একই পরিবারের চারজন নিখোঁজ নারায়ণগঞ্জে

নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় এক সপ্তাহ ধরে নি;খোঁ;জ রয়েছেন এক ব্যবসায়ী, তার স্ত্রী ও স্কুলপড়ুয়া দুই মেয়ে। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি বাসা থেকে মিরপুরে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে বের হয়ে আর ফেরেননি।নি;খোঁ;জদের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া বাগে জান্নাত মহল্লায় সিরাজুল ইসলামের বাড়ির নিচতলার একটি ফ্ল্যাটে সপরিবারে ভাড়া থাকত তোবারক হোসেন।তিনি শহরের বঙ্গবন্ধু রোডের লুৎফা টাওয়ার সংলগ্ন সড়কের ফুটপাতের অস্থায়ী দোকানে গার্মেন্টের তৈরি পোশাক বেচাকেনা করতেন।

ওই ফ্ল্যাটে তোবারক হোসেনের সঙ্গে তার স্ত্রী মুক্তা, দুই মেয়ে ফারিয়া ও ফাহমিদা থাকতো।বড় মেয়ে ফারিয়া চাষাঢ়া বন্ধু স্মৃতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ও ফাহমিদা একই স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী।তোবারক হোসেন মিরপুর ব্লক বি গাবতলী ১ম কলোনি জব্বার হাউজিং এলাকার রেজাউল হকের ছেলে।তার বাবা-মা বর্তমানে মিরপুর সেকশন ৬ এর কেন্দ্রীয় মসজিদের বিপরীতে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন।গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ব্যবসায়ী তোবারক, তার স্ত্রী মুক্তা ও দুই মেয়ে ফারিয়া ও ফাহমিদাকে নিয়ে মিরপুরে বেড়ানোর উদ্দেশ্যে চাষাঢ়ার বাসা থেকে বের হন।

তবে এক সপ্তাহেও তারা ওই বাড়িতে ফেরেননি। তোবারক ও মুক্তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে।এ পরিস্থিতিতে মুক্তার মা মেহের বেগম বুধবার সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার এসআই সাব্বির ঘটনাস্থলে তদন্তে যান।এসআই সাব্বির জানান, কী কারণে সপরিবারে নিখোঁজ হয়েছে, সেটা এখনো স্পষ্ট নয়। সাধারণ ডায়েরি করার পর নিখোঁজের ঘটনার তদন্ত চলছে।

বেতনের টাকা জমিয়ে কেনা অ্যাম্বুলেন্সে গ্রামবাসীকে বিনে পয়সায় সেবা দেন শেফালী

বিনে পয়সায় গ্রামের মানুষকে অ্যাম্বুলেন্স সেবা দিয়ে যাচ্ছেন নাটোরের বড়াইগ্রামের শিক্ষিকা
শেফালী খাতুন। দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা এ সেবা পেয়ে খুশি প্রত্যন্ত অঞ্চলের বাসিন্দারা। দ্রুত হাসপাতালে নিতে না পারায় আত্মীয়ের মৃ’ত্যু।এই ঘটনা ভীষণ নাড়া দেয় বড়াইগ্রাম উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম দোগাছির স্কুলশিক্ষক শেফালী খাতুনকে। সেই ভাবনা থেকে ছয় বছর বেতনের টাকা জমিয়ে, গত দুই মাস ধরে চালু করেন ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা। চব্বিশ ঘণ্টা চালু থাকায় উপকৃত হচ্ছেন আট গ্রামের মানুষ।সহযোগীতা পেলে আরও একটি অ্যাম্বুলেন্স ও মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর ইচ্ছা শেফালী খাতুনের। এ কাজে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন তার স্বামী।

মেরিগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শেফালী খাতুন জানান, গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ,জ্বালানি খরচ এবং অ্যাম্বুলেন্স চালকের বেতন সবকিছুই তিনি নিজেই বহন করেন। মানুষের জন্য কিছু করার স্বপ্ন থেকেই এ কাজ শুরু করেন শেফালী খাতুন। নির্দিষ্ট অঞ্চলের মধ্যেই এ সেবা দেয়া হলেও ভবিষ্যতে সেবার পরিধি আরও বাড়ানোর ইচ্ছা আছে শেফালী খাতুনের।শেফালী খাতুনের স্বামী ময়লাল হোসেন জানান, মানুষের জন্য কিছু করতে পারলে তারা তৃপ্তি পান। স্থানীয় সরকার ও প্রশাসন যদি পাশে দাঁড়ায় তাহলে কাজের গতি আরও বাড়ানো সম্ভব।নাটোরের বড়াইগ্রামের উপজেলা চেয়ারম্যান ডা. সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী বলেন, এ কাজের মধ্য দিয়ে মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন শিক্ষিকা শেফালী খাতুন। গেল দুই মাসে ৪৫ জন রো’গী এ সেবা নিয়েছে এবং দু’টি ম’রদেহ বাড়িতে পৌঁছে দেয়া সম্ভব হয়েছে।

গ্রামে বাড়ি করতে ঋণ সহজ শর্তে দেবে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক –

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড (এমটিবি) সম্প্রতি গ্রামীণ গৃহঋণ সেবা চালু করেছে। এই
ঋণ সেবার আওতায়, ইউনিয়ন পর্যায়ের বাসিন্দারা পাকা বাড়ি নির্মাণ, উন্নয়ন ও বর্ধিতকরণের জন্য ঋণ সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।এমটিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সৈয়দ মাহবুবুর রহমান সম্প্রতি এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গুলশানস্থ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় এমটিবি সেন্টারে ‘এমটিবি গ্রামীণ গৃহঋণ’ সেবা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেন।ঋণ গ্রহীতারা মাসিক কিস্তিতে এই ঋণ পরিশোধ করতে পারবেন।

তারা তাদের পাকা বাড়ি নির্মাণে, বর্ধিতকরণে অথবা মেরামতে এমটিবি’র শাখাসমূহ থেকে সর্বোচ্চ ৮০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।অনুষ্ঠানে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড (এমটিবি)-এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকদ্বয় সৈয়দ রফিকুল হক ও চৌধুরী আখতার আসিফ, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারেক রিয়াজ খান, হেড অব বিজনেস রিটেইল ব্যাংকিং ডিভিশন মো. তৌফিকুল আলম চৌধুরী এবং গ্রুপ চিফ কমিউনিকেশন্স অফিসার আজম খানসহ মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড (এমটিবি)-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

যশোরে শিক্ষার্থীসহ পিকনিকের বাস সড়ক দূ’র্ঘট’নায়

যশোরের উলাশী স্কুল শিক্ষার্থীদের একটি পিকনিকের বাস সড়ক দূর্ঘটনায় পতিত হয়েছে। এতে
১ জন নিহত ও ২০ জন আহত হবার খবও পাওয়া গেছে। প্রর্তক্ষ্যদর্শীদের বরাত দিয়ে আমাদের স্থানীয় সংবাদদাতা জানান, বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারী) উলাশী নামক এলাকায় একটি
পিকনিকের বাসের সাথে অন্য একটি বাসের সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যাক্তি বাসের চালক বলে জানা যায়।বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানালেন গোপালপুর প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটি টাঙ্গাইলের গোপালপুর প্রেসক্লাবের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে অধ্যাপক জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সন্তোষ কুমার দত্ত।

সম্মেলন শুরুতে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সম্মেলন শেষে প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কর্মকর্তাগণ স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন ও সকল শহীদদের প্রতি আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করেন।সম্মেলনে দৈনিক ইত্তেফাকের সংবাদদাতা অধ্যাপক জয়নাল আবেদীনকে সভাপতি ও দৈনিক সংবাদের সন্তোষ কুমার দত্তকে সম্পাদক করে ১০ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরি কমিটি গঠিত হয়।নির্বাচিত অন্য কর্মকর্তারা হলেন সহসভাপতি খন্দকার আব্দুস সাত্তার (দৈনিক জনতা), কে এম মিঠু (দৈনিক ভোরের কাগজ), আব্দুস সালাম (দৈনিক দিনকাল), যুগ্মসম্পাদক কায়ছার মিয়া (আমাদের বার্তা), সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম (দৈনিক আমাদের নতুন সময়), কোষাধ্যক্ষ বিধান চন্দ্র রায় (দৈনিক ভোরের ডাক), তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. সেলিম হোসেন (দৈনিক যুগান্তর), দপ্তর প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. নূর আলম (দৈনিক ভোরের সময়)।

মায়ের হাতে মেয়ে খু’ন, চোখের জলে ভাসছে সহপাঠিরা

পারিবারিক ক*লহের জের ধরে মা আছমা আক্তার ইঁদুর মা’রার বি’ষযু’ক্ত ট্যাবলেট খাইয়ে
হ’ত্যা করে তার একমাত্র সন্তান শিউলী আক্তার মায়া (১০) কে। মায়ের দেয়া বি’ষ খেয়ে ছ’টফ’ট করতে করতে প্রা*ণ হা’রায় নিষ্পাপ শি’শুটি। সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) কিশোরগঞ্জজেনারেল হাসপাতাল ম’র্গে লা’শের ময়নাত’দন্ত শেষে নি’হত শিউলী আক্তার মায়ার লা’শ দাফন করা হয়েছে।এদিকে একই দিন সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) আ’দালতে কন্যা হ’ত্যার বর্ণনা দিয়ে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দি দিয়েছে ঘা’তক মা আছমা আক্তার (৩৩)। বিকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কিশোরগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাসলিমা আক্তারের খাসকাম’রায় তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দি রেকর্ড করা হয়। জবানব’ন্দি রেকর্ড শেষে ঘা’তক মা আছমা আক্তারকে কিশোরগঞ্জ জে’লা কারাগারে পাঠানো হয়।মা’মলার ত’দন্তকারী কর্মক’র্তা কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থা*নার এসআই অজিত কুমা’র সরকার আ’দালতে আছমা আক্তারের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দি দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঘা’তক মা আছমা আক্তার কিশোরগঞ্জ সদর উপজে’লার লতিবাবাদ চরপাড়া গ্রামের সুরুজ মিয়ার মেয়ে। নি’হত শিউলী আক্তার মায়া স্থানীয় জাহানারা প্রিক্যাডেট স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। শি’শু শিউলী আক্তার মায়ার এমন নৃ’শংস খু’নের
ঘটনায় চোখের জলে ভাসছে তার সহপাঠিরা। নানা সুরুজ মিয়া ও আত্মীয়স্বজনদের আহাজারি
থামছেই না। ফুলের মতো নিষ্পাপ শি’শুটির এমন মৃ’ত্যু মেনে নিতে পারছেন না কেউই।
এলাকাবাসীসহ স্থানীয়রা ঘা’তক মা আছমা আক্তারের সর্বোচ্চ শা’স্তির দাবি জানিয়েছেন। এই
দাবি জানিয়েছেন খোদ আছমা আক্তারের জন্ম’দাতা বাবা সুরুজ মিয়াও। এসআই অজিত কুমা’র সরকার জানান, প্রায় ১২ বছর আগে আছমা আক্তারের নাটোর জে’লার বাসিন্দা
আশরাফ উদ্দিনের সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের বছর দু’য়েক পর শিউলী আক্তার মায়ার জন্ম হয়।
মায়ার জন্মের বছর তিনেক পর এক সড়ক দুর্ঘ’টনায় আশরাফ উদ্দিন মা’রা যান।

এরপর আব্দুল কাদের নামে একজনের সাথে আছমা আক্তারের বিয়ে হলেও পরবর্তিতে ছাড়াছাড়ি হয়েযায়। ফলে বাবার সংসারেই একমাত্র কন্যা সন্তান শিউলী আক্তার মায়াকে নিয়ে বসবাস করে আসছিল আছমা আক্তার।আছমা আক্তাররা সাত বোন ও এক ভাই। একমাত্র ভাই নয়ন মিয়ার সাথে নানা বিষয়ে আছমা আক্তারের বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে একাধিকবার প্রকাশ্যে একমাত্র সন্তান শিউলী আক্তার মায়াকে বিষ খাইয়ে হ’ত্যার চেষ্টা করে আছমা। কিন্তু আত্মীয়স্বজনদের কারণে আছমা’র মেয়েকে হ’ত্যার চেষ্টা এর আগে ব্যর্থ হয়। এ রকম পরিস্থিতিতে ভাই নয়ন মিয়া বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র বসবাস করে আসছেন। এছাড়া বাবা-মা’র কাছে প্রায়ই আছমা টাকা-পয়সা চেয়ে না পেলে বিবাদে জড়াতো। পারিবারিক এই ক*লহের জের ধরে আছমা আক্তার পুনরায় মেয়েকে হ’ত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আছমা শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জ শহরের কাচারিবাজার এলাকার একটি দোকান থেকে ৫০ টাকা দিয়ে ১০টি ইঁদুরের বিষের ট্যাবলেট ক্রয় করে। রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুল থেকে কন্যা মায়াকে ডেকে আনে আছমা। বাড়ির উঠানে মেয়ে মায়ার হাতে একটি বিষযুক্ত ট্যাবলেট দিয়ে খেয়ে নিতে বলে। মায়া ট্যাবলেটটি খেয়ে নেয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তার শরীরে প্রতিক্রিয়া দেয়া দেয়। এ অবস্থায় আছমা মেয়ে মায়াকে আরেকটি ট্যাবলেট খাওয়ার কথা বললে মায়া তার শরীর খা’রাপ লাগছে জানিয়ে খেতে অস্বীকৃতি জানায়।মায়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে বিষয়টি স্বজনদের নজরে আসে। তারা তাকে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা পৌনে ১২টার দিকে মায়া মৃ’ত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। খবর পেয়ে পু’লিশ হাসপাতালে গিয়ে শি’শুটির লা’শ উ’দ্ধার করে ময়নাত’দন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ম’র্গে পাঠায়। এ ঘটনায় নি’হত শিউলী আক্তার মায়ার নানা সুরুজ মিয়া তার মেয়ে আছমা আক্তারকে আ’সামি করে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থা*নায় মা’মলা করেন।

মা’মলার প্রেক্ষিতে পু’লিশ অ’ভিযান চালিয়ে ওইদিনই আছমা আক্তারকে গ্রে’প্তার করে। গ্রে’প্তারের পর পু’লিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজ কন্যাকে বিষ খাইয়ে হ’ত্যার নৃ’শং’স বর্ণনা দেয় আছমা আক্তার। পরে সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাকে আ’দালতে পাঠানো হলে সে সন্তান হ’ত্যার বর্ণনা দিয়ে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দি দেয়।
কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থা*নার ওসি মো. আবুবকর সিদ্দিক পিপিএম জানান, পারিবারিক
ক*লহের জের ধরে এমন অমানবিক নৃ’শংস ঘটনাটি ঘটেছে। ঘা’তক মা আছমা আক্তারকে পু’লিশ গ্রে’প্তার করার পর হ’ত্যাকা’ণ্ডের বর্ণনা দিয়ে সে আ’দালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দি দিয়েছে। স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দি দেয়ার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এবছর থেকেই কার্যকর হচ্ছে জিপিএ-৪

দীর্ঘদিনের চলা জিপিএ-৫ এর পরিবর্তে নির্ধারণ করা হয়েছে নতুন পদ্ধতি জিপিএ-৪। এতে
করে জেএসসি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হবে এ্কই পদ্ধতি। আর এটি চলতি বছরের জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা থেকেই কার্যকর হবে।শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, এ লক্ষ্যে এ মাসেই নতুন গ্রেডিং পদ্ধতি বাস্তবায়ন করতে প্রজ্ঞাপন জারির কথা রয়েছে বলে।
নতুন গ্রেডিং পদ্ধতিতে দেখা গেছে, জেএসসি-জেডিসি, এসএসসি-সমমান, এইচএসসি-সমমান পরীক্ষায় নম্বরের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ জিপিএ-৪ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ৯০-১০০ পর্যন্ত
এ প্লাস জিপিএ-৪, ৮০-৮৯ পর্যন্ত ‘এ’ জিপিএ-৩.৫, ৭০-৭৯ ‘বি’ প্লাস জিপিএ-৩, ৬০-৬৯ ‘বি’ জিপিএ-২ দশমিক ৫, ৫০-৫৯ ‘সি’ প্লাস জিপিএ-২, ৪০-৪৯ ‘সি’ জিপিএ-১ দশমিক ৫, ৩৩-৩৯ ‘ডি’ জিপিএ-১ এবং শূন্য থেকে ৩২ ‘এফ’ গ্রেড জিপিএ-০ বা ফেল নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত বছর ৮ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে গ্রেড পরিবর্তন-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। সেখানে শিক্ষাবিদসহ বিভিন্ন স্তরের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন,নতুন গ্রেড পদ্ধতি চূড়ান্ত করা হয়েছে। চলতি বছর (২০২০ শিক্ষাবর্ষ) থেকে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার মাধ্যমে এটি বাস্তবায়ন করা হতে পারে। ২০২১ সাল থেকে এসএসসি-সমমান ও এইচএসসি-সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৪ কার্যকর করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ৫ লাখ মাস্ক ও ১০ লাখ হাত মোজা চীনকে হস্তান্তর

প্রাণঘা’তী করোনাভাইরাসে বিপ’র্যস্ত চীনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তরফ থেকে দেয়া পাঁচ লাখ মাস্কসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সামগ্রী হস্তান্তর করা হয়েছে।মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ঢাকায় চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিংয়েরকাছে এসব সামগ্রীর কিছু নমুনা তুলে দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ও পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন উপস্থিত ছিলেন।পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, শুভেচ্ছা স্মারক হিসেবে ১০ লাখ হাত মোজা, ৫ লাখ মাস্ক, দেড় লাখ ক্যাপ, ১ লাখ হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ৫০ হাজার সু কাভার এবং ৮ হাজার গাউন চীনে পাঠানো হচ্ছে।

এর আগে রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিংয়ের হাতে ওই চিঠি ও স্বাস্থ্য সামগ্রী হস্তান্তর করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। চিঠি থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এ ভাইরাসের আক্রমণে স্বজন হারানো চীনা পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। চীন সরকার কর্তৃক দেশটিতে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের সঠিকভাবে সেবা প্রদানেরও প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। চীন দ্রুত সময়ের মধ্যে এ সঙ্কট কাটিয়ে উঠতে পারবে বলেও আশা প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা।পাশাপাশি চিঠিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর আয়োজনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে নিমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী।

অভাবের তাড়নায় শেষ জীবনে ফোন করে কাজ চাইতেন তাপস পাল !

বাংলা চলচ্চিত্র জগতে বড় ইন্দ্রপতন। মঙ্গলবার ভোর রাতে হৃদ’রোগে আ’ক্রান্ত হয়ে মুম্বই’য়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে মৃ’ত্যু’ হয় তাঁর। তার পর থেকেই চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া। খবর কলকাতা ২৪*৭। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। বাংলা ছবির জ’গতে তাঁর অবদা’ন মা’পা যায় না। দাদার কীর্তি, গুরুদ’ক্ষিণা, ও সাহেব ছবির জন্য বা’ঙালির মনে চির’কালের জন্য জায়’গায় করে নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ বয়সে যেমন শ’রী’র ভালো ছিল না, তেমনই মা’ন’সিক শান্তিও ছিল না। এমনকী, শেষের দিকে ফের অভিনয়ে ফিরতে চেয়ে কাজ খুঁজ’ছিলেন তাপস পাল। জানিয়েছেন পরিচালক অরিন্দম শীল ও অভিনেত্রী ইন্দ্রাণী হালদার। অরিন্দম শী’ল অভিনেতার তে শো’ক প্রকাশ করে বলেছেন, খুব বড় অভিনেতা

ছিলেন। উত্তম কুমা’রের পরে তারকা হিসেবে তাঁকে ধ’রা যায়। কিন্তু মাস দুয়েক আগে
কাজের খোঁজ করে ফোন ক’রেছিলেন। আমি অবাক হয়ে’ছিলাম যে তাপস পালের মতো অভিনেতা আ’মায় ফোন করে কাজ চাইছেন!অভিনেত্রী ইন্দ্রাণী হালদারকেও কাজের খোঁ’জ করতে বলেছিলেন তাপস পাল। অভিনেত্রী বলছেন, তাপসদার মতো অভি’নেতা চলে যাওয়া বড় ক্ষতি। তিনি একজন ভালো মানুষও
ছিলেন। আমাকে বলে’ছিলেন আবার কাজে ফিরতে চাই। কোনও প্রযোজ’কের সঙ্গে কথা বলে দেখিস কোনও কাজ আছে কি না। আমি বলে’ছিলাম, আরে তুমি তাপস পাল। তোমার মতো অভিনেতা দরকার। নন্দি’নীদিও ফোন করে বলেছিলেন, দেখ তোর দাদাকে একটু ব্যস্ত করা যায় কি না। প্রসঙ্গত, অভিনয়ের পাশাপাশি রাজ’নীতিতেও জায়গা করেছিলেন তিনি। বাংলার রাজনীতিতে দু’বারের বি’ধায়ক, দু’বারের সাংসদ তিনি। আর কোনও বা’ঙালি অভিনেতা এতটা সাফল্য

এখনও দেখাতে পারেননি নি’র্বাচনী রাজনীতিতে। কিন্তু তার পর ‘ট্র্যাজে’জি নায়ক’ হয়েই থাকলেন তিনি৷
একের পর এক বিত’র্কে ক্রম’শ ‘খলনায়ক’ হয়ে উঠছিলেন তাপস পাল। প্রচণ্ড মা’নসি’ক পী’ড়াতেই হোক বা শা’রী’রিক কার’ণে, শেষ দিক’টায় অ’সুস্থও ছিলেন খুবই। ভুবনেশ্বরে দীর্ঘ ব’ন্দিদশা থেকেই সম্ভবত তাঁর মা’নসি’ক ও শা’রী’রিক স’মস্যা শুরু হয়। স্না’য়ুর সমস্যা বেড়ে’ছিল বন্দি থাকা’কালীন। জামিন পাওয়ার পরে ঈশ্ব’রের নাম নিয়ে তাপস পালের আকুল কান্নার ভিডি’ও ভাই’রাল হয়ে গিয়েছিল গোটা বাংলায়।

মা-বাবাকে হারিয়ে লঞ্চে বসে কাঁদছিল শিশুটি, ছবি তুলে ফেসবুকে ছেড়ে দিলেন লঞ্চের সুপারভাইজার

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের কল্যাণে নি’খোঁজের চারদিন পর ইয়াসিন (১০) নামে
এক মাদরাসাছাত্রকে খুঁজে পেল তার পরিবার। মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পটুয়াখালী লঞ্চঘাট থেকে ইয়াসিনকে বাড়ি নিয়ে যান বাবা।নি’খোঁজের চারদিন পর ইয়াসিনকে খুঁজে পেয়ে আনন্দে কেঁদে ফেলেন তার বাবা-মা। ইয়াসিন পটুয়াখালীর বাউফল উপজে’লার বগা এলাকার সুলতান খাঁ’র ছেলে।প্রিন্স আওলাদ-৭ লঞ্চের সুপারভাইজার মিলন মোল্লা বলেন, সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকার সদরঘাট থেকে পটুয়াখালীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে
আসে প্রিন্স আওলাদ-৭ লঞ্চ। তখন যাত্রীদের সঙ্গে এক মাদরাসাছাত্র উপস্থিত ছিল। মঙ্গলবার
(১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে পটুয়াখালী ঘাটে লঞ্চ পৌঁছালে সব যাত্রী নেমে গেলেও নামেনি ওই ছাত্র।
পরে তাকে নামতে বললে কা’ন্না শুরু করে। পরিচয় জানতে চাইলে ছেলেটি জানায় ঢাকায় মাদরাসায় পড়ে।লঞ্চের সুপারভাইজার মিলন মোল্লা বলেন, ছেলেটি তার পরিচয় বলতে না পারায় কা’ন্না থামিয়ে নাস্তা করিয়ে আমা’র হেফাজতে রাখি। পরে তার ছবি তুলে ফেসবুকে দিয়ে পরিচয় জানতে চাই। সেই সঙ্গে ফেসবুক স্ট্যাটাসে উল্লেখ করি, ‘ছেলেটি আমা’র হেফাজতে রয়েছে।যদি কারও পরিচিত হয় তবে আমা’র সঙ্গে যোগাযোগের অনুরোধ করছি।’ পরে ‘পটুয়াখালীর লঞ্চ’ ফেসবুক গ্রুপে আমা’র স্ট্যাটাসটি পোস্ট হলে ভাইরাল হয়ে যায়।মিলন মোল্লা আরও বলেন, আমাদের লঞ্চের এক কেরানি ছুটিতে রয়েছেন। তিনি
গ্রুপে স্ট্যাটাসটি দেখে বাউফল উপজে’লার বগা এলাকায় বসে আলোচনা করছিলেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন যুবক জানান ছেলেটির নাম ইয়াসিন।

বাবার নাম সুলতান খাঁ। চারদিন আগে ছেলেটি হা*রিয়ে যায়। তার বাড়ি বগা এলাকায়। পরে বাড়িতে খবর দিলে পরিবারের লোকজন লঞ্চঘাটে উপস্থিত হয়। এরপর তাদের কাছে ইয়াসিনকে হস্তান্তর করা হয়।ইয়াসিনের বাবা সুলতান খাঁ বলেন, সকালে খবর পেয়ে লঞ্চঘাটে যাই। সেখানে গিয়ে চারদিন আগে হা*রিয়ে যাওয়া ইয়াসিনকে খুঁজে পাই। আল্লাহর কাছে অনেক অনেক শুকরিয়া। লঞ্চের সুপারভাইজার মিলন মোল্লাকে অনেক ধন্যবাদ। তার ফেসবুক স্ট্যাটাসের কারণে আমা’র হা’রানো সন্তানকে খুঁজে পেলাম।

৪৪ জন শিশুর মা হাজেরা বেগম নিজের গর্ভের সন্তান না থাকলেও

হাজেরা বেগম। নিজের সন্তান না থাকলেও এখন তিনি ৪৪জন শিশুর মা। ২০১০ সালে
রাজধানীর আদাবরে হাজেরা শুরু করেন ‘শিশুদের জন্য আমরা’– নামে সংগঠনের কার্যক্রম। নিজের সীমিত সাধ্য নিয়েই ছিন্নমূল আর যৌনকর্মীদের সন্তানদের জীবন মান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে তার এই সংগঠন।হাজেরা বেগম। পরম মমতায় লেখাপড়া শিখিয়ে বড় করছেন এই শিশুদের। এখন তিনি চুয়াল্লিশজন শিশুর মা। গর্ভের সন্তান না হলেও তারা সবাই এই নারীকে মা বলেই ডাকে।হাজেরার জীবন বদলে যাওয়ার গল্পটি অন্যরকম। ৭ বছর বয়সে

সৎমায়ের নি’র্যাতনেবাড়িছাড়া। তারপর রাজধানীর পথে পথে। রাত কাটিয়েছেন রাস্তায়। একসময় বিক্রি হয়ে গেছেন দালালের কাছে।নিজের জীবন থেকে হাজেরা উপলব্ধি করেছেন পরিবার ছাড়া একটি শিশুর জীবন কতটা কঠিন। বেঁচে থাকাই যেখানে নিত্য চ্যালেঞ্জ সেখানে শিক্ষা যেন অনেকটা বিলাসিতার মতোই।তাই নিজের সীমিত সাধ্য নিয়েই শুরু করেন ছিন্নমূল আর যৌ’নকর্মীদের সন্তানদের জীবন মান উন্নয়নের কাজ।২০০০ সালের কেয়ার বাংলাদেশের

এ’ইডস নিরো’ধ কার্যক্রমের আওতায় যৌ’নক’র্মী’দের সংগঠন দুর্জয় নারী সংঘে প্রথম কাজ শুরু করেন হাজেরা। পরে কেয়ারের সহায়তায় যৌ’নকর্মীদের সন্তানদের জন্য কাজ শুরু করেন তিনি। শিশুদের জন্য বিদেশি সহায়তা ব’ন্ধ হলেও হাল ছা’ড়েননি হাজেরা। নিজেই দায়ি’ত্ব নেন অ’সহায় শিশুদের।রাজধানীর আদাবরে শিশুদের জন্য আমরা নামে হাজেরার সংগঠনের যাত্রা শুরু ২০১০ সালে।