋণ সহজ শর্তে দেবে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক –

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড (এমটিবি) সম্প্রতি গ্রামীণ গৃহঋণ সেবা চালু করেছে। এই
ঋণ সেবার আওতায়, ইউনিয়ন পর্যায়ের বাসিন্দারা পাকা বাড়ি নির্মাণ, উন্নয়ন ও বর্ধিতকরণের জন্য ঋণ সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।এমটিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সৈয়দ মাহবুবুর রহমান সম্প্রতি এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গুলশানস্থ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় এমটিবি সেন্টারে ‘এমটিবি গ্রামীণ গৃহঋণ’ সেবা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেন।ঋণ গ্রহীতারা মাসিক কিস্তিতে এই ঋণ পরিশোধ করতে পারবেন।

তারা তাদের পাকা বাড়ি নির্মাণে, বর্ধিতকরণে অথবা মেরামতে এমটিবি’র শাখাসমূহ থেকে সর্বোচ্চ ৮০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।অনুষ্ঠানে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড (এমটিবি)-এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকদ্বয় সৈয়দ রফিকুল হক ও চৌধুরী আখতার আসিফ, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারেক রিয়াজ খান, হেড অব বিজনেস রিটেইল ব্যাংকিং ডিভিশন মো. তৌফিকুল আলম চৌধুরী এবং গ্রুপ চিফ কমিউনিকেশন্স অফিসার আজম খানসহ মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড (এমটিবি)-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

‘ফিরে এসে শুটিং শুরু করব’, শেষ ফোনে বাল্যবন্ধুকে বলেছিলেন তাপস পাল

বন্ধু আ’র নেই। বন্ধু প্রয়াত। তাপস পালের মৃ’ত্যু’র খবরে কান্নায় ভে’ঙে পড়’লেন তাঁর
বাল্য’বন্ধু বাবু পাল। জানালেন, শেষ দিন প’র্যন্ত বন্ধু তাপসের সঙ্গে নিবিড় সম্প’র্ক ছিল। মুম্বই থেকে শেষ ফোনে তাপস পাল জানিয়েছিলেন, মা’স দেড়ে’ক পরই ফিরবেন।ফিরে এসে আবার শু’টিং শুরু করবেন। কিন্তু, স’কালে সবই উলট’পাট হয়ে গেল। মুম্বই থেকে ফোনেই ব’ন্ধু তাপস পালের প্রয়াণের খবর পান তিনি। ছোট’বেলার বন্ধু আর কোনওদিন-ই ফিরবে না, জানার পর থেকে ভেঙে পড়েছেন চন্দন’নগররে বাসিন্দা বাবু পাল।ছোট থেকে একসঙ্গে স্কুল, কলেজ। বড় হয়ে ওঠার সবকি’ছুতেই বন্ধু, জুটি ছিলেন দুজনে।হুগলির চন্দননগ’রের স’র্ষেপা’ড়ার ডাক্তার গজেন্দ্র চন্দ্র পালের একমাত্র পুত্রস’ন্তান ছিলেন তাপস পাল। তিন বোন ও এক ভা’ইয়ের সর্ষে’পাড়ার বা’ড়িতেই বড় হয়ে ওঠা। প্রথমে পাড়ার কাছেই কানা’ইলাল বিদ্যামন্দিরে পড়াশোনা।তারপর চুঁ’চুড়া মহসিন কলেজ থেকে স্না’তক ডিগ্রি লাভ। এরপর হঠাৎ করেই ফিল্মে সুযোগ পান তাপস পাল। ‘দা’দার কীর্তি’-তে দু’র্দান্ত সাফল্যের পর আর ফিরে তাকাতে হয়নি নায়ক তাপস পালকে।বন্ধু বাবু পাল জানান, প্রথমদিকে চন্দননগরে বাবা গজেন্দ্র চন্দ্র পালের কাছে আসাযাওয়া করতেন তাপস। কিন্তু বাবা প্র’য়াত হওয়ার পর থেকেই চ’ন্দননগরের সঙ্গে যোগাযোগে টান পড়ে। সে’ইসময় থেকেই স’ম্পত্তি নিয়ে বোনেদের সঙ্গে বিবাদ শুরু হয়। যা আ’দালত পর্যন্ত গড়ায়।তবে শেষপর্যন্ত আ’দালতে দাঁড়ি’য়ে তাপস পাল পৈ’তৃক সব সম্প’ত্তি বোনেদের দিয়ে গেলেন বলে বি’চার’ককে জানান। এরপর থেকে আর চ’ন্দননগরে সেভাবে পা রাখেননি তাপস পাল। শে’ষবার বছর’খানেক আগে একবার চন্দ’ননগর এসেছিলেন তিনি। সেইসময়বাল্যবন্ধুর কাছেই আসেন। এক’সঙ্গে কিছুক্ষণ কাটিয়ে ফের কলকাতায় ফেরত চলে যান।এদিন সাতসকালে তাপস পালের প্র’য়াণে’র খবর পেয়েই সবাই ভিড় জ’মিয়েছেন বাড়ির সামনে। অভিনেতা পরবর্তীকালে রাজনী’তিবিদ তাপস পালকে নিয়ে অনেক বিতর্ক মা’থাচাড়া দিলেও, ঘরের ছে’লের প্রয়াণে ম’র্মাহত সকলেই।শো’কের ছায়া নেমে এসেছে এলা’কায়। এক বোন পাপিয়া পাল চন্দননগরেই থাকেন। স’ম্পত্তি বিবাদে ভা’ইয়ের সঙ্গে মনোমালিন্য, আইনি ল’ড়াই লড়লেও, এদিন কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা গেল তাঁকেও।

ম’সজিদে নববীতে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হযরত মোহাম্ম’দ (সা.)

হ’জ ও ওম’রা পালনকারীদের ম’দিনা আসার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো- নবী করিম (সা.)-
এর রওজা মোবারক জিয়ারত করা, রওজায় সালাম পেশ করা। এই পবিত্র ভূমি ম’দিনার ম’সজিদে নববীতে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হযরত মোহাম্ম’দ (সা.)।নবীজি যে ঘরটিতে স্ত্রী’ আয়েশা (রা.) কে নিয়ে বসবাস করতেন সে ঘরটিতে মৃ’ত্যুর পর তাকে দাফন করা হয়। রাসূলের রওজার পাশে ইস’লামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর (রা.) ও ইস’লামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত উম’র (রা.)-এর কবর।পাশে আরেকটি কবরের জায়গা খালি। এখানে হযরত ঈসা (আ.)-এর কবর হবে। এ কারণে হ’জপালনের আগে কিংবা পরে হাজিরা ম’দিনা শরিফ আসেন। ম’দিনায় অবস্থানকালে হাজিদের প্রথম এবং প্রধান কর্তব্য হচ্ছে,ম’সজিদে নববিতে হাজিরা দেওয়া এবং সেখানে দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা। ম’সজিদে নববিতে এক রাকাত নামাজের সওয়াব পঞ্চাশ হাজার রাকাত নামাজের সমান।এছাড়া ম’সজিদে নববীতে বিরতিহীনভাবে ৪০ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায়ের আলাদা ফজিলত রয়েছে।সুদীর্ঘ ৭০০ বছরেও নবীজির রওজার মূল দরজা খোলা হয়নি। ধ’র্মপ্রা’ণ মু’সল্লিদের আবেগ এতটাই বেশি যে নবীজির রওজার দরজা খোলা থাকলে ধুলোবালিও নিয়ে যেতো। তাই নবীজির রওজা রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা কর্মক’র্তারা বেশ খানিকটা দূর থেকে রওজা জিয়ারতের সুযোগ দেন।সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী নবীজির রওজা মোবারক নিয়ে নানা অ’পপ্রচার চলছে।

বিভিন্ন দেশে নবীজি ও খলিফাদের ভু’য়া রওজার ছবি দেখিয়ে অ’বৈধ অর্থ রোজগারের অ’পচেষ্টা চলছে।মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ছাড়া আর কারও কাছে মা’থা নত করা উচিত নয় বলে ওই কর্মক’র্তা মন্তব্য করেন।তাছাড়াও রওজা শরীফ সর্ম্পকে হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হয়রতরাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি আমা’র ম’সজিদে চল্লিশ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেছে আর কোনো নামাজ কাজা করেনি,সে নিফাক (মোনাফিকি) আর দোজখের আজাব থেকে নাজাত পাবে।হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর রওজা শরিফ জিয়ারতের ফজিলত প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ওফাতের পর তার রওজা মোবারক জিয়ারতে করলো, সে যেন রাসূলুল্লাহ (সা.) কে জীবদ্দশায় দশন করলো।ম’সজিদে নববিতে প্রবেশের অনেকগুলো দরজা রয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিম পাশে রাসূলের রওজা জিয়ারতের জন্য যে দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে হয়, ওই দরজাকে ‘বাবুস সালাম’ বলা হয়। বাবুস সালাম দিয়ে প্রবেশ করে রাসূলের রওজায় সালাম শেষে ‘বাবুল বাকি’ দিয়ে বের হতে হয়।ম’দিনায় জিয়ারতে হাজীদের জন্য সৌভাগ্যের বিষয়। কারণ ম’দিনায় এসে দুনিয়ায় জীবিত থাকতে জান্নাতে ভ্রমণের সুযোগ মেলে। কারণ নবী করিম (সা.)-এর রওজা শরিফ এবং এর থেকে পশ্চিম দিকে রাসূলে করিম (সা.)-এর মিম্বর পযন্ত স্বল্প পরিসরের স্থানটুকুকে রিয়াজুল জান্নাত বা বেহেশতের বাগিচা বলা হয়।এটি দুনিয়াতে একমাত্র জান্নাতের অংশ। এই স্থানে স্বতন্ত্র রঙয়ের কার্পেট বিছানো থাকে।এই স্থানটুকু স’ম্পর্কে হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আমা’র রওজা ও মিম্বরের মধ্যবতী স্থানে বেহেশতের একটি বাগিচা বিদ্যমান।এখানে প্রবেশকরা মানে জান্নাতে প্রবেশ করা।বস্তুত দুনিয়ার সব কবরের মধ্যে সর্বোত্তম ও সবচেয়ে বেশি জিয়ারতের উপযুক্ত স্থান হলো- রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর রওজা মোবারক। তাই এর উদ্দেশে সফর করা উত্তম। এ কথার ওপর পূর্বাপর সব উলামায়ে কেরামের ঐকমত্য রয়েছে।

অবশেষে হদিস মিলেছে বুবলীর

চিত্রনায়ক শাকিব খানের সঙ্গে ৯টি সিনেমায় অভিনয় করে তারকা খ্যাতি পাওয়া শবনম বুবলী
সিনেমা পাড়া থেকে গায়েব। ‘বীর’ সিনেমার শুটিং শেষে দীর্ঘ সময় তাকে দেখা যাচ্ছে না। বুবলী এখন কোথায়? ঢালিউডপাড়া থেকে শুরু করে দেশের সিনেপ্রেমীদের মুখে এখন এই প্রশ্ন।যদিও বুবলী নিজেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, ‘বীর’ ও ‘ক্যাসিনো’ সিনেমার শুটিং শেষে লম্বা বিরতিতে যাবেন। তবে কেন বিরতিতে যাচ্ছেন তা স্পষ্ট করেননি। আর তার সেই ঘোষণার
প্রেক্ষিতে গুঞ্জন ওঠে, শাকিব খানের সঙ্গে ঘর পেতেছেন বুবলী। তিনি এখন সন্তানসম্ভাবা।
সন্তান জন্মদানের উদ্দেশ্যেই বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন। এজন্যই সিনেমা থেকে আপাতত ছুটি নিয়েছেন তিনি।তবে এমন গুঞ্জনের সত্যতা মেলেনি এখনো।

এ গুঞ্জনের মধ্যেই গত ১৮ ফেব্রুয়ারি একটি বেসরকারি টেলিভিশন খবর প্রচার করে, অপু বিশ্বাসের পথে হাঁটছেন বুবলী। ২৫ হাজারমার্কিন ডলার দিয়ে বুবলীকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠিয়েছেন শাকিব খান। এদিকে ‘বীর’ সিনেমা মুক্তির আগে ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আসেননি বুবলী।তবে বুবলীর পারিবারিক সূত্র জানায়, ইংল্যান্ড, আমেরিকা নয়, বর্তমানে ঢাকার উত্তরার নিজস্ব বাসভবনেই অবস্থান করছেন বুবলী। ব্যক্তিগত কারণে মিডিয়ার ঘনিষ্ঠ কয়েকজনেরসঙ্গে ছাড়া যোগাযোগ রাখছেন না এ নায়িকা। তাকে নিয়ে মুখরোচক গুঞ্জনের কোনোই সত্যতা নেই।কেননা কিছুদিন আগে এফডিসিতে বীর’ সিনেমার একটি আইটেম গানের শুটিংয়ে বুবলীর জন্য কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। আইটেম গান হলেও স্বল্প পোশাকে দেখা যায়নি বুবলীকে। সেক্ষেত্রে সাবলীল পোশাকেই নেচেছেন তিনি। কালো ফুল স্লিভ জামার সঙ্গে ওড়নাদিয়ে শরীর ঢেকে অভিনয় করেছেন। আর প্রতিটি শট শেষ হলেই বুবলী দ্রুতই মেকআপ রুমে ঢুকে পড়েন। আর বাইরে থেকে সেই রুম তালা মেরে দেয়া হয়।এ বিষয়গুলো নিয়ে বুবলীর ফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয় কিন্তু ফোন চালু থাকলেও তা ধরেননি কেউ।

শো’কের ছায়া সিনে জগতে শাহরুখ খানের মা আ’র নে’ই

শাহরুখ খানের মা লতিফ ফাতিমা খান মা’রা গেছেন ১৯৯০ সালে। ম্যা’জিস্টেট ছিলেন
তিনি। এবার না ফেরার দেশে পাড়ি জ’মালেন শাহরুখ খানের আরেক মা কি’শোরী বল্লাল। ‘স্বদেশ’ সিনেমায় শাহ’রুখের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি।কর্ণাটকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে মঙ্গলবা মৃ’ত্যু হয় তার। তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। কিশোরী বল্লালের মৃ’ত্যু’তে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ভার’তের সিনেমা অঙ্গণে।১৯৬০ সালে প্রথম অভিনয় করেন কিশোরী বল্লাল।

এরপর প্রায় পাঁচ দশকে ৭৫টিরও বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।২০০৪ সালে আ’শুতোষ গোয়া’ড়িকরের পরিচালনায় শাহরুখ খানের সঙ্গে স্বদেশ সিনেমাতে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেন কিশোরী বল্লাল। শাহরুখ ছাড়াও রানি মুখোপাধ্যায়ের ‘আইয়া’ ও দী’পিকা পাডুকনের ‘লাফাঙ্গে পরিন্দে’ সিনেমাতেও অভিনয় করেন কিশোরী।কিশোরী বল্লা’লের মৃ’ত্যু’তে শোক প্রকাশ করেন পরিচালক আশুতোষ গোয়াড়িকর। এছাড়াও ভারতীয় তারকারা শো’ক জানাচ্ছেন তার মৃ’ত্যু’তে।

আজ থেকে দেশের ইতিহাসে রেকর্ড দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ

আজ বুধবার থেকে দেশের বাজারে রেকর্ড দামে সোনা বিক্রি হচ্ছে। বিশ্ববাজার ঊর্ধ্বমুখী থাকায় দেশের বাজারেও নতুন করে সোনার দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জুয়েলার্স ব্যবসায়ীরা।বুধবার থেকে সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ১৬৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ৬১ হাজার ৫২৮ টাকা দাঁড়িয়েছে। দেশের ইতিহাসে আগে কখনই সোনার দাম এই পর্যায়ে ওঠেনি। তার আগে সোনার সর্বোচ্চ দাম ছিল ৬০ হাজার ৬৫৩ টাকা ভরি। ২০১২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই দাম উঠেছিল।মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সোনার দাম বাড়ার বিষয়টি জানায় বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি (বাজুস)।সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালার সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি গ্রামের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ২৭৫ টাকা।

অর্থাৎ, প্রতি ভরির দাম পড়ছে ৬১ হাজার ৫২৮ টাকা।এছাড়া ২১ ক্যারট প্রতিগ্রাম সোনার দাম ৫ হাজার ৭৫ টাকা, অর্থাৎ ভরি ৫৯ হাজার ১৯৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫৪ হাজার ১৮০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ৪১ হাজার ৪০৮ টাকা।এই নিয়ে চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে দুই দফা বাড়লো সোনার দাম।এর আগে গত ৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়াল স্বাক্ষরিত এক বার্তায় বলা হয়, ‘বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে ওস্থানীয় বুলিয়ন মার্কেটে সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) কার্যনির্বাহী কমিটি ৫ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’সেই হিসেবে জানুয়ারি মাস থেকে ফেব্রুয়ারির ১৮ তারিখ পর্যন্ত ২২ ক্যারেট সোনা ৬০হাজার ৩৬১ টাকা, ২১ ক্যারেট ৫৮ হাজার ২৮ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫৩ হাজার ১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা ৪০ হাজার ২৪১ টাকা ভরিপ্রতি বিক্রি হয়েছে।

সিঙ্গাপুরে মৃ’ত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে করোনা আক্রান্ত প্রবাসী বাংলাদেশি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সিঙ্গাপুরে পাঁচ বাংলাদেশির মধ্যে একজনের অবস্থা আশ’ঙ্কাজনক।বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার(ওআইসি) সংস্কার নিয়ে এক অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা জানান তিনি।ড. মোমেন বলেন, সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, আক্রান্ত বাংলাদেশিদের সব সময় তারা খোঁজ রাখছেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন জানান, সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান বালাকৃষনান টেলিফোন করে জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সিঙ্গাপুরে পাঁচ বাংলাদেশির মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তারা এ বিষয়ে খোঁজ খবর রাখছেন। তবে আক্রান্ত এই বাংলাদেশি নাগরিকের ওষুধে কোনো কাজ করছে না।তিনি জানান, আশঙ্কাজনক অবস্থায় থাকা এ বাংলাদেশি নাগরিকের বয়স ৩৯ বছর। তবে তার নাম এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না।

চার-ছক্কার বন্যায় তামিমের ঝড়ো সেঞ্চুরি

গতকাল জিম্বাবুয়ের ৭ উইকেটে ২৯১ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিন নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমেছে বিসিবি একাদশ। কিন্তু শুরুটা ভালো করতে পারলেন না বিসিবি একাদশ। দ্বিতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে মধ্যাহ্ন বিরতির আগেই মাত্র ৮৫ রানেই ৫ উইকেট
হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। তবে মধ্যাহ্ন বিরতির পর আল-আমিন ও তাঞ্জিদ হাসানের তামিমের ব্যাটে এগিয়ে যাচ্ছে বিসিবি একাদশ।এদিকে আজ ৬৯ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর ক্রিজে
আসেন তামিম। আর সেই সাথে প্রস্তুতি ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্রুতগতিতে শতক পূর্ণ করেছেন তানজিদ হাসান তামিম।ছয় নম্বর ব্যাটসম্যান হিসেবে ক্রিজে এসে অনেকটা টি-টোয়েন্টি মেজাজে সেঞ্চুরি করেন তিনি। ৮৭ বলে ১০ চার ও ৫ ছক্কায় সেঞ্চুরি পূর্ন করলেন তানজিদ হাসান তামিম।

শুধু তাই নয়, চার মেরে ১০০ রানের গন্ডি পার করেন তিনি।শুরুর ধাক্কা সামাল দিতে স্বভাবসুলভ আক্রমণাত্বক ব্যাটিংকেই বেছে নেন তামিম। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে দেখেশুনে খেলতে থাকেন আল-আমিনও। তামিমের পর আল-আমিনও রয়েছেন সেঞ্চুরির পথে । এ প্রতিবেদন লেখার সময়, আল-আমিন ব্যাট করছেন ১১৮ বলে ৭৫ রান নিয়ে।২য় দিন ২য় সেশন শেষে,বিসিবি একাদশ ২২৭/৫ (৫২), নাইম ১১, ইমন ৩৪, জয় ১, শাহাদাত ২, আল আমিন ৭৫*, আকবর ১, তামিম ৮৯*; মুম্বা ৯-১-৩৭-১, শুমা ৬-৩-১৪-১, লোভু ১১-২-৫১-২, মুতোম্বোজি ১০-০-৪৫-১।

অ’ন্তঃসত্ত্বা বুবলীকে আমেরিকা পাঠিয়েছেন শাকিব! অবশেষে যা জানালো নায়িকার পরিবার

কোথায়, কেমন আছেন চিত্রনায়িকা বুবলী? এই প্রশ্নই সিনেমা পাড়ায়। গত কয়েক মাস ধরেই
শাকিব খান ও বুবলীর প্রেম নিয়ে আলোচনা যখন তুঙ্গে তখন অনেকে দাবি করছেন বুবলী ‘অন্তঃসত্ত্বা’।সম্প্রতি প্রকাশ হওয়া ‘বীর’ সিনেমার ট্রেলার, গানের ভিডিওতে বুবলী নাকি ইচ্ছে করেই পেট ঢেকে রেখেছেন এমন দাবিও করছেন অনেকে। সিনেমা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পেজে বিষয়টি চলছে বিতর্ক ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া।এদিকে চলচ্চিত্র পাড়ায় আলোচনা দেশ ছেড়েছেন বুবলী। সন্তান জন্মদানের জন্যই তিনি বিদেশ পাড়ি দিয়েছেন বলে গুঞ্জন। এজন্যই কোথাও দেখা মিলছে না বুবলীর। এমনকি ‘বীর’ সিনেমা মুক্তির আগে ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত প্রেস মিটেও দেখা যায়নি এই অভিনেত্রীকে।

এসব গুঞ্জনের সূত্র ধরে ১৮ ফেব্রুয়ারি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশন খবর প্রচার করেছে, শাকিব খানের সাবেক স্ত্রী অপু বিশ্বাসের পথে হাঁটছেন বুবলী। শুধু তাই নয়, ২৫ হাজার মার্কিন ডলার দিয়ে বুবলীকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠিয়েছেন শাকিব খান। তিনি গর্ভবতী। এই খবর প্রচারের পর থেকেই নতুন করে আলোচনায় বুবলী।তবে বুবলীর পারিবারিক সূত্রে জানা হওয়া গেছে, বর্তমানে ঢাকার উত্তরার নিজস্ব বাসভবনেই অবস্থান করছেন বুবলী। তার যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার খবর নিশ্চিত নয়। এদিকে গেল ১৬ ফেব্রুয়ারি একটি গণমাধ্যমে দীর্ঘ সাক্ষাৎকারও দিয়েছেন তিনি। সেখানে নিজেকে সিনেমা অন্তপ্রাণ অভিনেত্রী হিসেবে দাবি করেছেন।পাশাপাশি ১৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় একাধিকবার বুবলীর মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হলেও সেটি খোলা পাওয়া যায়। তবে কল রিসিভ হয়নি। এমনকি ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও সাড়া মেলেনি এই অভিনেত্রীর।তার পারিবারিক সূত্র বলছে, ব্যক্তিগত কারণে মিডিয়ার ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের সঙ্গে ছাড়া যোগাযোগ রাখছেন না এ নায়িকা। তবে বুবলীর গর্ভবতী হওয়ার প্রসঙ্গে কোনো খবর জানাতে পারেনি সূত্রটি।