আজ থেকে দেশের ইতিহাসে রেকর্ড দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ

আজ বুধবার থেকে দেশের বাজারে রেকর্ড দামে সোনা বিক্রি হচ্ছে। বিশ্ববাজার ঊর্ধ্বমুখী থাকায় দেশের বাজারেও নতুন করে সোনার দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জুয়েলার্স ব্যবসায়ীরা।বুধবার থেকে সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ১৬৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ৬১ হাজার ৫২৮ টাকা দাঁড়িয়েছে। দেশের ইতিহাসে আগে কখনই সোনার দাম এই পর্যায়ে ওঠেনি। তার আগে সোনার সর্বোচ্চ দাম ছিল ৬০ হাজার ৬৫৩ টাকা ভরি। ২০১২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই দাম উঠেছিল।মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সোনার দাম বাড়ার বিষয়টি জানায় বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি (বাজুস)।সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালার সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি গ্রামের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ২৭৫ টাকা।

অর্থাৎ, প্রতি ভরির দাম পড়ছে ৬১ হাজার ৫২৮ টাকা।এছাড়া ২১ ক্যারট প্রতিগ্রাম সোনার দাম ৫ হাজার ৭৫ টাকা, অর্থাৎ ভরি ৫৯ হাজার ১৯৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫৪ হাজার ১৮০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ৪১ হাজার ৪০৮ টাকা।এই নিয়ে চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে দুই দফা বাড়লো সোনার দাম।এর আগে গত ৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়াল স্বাক্ষরিত এক বার্তায় বলা হয়, ‘বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে ওস্থানীয় বুলিয়ন মার্কেটে সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) কার্যনির্বাহী কমিটি ৫ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’সেই হিসেবে জানুয়ারি মাস থেকে ফেব্রুয়ারির ১৮ তারিখ পর্যন্ত ২২ ক্যারেট সোনা ৬০হাজার ৩৬১ টাকা, ২১ ক্যারেট ৫৮ হাজার ২৮ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫৩ হাজার ১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা ৪০ হাজার ২৪১ টাকা ভরিপ্রতি বিক্রি হয়েছে।

দেশে কী দু’র্ভিক্ষ চলছে, যে আমাদের কচুরিপানা খেতে হবে: রওশন এরশাদ

বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন কোথায়? এমন প্রশ্ন তুলে বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন
এরশাদ বলেছেন- দেশে প্রতিনিয়ত নারীরা নির্যাতিত হচ্ছে, শিশু ধর্ষণ হচ্ছে, তাহলে কোথায় নারীর ক্ষমতায়ন। দেশের প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, সংসদ নেতা ভাগ্যক্রমে হয়েছে বলে নারীর প্রকৃত ক্ষমতায়নে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান তিনি। আজ ১৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও সংসদের সমাপনী ভাষণের ওপর বক্তব্যে তিনি স্পিকার ও প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে এ কথা বলেন। এ সময় সংসদে থাকা প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও বিরোধীদলীয় নেতাকে ইঙ্গিত করে নারী ক্ষমতায়ন দেখালে সংসদে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়। সেই সময় রওশন এরশাদ এটিকে ভাগ্যক্রম বললে সবাই চুপসে যান।
এ সময় রওশন এরশাদ বলেন, ‘এটা তো ভাগ্যক্রমে হয়ে গেছে। যদিও প্রধানমন্ত্রী আপনি

নির্ধারিত, সকলে প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন না, কিন্তু আমি তো ভাগ্যক্রমে হয়েছি। আমার বদলে অন্য কেউও হতে পারতো। এটা দেখিয়ে তো নারীর ক্ষমতায়ন বলা যাবে না। কেননা , আমরা সংসদে মাত্র কয়েকজন নারী, প্রায় সকলেই তো পুরুষ। তাছাড়া প্রতিনিয়ত গ্রামে- গঞ্জে সর্বত্র নারীরা নির্যাতিত, ধর্ষিত, অ;ত্যাচারিত হচ্ছে, তাহলে এটাকে কী বলা চলে নারীর ক্ষমতায়ন?’এ সময় রওশন বলেন, ‘দেশে কী দুর্ভিক্ষ চলছে? যে আমাদের কচুরিপানা খেতে হবে? আমাদের পরিকল্পনা মন্ত্রী মান্নান সাহেব মানুষকে কচুরিপানা খেতে উপদেশ দিয়েছেন। গরু তো ঘাস খায়, ঘাসেও ভিটামিন রয়েছে, তাহলে আমরা কেন ঘাস খাচ্ছি না।’

তিনি আরও বলেন, দেশে ব্যাংক লুটপাট হচ্ছে, হাজার কোটি টাকা পাচার হচ্ছে। অর্থমন্ত্রী তো এটা প্রতিরোধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। ব্যাংকে কোনো টাকা নেই, ব্যাংকে লিকুইড মানি নেই।’ দেশে ব্ল্যাক মানি সাদা করার উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

চল’ন্ত সিএনজি থেকে ছুঁ’ড়ে ফেলা হল ৮ মাসের শিশুকে বাঁ’চাল পুলিশ

আজ দুপুরে চলন্ত সিএনজি ট্যাক্সি থেকে ছুঁড়ে ফেলা হয়েছে ৮ মাসের এক শিশুকে। হ;;ত্যার জন্যই শিশুটিকে ছুঁ;;ড়ে ফেলা হয়েছে বলে ধারণা পুলিশের। দুপুরের এ ঘটনার পর পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে মেডিকেলে ভর্তি করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামের খুলশী এলাকায়।এ ব্যাপারে পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশে খুলশী থানার পলিট্যাকনিক্যাল এলাকায় মডেল স্কুলে এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরে আইনশ ‘ঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পালন করছিলেন এএসআই হিরণ মিয়া। হিরণ হঠাৎ দেখতে পান দ্রুতগামী একটি সিএনজিচালিত ট্যাক্সির ভেতর থেকে ছোট বস্তু সদৃশ কিছু একটা ফেলে দিয়ে সিএনজি

ট্যাক্সিটি চলে যাচ্ছে। সাথে সাথে হিরণ ঘটনাস্থলে এগিয়ে যায় এবং সেখান থেকে অনুমান ৭-৮ মাসের একটি বাচ্চা মুমূ’র্ষু অ’বস্থায় উ’দ্ধার করেন।এদিকে বাচ্চাটিকে সুচিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে যায় এবংউত্তর বিভাগের পক্ষ থেকে বাচ্চাটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হলে ধীরে ধীরে সে সুস্থ হয়ে ওঠে। বর্তমানে সে হাসপাতালে ৮নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।এই ঘটনার বর্ণনা দিয়ে খুলশী থানার অফিসার ইনচার্জ প্রণব চৌধুরী জানান, অটোরিকশার ভেতরে কারা ছিল, সেটা এএসআই হিরণ সঠিকভাবে দেখতে পাননি। শিশুটি মা;;রা যাবে ভেবে কবরস্থানের পাশে ফেলে যাওয়া হয়েছে, যাতে মৃ;;ত্যুর পর বেওয়ারিশ হিসেবে ধরে দা;ফ’ন করে ফেলতে পারে। একটি শিশুর সঙ্গে এমন নির্ম’ম

আচরণকল্পনাও করা যায় না বলে তিনি মন্তব্য করেন।এ সময় চিকিৎসকের উদ্বৃতি দিয়ে তিনি আরো জানান, শিশুটি পানিশূন্যতা ও অপুষ্টিতে ভু’গছে। তাকে স্যালাইন দেওয়া হয়েছে। তবে বাঁচানো যাবে বলে ডাক্তাররা আশ্বাস দিয়েছেন।শিশুটি সুস্থ হওয়া পর্যন্ত পুলিশ তত্ত্বাবধানে রাখবে। এর মধ্যে পরিচয় শ’না’ক্তের চেষ্টা হবে। পরিচয় না পেলে আদালতের শ’রণাপন্ন হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এদিকে ঘ’টনাস্থলে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় সংরক্ষিত ফুটেজ থেকে অটোরিকশাটির গন্তব্য অনুসন্ধানের চেষ্টা চলছে বলেও জানিয়েছেন খুলশী থানার অফিসার ইনচার্জ প্রণব চৌধুরী।

আবহাওয়া অফিস ভ’য়াবহ ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল

চলে এসেছে বসন্ত। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ফাল্গুনের দ্বিতীয় দিন। গাছে গাছে এখন আমের মুকুল। চারদিকে বইছে ফুলের সুভাস।তবে খুব শিগগিরই বাগড়া দেবে বৃষ্টি। সঙ্গে বাড়বে দিনের তাপমাত্রা। এমনটাই আভাষ আবহাওয়া দপ্তরের।আবহাওয়া অফিস জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি যে পূর্বাভাস দিয়েছে, তাতে বলা হয়েছে

মার্চ মাসেই তাপমাত্রা উঠবে ৩৮ ডিগ্রিতে। সঙ্গে মার্চেই হবে প্রবল কালবৈশাখী ও ব’জ্রঝড়।
ফেব্রুয়ারি মাসের শে’ষাংশের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বাড়তে পারে। এ ছাড়া দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ১ থেকে ২ দিন বজ্রঝড় হতে পারে।মার্চ মাসের পূর্বাভাসে বলা হয়, এ মাসে সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হতে পারে।

দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ১ থেকে ২ দিন মাঝারি,তীব্র কালবৈশাখী,ব’জ্রঝড় এবং দেশের অন্যত্র ২ থেকে ৩ দিন হালকা থেকে মাঝারি কালবৈশাখী ব’জ্রঝড় হতে পারে।এ ছাড়া মার্চ মাসের দিনের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বেড়ে প্রায় ৩৪ থেকে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস (স্বাভাবিক) হতে পারে। তবে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা ৩৭ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হতে পারে।

৭০ বছর বয়সেও বয়ে চলেছেন প্রতিবন্ধী ছেলে ও দুই নাতি-নাতনির বোঝা

পল্লীকবি জসিম উদ্দিনের কবিতার সেই আসমানিই যেন কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজলার পশ্চিম পোমকাড়া গ্রামে বিশম্ভর মজুমদারের স্ত্রী গীতা মজুমদার।স্বামীর মৃত্যুর পর নিজেই টেনে চলেছেন সংসারের ঘানি। ৭০ বছর বয়সেও বয়ে চলেছেন প্রতিবন্ধী ছেলে ও দুই নাতি-নাতনির বোঝা। তাদের নিয়েই ভাঙা টিন আর পলিথিনে ছাওয়া ঘরে বসবাস গীতা মজুমদারের। মানুষের কাছে হাত পেতে যা পান, তা দিয়েই চলে সবার ভরণ-পোষণ।সরেজমিনে দেখা গেছে, পলিথিনের ছোট্ট ঘরে মাটিতে বসিয়ে দুই নাতিকে খেতে দিয়েছেন গীতা মজুমদার।

খাবার বলতে দু’মুঠো ভাত আর কিছু কুড়িয়ে আনা পাতা। এসব খেতে চায় না নাতিরা।
রাগে-দুঃখে গীতা মজুমদার বলেন, বুড়া বয়সে আমার অইছে যত জ্বালা। পোলা পাগল মানু। কোন ফাইলে গেছে ঠিক নাই। ছোডু পোলাপাইনডি হালাইয়া তাগো মা চইলা গেছে।একটা ঘর নাই। খানা নাই। বুড়া বয়সে কোনহানে যামু। কোন ভাতা-টাতা পাই না। একখান ঘর পাই না। একজন ভাতা দিবো বইলা এক হাজার টেহা নিছে। আর খবর নাই।গীতার প্রতিবেশী মোহাম্মদ শরীফ বলেন, আর কত খারাপ অবস্থায় পড়লে গীতা মজুমদার ভাতা পাবেন? তাদের একটি

ঘরেরও খুব প্রয়োজন।দেবিদ্বারের সুবিল ইউপি চেয়ারম্যান মো. আবু তাহের বলেন, নতুন ভাতার কার্ড পেলে তাদের সহযোগিতা করা হবে।উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আবু তাহের বলেন, আমাদের সঙ্গে যোগযোগ করলে তাদের ভাতার ব্যবস্থা করে দেবো।উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা গোলাম মোহাম্মদ বলেন, হতদরিদ্রদের ঘর দেবিদ্বারে আসেনি। নতুন প্রকল্প এলে গীতা মজুমদারের জন্য বরাদ্দ দেয়া হবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর ভ’য়ানক বার্তা দিল

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এখনও শৈ’ত্যপ্রবাহ শেষ হয়নি, তার উপর মার্চ মাসের জন্য ভ’য়ংকরবার্তা দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়া অফিস বলছে, এ মাসের শেষদিকে তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বাড়বে। মার্চে তাপমাত্রা ৩৭ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে। অন্যদিকে মার্চ মাসে তীব্র কালবৈশাখী ও বজ্রঝড়ের সম্ভাবনাও রয়েছে। জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ- এ তিন মাসের আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।ফেব্রুয়ারি মাসের

শেষার্ধের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বাড়তে পারে।
এছাড়া দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ১ থেকে ২ দিন বজ্রঝড় হতে পারে। মার্চ মাসের পূর্বাভাসে বলা হয়, এ মাসে সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হতে পারে। দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ১ থেকে ২ দিন মাঝারি, তীব্র কালবৈশাখী বা বজ্রঝড় এবং দেশের অন্যত্র ২ থেকে ৩ দিন হালকা, মাঝারি কালবৈশাখী বা বজ্রঝড় হতে পারে। এছাড়া মার্চ মাসের দিনের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বেড়ে প্রায় ৩৪ থেকে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস (স্বাভাবিক) হতে

পারে। তবে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা ৩৭ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হতে পারে। এ দিকে শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, সারাদেশের আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া সাধারণত শুষ্ক থাকবে। তবে সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে।

ভালোবাসা দিবসে নৌকা ডুবে প্রাণ গেল ৫ গার্মেন্টস কর্মীর

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই লেকে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পাঁচটি
মর,দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিখোঁ,জ রয়েছেন আরও তিন শিশু। আজ শুক্রবার
(১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাঙ্গামাটি শহরের কাপ্তাই লেকে বেড়াতে আসেন চট্টগ্রামের বন্দর
টিলা থেকে একদল পর্যটক বেড়াতে এসে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পাঁচজনের মর,দেহ

উ’দ্ধারের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটির আবাসিক চিকিৎসক ডা. শওকত আকবর।নি’হতরা চট্টগ্রাম প্যাসিফিক জিন্স গার্মেন্টস’র কর্মী বলে জানা গেছে। তবে তাদের নাম-ঠিকানা শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানায়, রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু থেকে সুভলং যাওয়ার পথে ডিসি বাংলো এলাকায় পর্যটকবাহী বোটটি ডুবে যায়। অন্যদিকে
কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী নদীর কলার ডিপু এলাকায় ৫৩ জনের ইসকনবাহী একটি নৌকা ডুবে

যায়। এই ঘটনায় তিন শিশু নিখোঁজ রয়েছে। তারা হলো- বিনয় (০৫), টুম্পা মজুমদার (৩০) ও দেবলীলা (১০)। নিখোঁজদের উদ্ধারে প্রশাসন কাজ করছে। রাঙ্গামাটি সদর
হাসপাতালের আরএমও শওকত আকবর বলেন, নৌকাডুবির ঘটনায় পাঁচটি মর,দেহ
হাসপাতালে আনা হয়েছে। ওই দুর্ঘ,টনায় হাসপাতালে একজনের চিকিৎসা চলছে।

ইলিয়াস কাঞ্চনের বিরুদ্ধে সারা দেশে মামলা করা হবে: পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন

বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের চেয়ারম্যান ইলিয়াস
কাঞ্চনের বিরুদ্ধে সারা দেশে মামলার হুমকি দিয়েছে। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ওসমান
আলী বলেছেন, শাজাহান খানের বি;;রুদ্ধে মানহানির মা;মলা প্র;;ত্যাহার না হলে তারা এই পাল্টা ব্যবস্থা নেবেন।সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি শাজাহান খান বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যকরী সভাপতি। ওসমান আলী গণমাধ্যমকে বলেন, শাজাহান খানের বি;;রুদ্ধে মি;;থ্যা মাম;;লা করেছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। এর প্রতিবাদে ১৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় সারা দেশে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করবে ফেডারেশন। এরপর

পরবর্তী কর্মসূচি দেওয়া হবে।তিনি বলেন, ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মামলা প্রত্যাহার না হলে সারা দেশে ইলিয়াস কাঞ্চনের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। ফেডারেশনের সেগুনবাগিচা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান ওসমান আলী। বুধবার মানহানির অভিযোগ এনে শাজাহান খানের বি;;রুদ্ধে মা;;মলা করেন ইলিয়াস কাঞ্চন।মামলায় ১০০ কোটি টাকা ক্ষ’তিপূরণ চাওয়া হয়েছে। অভিযোগ আমলে নিয়ে ঢাকার যুগ্ম-জেলা জজ আদালত-১ শাজাহান খানের বিরুদ্ধে আজ সমন জারি করেছেন।মামলার অভিযোগে ইলিয়াস

কাঞ্চন বলেছেন গত বছরের ৮ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শাজাহান খান বলেছেন, ইলিয়াস কাঞ্চন অ;;বৈধভাবে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। ইলিয়াস কাঞ্চন কোথা থেকে কত টাকা পান, কী উদ্দেশ্যে পান, সেখান থেকে কত টাকা নিজে নেন, পুত্রের নামে নেন,পুত্রবধূর নামে নেন, সেই হিসাব আমি জনসম্মুখে তুলে ধরব।এর প্রেক্ষিতে বুধবার মামলা করেন ইলিয়াস কাঞ্চন।

হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রীদের জন্য টেলিফোন ফ্রি সুবিধা চালু

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের জন্য ফ্রি টেলিফোন সুবিধা চালু
করা হয়েছে। সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ ও বিটিসিএলের যৌথ উদ্যোগে ফ্রি ফোন বসানো হয়েছে। বিমানবন্দরের একজন কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রবাসীরা দেশে ফিরে এখান থেকে কল করে কথা বলতে

পারছেন।ইমিগ্রেশন পার হওয়ার পরই রয়েছে এই টেলিফোন বুথটি। বিমানবন্দরের ভেতরে বিভিন্ন মোবাইল অপারেটর কোম্পানির বিক্রয় কেন্দ্র থেকে পাসপোর্ট ইস্যু করে সিম কিনে এখান থেকে কথা বলতে পারবেন যে কেউ।এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আউয়াল শেখ রিটু নামে এক ব্যক্তি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে চালু হলো যাত্রীদের জন্য ফ্রি টেলিফোন সুবিধা

প্রবাসীদের জন্য। বিমানবন্দরে নামার পর প্রিয়জনের সাথে ফোনে যোগাযোগ করে অবস্থান নিশ্চিত করা খুবই প্রয়োজন হয়। ইমিগ্রেশন পার হওয়ার পর ফ্রি টেলিফোন বুথটি দেখতে পাবেন। বিমানবন্দরের ভেতরে বিভিন্ন মোবাইল অপারেটর নেটওয়ার্ক কোম্পানি সিম বিক্রয় কেন্দ্র থেকে পাসপোর্ট ইস্যু করে সিম ক্রয় করতে পারবেন।’

ছোট পেটে সন্তানের জায়গা হয় কিন্তু বিরাট ফ্ল্যাটে মায়ের জায়গা হয় না!

ছোট পেটে সন্তানের জায়গা হয় কিন্তু বিরাট ফ্ল্যাটে মায়ের জায়গা হয় না! দশ মাস ১০ দিন গর্ভে ধারণ, ক’ষ্টের তী’ব্রতা সহ্য করে যে মানুষটি সন্তানের জন্ম দেন, তিনিই মা। বাবাও যে কোন ত্যা’গ স্বীকার করেন না, এমন নয়! জীবনের সবটুকু দিয়ে সন্তানকে মানুষ করেন। কিন্তু সেই সন্তানরা কি বাবা-মাকে মনে রাখে?

সন্তানের কাছে মা-বাবার বেশি কিছু চাওয়ার থাকে না। থাকে শেষ বয়সে আদরের সন্তানের পাশে থেকে সুখ-দুঃখ ভাগ করার ইচ্ছা। আর এ ইচ্ছা নিয়েই প্রত্যেক মা-বাবা প্রহর গুণতে থাকেন দিবা-রজনী। কিন্তু অনেকেরই সেই সন্তানের কাছে আশ্রয় না হয়ে আশ্রয় হয় আপনজনহীন বৃদ্ধাশ্রমে। শেষ বয়সে মস্ত ফ্ল্যাটের ঘরের কোণেও জনমদুখী মা-বাবার এতটুকুও জায়গা মিলে না। ওদের ছুঁড়ে দেয়া হয় প্রবীণ নিবাসনামীয় নরকে। তবুও প্রতিবাদ দানা বাঁধে না; মন অভিশা’প দেয় না।

আজ যারা বৃদ্ধ তারা নিজেদের জীবনের সব সময় এবং ধন সম্পদ বিনিয়োগ করেছেন সন্তানের জন্য, নিজের জন্য রাখেননি কিছুই। কিন্তু বৃদ্ধ বয়সে সন্তানের কাছ থেকে এর একটি ক্ষুদ্র অংশও তারা পাচ্ছেন না। কখনো দেখা যায় সন্তান তার নিজের পরিবারের খরচ জোগাতে হিমশিম খাচ্ছে, তাই পিতা-মাতাকে মনে করছে বোঝা। নিজে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে একটু ভালো থাকার জন্য বাবা-মার ঠাঁই করে দিয়েছেন বৃদ্ধাশ্রমে।

আবার এমনো দেখা যায় যে সন্তানের টাকা পয়সার অভাব নেই, কিন্তু পিতা-মাতাকে নিজের কাছে রাখার প্রয়োজন বোধ করছেন না, বা বোঝা মনে করছেন। হয় নিজেই পাঠিয়ে দিচ্ছেন বৃদ্ধাশ্রমে, নয়ত অবহেলা দু’র্ব্যবহার করে এমন অবস্থার সৃষ্টি করছেন যেন তাদের পিতা-মাতা নিজেরাই সরে যান তার সাধের পরিবার থেকে। তবে এমন সন্তানের সংখ্যা অসংখ্য নয়।একবার বৃদ্ধনিবাসে পাঠাতে পারলেই যেন সব দায়মুক্তি। এভাবে নানা অজুহাতে পিতা-মাতাকে দূরে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে।

অনেক নামি-দামি বুদ্ধিজীবী, শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, শিক্ষক, চাকরিজীবী যারা এক সময় খুব বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী ছিলেন, বৃদ্ধ বয়সে এসে নিজের সন্তানের দ্বারাই অবহেলা ও বঞ্চনার শি’কার হয়ে বৃদ্ধাশ্রমের স্থায়ী বাসিন্দা হতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেক সন্তান বা আত্মীয়-স্বজন আর তাদের কোনো খবরও নেন না। তাদের দেখতে আসেন না, এমনকি প্রয়োজনীয় টাকা-পয়সা বা জিনিসপত্রও পাঠান না। বাড়িতে কোনো অনুষ্ঠানে বা ঈদের আনন্দের সময়ও পিতা-মাতাকে বাড়িতে নেন না।

এমনও শোনা যায়, অনেকে পিতা বা মাতার মৃ’ত্যুশয্যায় বা মা’রা যাওয়ার পরও শেষবার দেখতে যান না। বৃদ্ধাশ্রম অবহেলিত বৃদ্ধদের জন্য শেষ আশ্রয়। তাদের সারাজীবনের অবদানের যথার্থ স্বীকৃতী, শেষ সময়ের সম্মান ও নিরাপত্তা দেয়া হয় এসব বৃদ্ধাশ্রমে। এখানে তারা নির্ভাবনায়, সম্মানের সঙ্গে, আনন্দের সঙ্গে বাকি দিনগুলো কাটাতে পারেন। প্রয়োজনে অনেক বৃদ্ধাশ্রমে চিকিৎসারও সুন্দর ব্যবস্থা করা আছে। কিন্তু সব প্রাপ্তির মাঝেও এখানে যা পাওয়া যায় না তা হলো নিজের পরিবারের সান্নিধ্য।