চার-ছক্কার বন্যায় তামিমের ঝড়ো সেঞ্চুরি

গতকাল জিম্বাবুয়ের ৭ উইকেটে ২৯১ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিন নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমেছে বিসিবি একাদশ। কিন্তু শুরুটা ভালো করতে পারলেন না বিসিবি একাদশ। দ্বিতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে মধ্যাহ্ন বিরতির আগেই মাত্র ৮৫ রানেই ৫ উইকেট
হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। তবে মধ্যাহ্ন বিরতির পর আল-আমিন ও তাঞ্জিদ হাসানের তামিমের ব্যাটে এগিয়ে যাচ্ছে বিসিবি একাদশ।এদিকে আজ ৬৯ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর ক্রিজে
আসেন তামিম। আর সেই সাথে প্রস্তুতি ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্রুতগতিতে শতক পূর্ণ করেছেন তানজিদ হাসান তামিম।ছয় নম্বর ব্যাটসম্যান হিসেবে ক্রিজে এসে অনেকটা টি-টোয়েন্টি মেজাজে সেঞ্চুরি করেন তিনি। ৮৭ বলে ১০ চার ও ৫ ছক্কায় সেঞ্চুরি পূর্ন করলেন তানজিদ হাসান তামিম।

শুধু তাই নয়, চার মেরে ১০০ রানের গন্ডি পার করেন তিনি।শুরুর ধাক্কা সামাল দিতে স্বভাবসুলভ আক্রমণাত্বক ব্যাটিংকেই বেছে নেন তামিম। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে দেখেশুনে খেলতে থাকেন আল-আমিনও। তামিমের পর আল-আমিনও রয়েছেন সেঞ্চুরির পথে । এ প্রতিবেদন লেখার সময়, আল-আমিন ব্যাট করছেন ১১৮ বলে ৭৫ রান নিয়ে।২য় দিন ২য় সেশন শেষে,বিসিবি একাদশ ২২৭/৫ (৫২), নাইম ১১, ইমন ৩৪, জয় ১, শাহাদাত ২, আল আমিন ৭৫*, আকবর ১, তামিম ৮৯*; মুম্বা ৯-১-৩৭-১, শুমা ৬-৩-১৪-১, লোভু ১১-২-৫১-২, মুতোম্বোজি ১০-০-৪৫-১।

আকবর আলী জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বিসিবি একাদশের নেতৃত্ব দিবেন

বাংলাদেশের বিপক্ষে একটি টেস্ট, ৩টি ওয়ানডে এবং দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে শনিবার
(১৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় পা রেখেছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল। তাদের বিপক্ষে ১৮ তারিখ থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবেন অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জয়ী ছয় ক্রিকেটার।
যুব দলের অধিনায়ক আকবর আলী ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছেন মাহমুদুল হাসান জয়, শরিফুল ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, শাহাদাত হোসেন ও পারভেজ হোসেন ইমন।

রোববার ঘোষিত ১৩ সদস্যের দলে আছেন জাতীয় দলে খেলা দুজন-ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ
নাঈম শেখ ও লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। একই দিন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র
টেস্টের জন্য ঘোষিত দলের কেউ নেই বিসিবি একাদশে। আর এই ম্যাচের নেতৃত্ব দিবেন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আকবর আলি।প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার বিকেএসপিতে শুরু হবে প্রস্তুতি ম্যাচ। বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে টেস্ট শুরু হবে ২২ ফেব্রুয়ারি।

সৌম্য সরকারের হবু স্ত্রীর ছবি প্রকাশ

বাংলাদেশ জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার সৌম্য সরকার বিয়ে করতে যাচ্ছেন। পাকিস্তান

সফর থেকে দেশে ফিরে এখন বিয়ের তোড়জোড় শুরু করেছেন এই জাতীয় দলের তারকা। এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সৌম্যর বাবা।

এ ব্যাপারে তিনি জানান, পাত্রীর দাদার বাড়ি পিরোজপুর। মেয়ের বাবা-মা খুলনার তুতপাড়ায় থাকেন। তবে বর্তমানে সপরিবারে ঢাকার নিউমার্কেটের পাশে থাকেন তারা। পাত্রী এ লেভেলে পড়াশুনা করছে।

এদিকে আরেকটি সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি গায়েহলুদ আর ২৮ ফেব্রুয়ারি

বিয়ের অনুষ্ঠান হবে। কনে আগে থেকেই চেনাজানা। দুই পরিবারের সম্মতিতে সংসার জীবন শুরু করছেন তারা।

আবার আফ্রিদি পঞ্চম কন্যা সন্তানের পিতা হলেন

পাকিস্তান ক্রিকেটকে আজকের এই উচ্চ পর্যায়ে আনতে যে কয়জন ক্রিকেটার সামনে থেকে
নেতৃত্ব দিয়েছেন তাঁর মধ্যে আফ্রিদি অন্যতম। দলের হয়ে বহুবার হারা ম্যাচ জিতিয়েছেন এই
মারকুটে ব্যাটসম্যান। যদিও বর্তমানে তিনি জাতীয় দলের বাহিরে আছেন। তবে খেলে যাচ্ছেন

ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট।নতুন খবর হচ্ছে, পঞ্চম কন্যা সন্তানের পিতা হয়েছেন আফ্রিদি।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও টুইটারে আফ্রিদি ভক্তদের সুখবর দিয়ে লিখেছেন,সর্বশক্তিমানের অসীম আশীর্বাদ ও করুণা আমার উপর … ইতোমধ্যে চারটি কন্যা আমাকে দেওয়া হয়েছে, আমি এখন পঞ্চম কন্যা সন্তানের বাবা। আলহামদুলিল্লাহ। আমার শুভাকাঙ্ক্ষীদের সাথে এই

সুসংবাদটি ভাগ করে নিচ্ছি।’প্রসঙ্গত, আফ্রিদি বেশি পরিচিত তার আ’ক্র’ম’ণাত্মক ব্যাটিং ভ’ঙ্গির জন্য। তিনি ১৯৯৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের হয়ে ২৭টি টেস্ট ম্যাচ, ৩৪৯টি ওডিআই ম্যাচ ও ৫৬টি টি-২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন।

কপিল দেব :বাংলাদেশের পতাকা ছে’ড়ায় ভারতীয় যুবাদের ক’ঠিন শা’স্তি দেয়া হোক

খেলায় হার-জিত আছে। এক দল হারবে, আরেক দল জিতবে এটাই স্বাভাবিক। আর
ক্রিকেটকে বলা হয় ভদ্রলোকের খেলা। তবে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনাল হারের পর
ভদ্রলোকের খেলায় ভদ্রতাটা বজায় রাখতে পারলো না ভারত। প্রতিপক্ষের উদযাপন সহ্য
করতে না পেরে মেজাজ হারিয়ে ভারতীয় একজন খেলোয়াড় বাংলাদেশের এক খেলোয়াড়ের কাছ থেকে কেড়ে নেন লাল-সবুজের পতাকা।দক্ষিণ আফ্রিকায় সদ্য অনুষ্ঠিত যুব ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের শেষে বাংলাদেশের পতাকা ছেড়ায় ভারতীয় ক্রিকেটারদের

দৃ’ষ্টান্তমূলক শা’স্তি দা’বি করেছেন ভারতীয় বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক কপিল দেব। কপিল দেব বলেছেন, ‘ক্রিকেট এখন আর আর ভদ্রলোকের খেলা নেই। ম্যাচ হেরে যাওয়ার পর মাঠে হাতাহাতি করার ঘটনাও ঘটে এখন ক্রিকেটে।’ক্রিকেট নিয়ে আলোচিত এক অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার কপিল ক্ষোভ ঝাড়েন। তিনি বলেন,“ভারতীয় যেসব ক্রিকেটার মাঠে এ রকম অসদাচরণ করেছেন, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেখতে চাই আমি। আশা করি, বিসিসিআই কঠোর পদক্ষে’প নেবে।”তিনি আরও বলেছেন, ‘কে বলেছে ক্রিকেট ভদ্রলোকের খেলা?

ক্রিকেট আর ভদ্রলোকের খেলা নেই, আমরা যখন খেলতাম তখন ছিল।’যুব ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের শেষে বাংলাদেশ ও ভারত দলের খেলোয়াড়দের বিবাদে জড়ানোর ঘটনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘ওইদিন ভারতীয় ক্রিকেটাররা যা করেছে তা অগ্রহণযোগ্য ও অমার্জনীয়। আগ্রাসী মনোভাবকে আমি স্বাগত জানাই। কিন্তু হতে হবে খেলায়। খেলার বাইরে নয়। ওদের জোধাতে হবে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের হেয় করার খেলাকে ক্রিকেট বলে না। তাই এই বয়স থেকেই বিধ্বংসী মানসিকতা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।’

হবু বউয়ের সঙ্গে সৌম্যের রোমাঞ্চ ফাঁ’স

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাছ থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটি নিয়েছেন সৌম্য
সরকার। হঠাৎ ছুটি নেয়ার কারণ, ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে জীবনের নতুন ইনিংস শুরু
করতে যাচ্ছেন বাঁহাতি এই ব্যাটিং অলরাউন্ডার। জানা গেছে, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন সৌম্য।এগুলো সবই পুরনো সংবাদ। নতুন খবর হলো- এবার প্রকাশ হলো হবু বর-কনের রোমাঞ্চের একটি ছবি। বৃহস্পতিবার হবু তাদের যুগল ছবি নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে শেয়ার করলেন সৌম্য সরকার। যদিও এ ছবিতে পরিষ্কার করে দেখা গেল না পাত্রীর অবয়ব। হবু স্ত্রীর সঙ্গে মুখোমুখি দাঁড়ানো ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে সৌম্য

লিখেছেন ‘কামিং সুন’ অর্থাৎ (শিগগিরই আসছে)।সৌম্য সরকারের এ ছবিটি শেয়ার করে অনেকেই তাদের প্রিয় তারকাকে বিয়ের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।এদিকে, গতকালই ছেলের হবু বৌ-এর নাম জানিয়ে দিয়েছেন সৌম্যের বাবা কিশোরী মোহন সরকার। তিনি জানান, বৌমার নাম প্রিয়ন্তি দেবনাথ পূজা। বর্তমানে রাজধানীর গ্রিন রোডে থাকেন পূজার পরিবার। তার বাবা ব্যবসায়ী। পূজা বর্তমানে রাজধানীর একটি কলেজে ও-লেভেল হায়ার সেকেন্ডারিতে (এইচএসসি) পড়ছে।আরও জানা গেছে, পাত্রীর দাদার বাড়ি পিরোজপুর। তবে বাবা-মা

খুলনার টুটপাড়ায় থাকেন।যে কারণে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতাও হবে খুলনার টুটপাড়ায়। আর বউভাতের অনুষ্ঠান হবে সৌম্যের নিজ এলাকা সাতক্ষীরার মন্টু মিয়ার বাগানবাড়িতে।
এর আগে বুধবার সৌম্য সরকার নিজেই গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ২৬ ফেব্রুয়ারি তার গায়েহলুদ। আর ২৮ ফেব্রুয়ারি বিয়ের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।আর এ কারণে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে সৌম্যকে বাদ দিয়ে কাল ১৫ ফেব্রুয়ারি টেস্ট দল ঘোষণা করবে বিসিবি। সৌম্যের পরিবর্তে কাউকে নেয়া হবে কিনা তা নিশ্চিতকরেনি বিসিবি। ঘরের মাঠে

সিরিজ হওয়ায় যে কোনও সময় স্কোয়াডে নতুন খেলোয়াড় নেয়ার সুযোগ থাকায় ১৩ জনের টেস্ট দল দেয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি মাঠে গড়াবে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে সিরিজের একমাত্র টেস্ট ম্যাচটি। সূত্র : একুশে টিভি অনলাইন।

অসহায় পরিবারের জন্য ব্যয় করেছে শরিফুল ক্রিকেট খেলে যা আয় তার সবই

অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপজয়ী বাংলাদেশ দলের অন্যতম তারকা বাহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম
আজ বিকালে বীরের বেশে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে ফিরেছেন।শরিফুলের গ্রামের বাড়ি
দেবীগঞ্জের দন্ডপাল ইউনিয়নের মৌমারী গ্রামে। সেখানে পৌঁছালে স্থানীয়রা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।এর আগে বিমানে করে ঢাকা থেকে সৈয়দপুরে আসেন ঊনিশের এই ক্রিকেট তারকা। সেখান থেকে বাবা-মা ও ভাই-বোনসহ স্বজনরা তাকে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসেন।
বিকাল তিনটায় স্থানীয় মৌমারী বাজারে পৌঁছলে স্থানীয় লোকজন ব্যান্ডপার্টি নিয়ে ফুলের মালা

পরিয়ে শরিফুলকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। বাড়ির সামনে প্রতিবেশি, আত্বীয়-স্বজন, শিক্ষক-সহপাঠিসহ স্থানীয়রা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।বাড়ি পৌঁছে পেসার শরিফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, বাবা-মা, আত্বীয়-স্বজন ও এলকাবাসীর দোয়া এবং ভালোবাসায় আমি এতদূর পর্যন্ত এসেছি। সবার ভালোবাসা পেয়ে নিজেকে গর্বিত মনে হচ্ছে। ভবিষ্যতে জাতীয় দলের হয়ে খেলতে চাই। ভবিষ্যতে যাতে বিশ্বকাপ জিততে পারি এই দোয়া চাই।শরিফুলের বাবা একজন কৃষক। সংসারের খরচ জোগাতে এক সময় ঢাকার সাভারে রিকশাচালাতেন। চার ছেলে-মেয়ের মধ্যে শরিফুল ইসলাম ২য়। বড় ছেলে আশরাফুল ইসলাম বাবার কৃষি কাজের সঙ্গে বাড়ির গরুর খামার দেখাশোনা করেন। বড় বোন দুলালী আক্তার দেবীগঞ্জ মহিলা

কলেজে ১ম বর্ষ এবং ছোট বোন শম্পা আক্তার কালিগঞ্জ এমপি উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম
শ্রেণিতে লেখাপড়া করছে। শরিফুল স্থানীয় কালিগঞ্জ সুকাতু প্রধান উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন। পরে কালিগঞ্জ মহাবিদ্যালয়ে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হন।শরিফুলের বাবা দুলাল মিয়া জানান, আর্থিক সঙ্কটের কারণে এক সময় আমরা ঢাকার সাভারের জিরানী এলাকায় যাই। শরিফুল জিরানীবাজার গোহালবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পাস করে। ২০১০ সালের দিকে আবারও গ্রামে ফিরে আসি। লেখাপড়ার পাশাপাশি ছোটবেলা থেকেই শরিফুল ক্রিকেট খেলতো। স্কুল ফাঁকি দিয়ে মাঠেঘাটে ক্রিকেট খেলতো।

আজ সে দেশের হয়ে ক্রিকেট খেলে সুনাম করেছে। এজন্য আমরা সবাই খুশি।শরিফুলের মা বুলবুলি বেগম বলেন, আমাদের সাড়ে ১৯ শতক জমি ছাড়া আর কিছু নেই। ছেলে আমার ক্রিকেট খেলে যা আয় করতো তার সবই অসহায় পরিবারের জন্য ব্যয় করেছে।বিপিএলের সাড়ে ৫ লাখ আর শাইন পুকুরের সাড়ে ৭ লাখ টাকা দিয়ে বাড়ি ও একটি খামার তৈরি করে দেয় সে। বর্তমানে এই খামার দিয়ে আমাদের সংসার চলছে।দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রত্যয় হাসান বলেন, শরিফুলের বোলিং স্টাইল, নিখুঁত লাইন এবং লেন্থ দেখে আমরা অভিভূত। শরিফুল আমাদের দেবীগঞ্জের গর্ব, পঞ্চড়ের গব।অনুর্ধ্ব ১৯ যুব বিশ্বকাপ নয়, সুযোগ পেলে তিনি জাতীয় টিমের পেস বোলার হিসেবেও ভালো করবেন আশা করি।

অবশেষে সৌম্যর হবু স্ত্রীর পরিচয় জানালেন ক্রিকেটারের বাবা মোহন সরকার

এ মাসেই বিয়ে করছেন জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার সৌম্য সরকার। এ তথ্য নি’শ্চিত করেছেন সৌম্য সরকারের বাবা ও সাতক্ষীরার সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার কিশোরী মোহন সরকার। তিনি জানান, পাত্রীর দাদার বাড়ি পিরোজপুর।

সৌম্যর বাবা জানান, মেয়ের বাবা-মা খুলনার তুতপাড়ায় থাকেন। তবে বর্তমানে সপরিবারে ঢাকার নিউমার্কেটের পাশে থাকেন তারা। পাত্রী এ লেভেলে পড়াশুনা করছে। বিয়ের আনু’ষ্ঠা’নিকতা হবে খুলনার তুতপাড়ায়। আর বউভাতের অনুষ্ঠান হবে সৌম্যর এলাকা সাতক্ষীরার মন্টু মিয়ার বাগানবাড়িতে।বিয়ের তারিখ জানতে চাইলে কিশোরী মোহন সরকার বলেন, ‘দু-একদিনের মধ্যেই নিমন্ত্রণ কার্ড পেয়ে যাবেন।’

তবে অন্য আরেকটি সূত্রে জানা গেছে, ২৬ ফেব্রুয়ারি গায়ে হলুদ আর ২৮ ফেব্রুয়ারি বিয়ের অনুষ্ঠান হবে। কনে আগে থেকেই চেনাজানা। দুই পরিবারের সম্মতিতে সংসার জীবন শুরু করছেন তারা। বিয়ে উপলক্ষে বিসিবি থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটি নিয়েছেন সৌম্য।

ধার করা ব্যাটে খেলেই বিশ্বজয় দীপুর !!

অনূর্ধ্ব- ১৯ বিশ্বকাপে শিরোপা জয়ের স্বপ্ন নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা গিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই
দলের হয়ে চট্টগ্রামের প্রতিনিধিত্ব করছিলেন শাহাদাত হোসেন দীপু। তখনও হয়ত ধারনাই ছিল
না বিশ্বকাপ জয় করতে পারবে তারা। তবে সেই অসাধ্য সাধন করেছে বাংলার টাইগাররা। সেই সাথে স্বপ্ন পূরণ হয়েছে দীপুর।বিশ্বকাপজয়ী এই তরুণ চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের চরকানায় গ্রামে তার বাড়ী। তবে বর্তমানে নগরীর পাচলাইশ থানাধীন

ষোলকবহর এলাকায় পরিবারসহ তাদের বসবাস। তিন বোন, দুই ভাইয়ের মধ্যে পরিবারের সবার ছোট শাহাদাত হোসেন দীপু। দীপুর বাবার চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চাকরির সুবাদে পুরো পরিবার চট্টগ্রাম চলে আসে।তবে ক্রিকেটের শুরুটা তার এত সহজ ছিল না। আর্থিক অস’চ্ছলতার কারণে প্রথমদিকে পরিবারের পুরোপুরি সমর্থন ছিল না ক্রিকেট খেলায়। পরে ২০১০ সালে মারা যায় টিপুর বাবা।এই সময় পরিবারের পুরো দায়িত্ব এসে পড়ে দীপুর বড় ভাইয়ের উপর। সেই সময় থেকেই ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ পেতে থাকে দীপুর। পরিবারের নানা অস্বচ্ছলতার মধ্যে ক্রিকেট ছাড়েননি দীপু। তার বড় ভাই আবুল

হোসেন জানান, এক সময় তার নিজের ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ থাকলে পরিবারের কারণে আর খেলা হয়নি। কিন্তু নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে তিনি সব সময় দীপুকে খেলার প্রতি সমর্থন দিয়ে গেছেন। নিজের ব্যাট না থাকায় শুরুতে গাছ দিয়ে ব্যাট বানিয়ে, ধার করা ব্যাট দিয়ে দীপু খেলত বলে জানান তার বড় ভাই।তবে দীপুর এই ভাল খেলার পিছনে সবচেয়ে বড় সমর্থন ছিল তার দুই দুলা ভাইয়ের। কান্না জড়িত কণ্ঠে তারা জানান, জীবনে নানা ঘাত-প্রতিঘাত পার করতে হয়েছে দীপুর। ছোট বেলা থেকে বিভিন্ন টুর্নামেন্টে পাওয়া মেডেল, ট্রফি রাখার জন্যও ঘরে কিছু ছিল না বলে জানান তারা। খেলার জন্য ছিল না ভাল কোনো ব্যাট। ধার করা ব্যাট দিয়ে খেলতে হত দীপুকে। তবে শুধুমাত্র নিজের একাগ্রতা, খেলার প্রতি তীব্র

আকা’ঙ্ক্ষা’ই দীপুকে এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছে বলে জানান তার দুই দুলাভাই।বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দীপু যখন বাসায় এসে পৌঁছান ততক্ষণে ভক্ত সমর্থকদের ভিড় জমে গেছে, দীপুকে এক নজর দেখার জন্য। এ সময় ফুল দিয়ে, মিষ্টি খাইয়ে তাকে বুকে জড়িয়ে নেন মা ফেরদৌস বেগম।এ সময় শাহাদাত হোসেন দীপু জানান, এই বিশ্বকাপ জয় দলীয় সাফল্য। এই জন্য দুই বছর তাদেও কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে। ভবিষ্যতে জাতীয় দলের জার্সিতে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার আগ্রহ প্রকাশ

করেন শাহাদাত হোসেন। তামিক, সাকিব কিংবা মুশফিকের মত গড়ে তুলতে চান নিজেকে।
সাউথ আফ্রিকা থেকে আসার পথে বিমান বিরতি ছিল ডুবাই এয়ারপোর্টে। এ সময় সেখান থেকে মায়ের জন্য উপহার হিসেবে একটি স্বর্ণের আংটি কিনে আনেন দীপু। আর ঘরে প্রবেশ
করেই নিজের মায়ের হাতে সবার সামনে আংটি পরিয়ে দেন চট্টগ্রামের লোকাল বয়। আর
উপহারটি পেয়ে অশ্রুসিক্ত নয়নে তার মা বলেন, আমার জীবনের সেরা উপহার এটি’। ভকিষ্যতে ছেলেকে সাকিব, তামিমদের কাতারে দেখতে চান বলে জানান মা ফেরদৌস বেগম।

সৌম্য সরকারের বিয়ের দিন-তারিখ ঠিক যাকে বিয়ে করছেন হবু বউয়ের পরিচয় জানা গেলো

এ মাসেই বিয়ে করছেন জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার সৌম্য সরকার। সময় সংবাদকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সৌম্য সরকারের বাবা ও সাতক্ষীরার সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার কিশোরী মোহন সরকার।তিনি জানান, পাত্রীর দাদার বাড়ি পিরোজপুর। মেয়ের বাবা-মা খুলনার তুতপাড়ায় থাকেন। তবে বর্তমানে সপরিবারে ঢাকার নিউমার্কেটের পাশে থাকেন তারা। পাত্রী এ লেভেলে পড়াশুনা করছে।সৌম্যর বাবা জানান, বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হবে খুলনার তুতপাড়ায়। আর বউভাতের অনুষ্ঠান হবে সৌম্যর এলাকা সাতক্ষীরার মন্টু মিয়ার

বাগানবাড়িতে।বিয়ের তারিখ জানতে চাইলে কিশোরী মোহন সরকার বলেন, দু-একদিনের মধ্যেই দাওয়াতের কার্ড পেয়ে যাবেন।তবে অন্য আরেকটি সূত্রে জানা গেছে, ২৬ ফেব্রুয়ারি গায়েহলুদ আর ২৮ ফেব্রুয়ারি বিয়ের অনুষ্ঠান হবে। কনে আগে থেকেই চেনাজানা। দুই পরিবারের সম্মতিতে সংসার জীবন শুরু করছেন তারা। বিয়ে উপলক্ষে বিসিবি থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটি নিয়েছেন সৌম্য।বিয়ের এ আনুষ্ঠানিকতায় সৌম্য খেলতে পারবেন না জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোম সিরিজের টেস্ট ম্যাচ। এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, টেস্ট ম্যাচ খেলতে পারব না। তবে ওয়ানডে এবং টি২০ সিরিজের জন্য প্রস্তুত থাকব। সুযোগ পেলে

অবশ্যই খেলব।এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৪ সদস্যের টেস্ট স্কোয়াডে ছিলেন সৌম্য। ম্যাচ শেষ করে মঙ্গলবার দেশে ফেরেন সাতক্ষীরার এ ক্রিকেটার। গতকাল থেকেই লেগে পড়েছেন বিয়ের কেনাকাটায়। বিয়ে পর্যন্ত সামনের দিনগুলো ব্যস্ততায় কাটবে তার।
২২ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে জিম্বাবুয়ের সঙ্গে একমাত্র টেস্ট ম্যাচটি। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১, ৩ ও ৬ মার্চ। দুই ম্যাচ টি২০ সিরিজ হবে ঢাকায় শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ৯ ও ১১ মার্চ।