‘আমি ভিপি নূরকে গুনি না, আর তুই তো কোথাকার সাংবাদিক’

ডব্লিউ নিউজের সম্পাদক সাগর চৌধুরীর উপর ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বড় মানিকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন হায়দারের ছোট ছেলে নাবিল হায়দারের বিরুদ্ধে সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে বোরহানউদ্দিনে রাজমনি সিনেমা হলের সামনে মারধরের এ ঘটনা ঘটে।

মারধরের শিকার সাগর চৌধুরী জানান, তাকে নাবিল ফোন করে বাসা থেকে বড়দিন রাজমনি সিনেমার কাছে নিয়েই মারধর শুরু করে।

তিনি বলেন, নাবিল তার মোবাইল দিয়ে লাইভ করে বলে আমি নাকি তার মোবাইল নিয়েছি।

ভিডিওতে দেখা যায়, সাগরের জামার কলার ধরে তাকে মোবাইল চুরির অপবাদ দিচ্ছেন নাবিল।

সাগরের দাবি, ইউনিয়নের জেলেদের ১ মণ করে চাল দেওয়ার কথা, কিন্তু চাল দেওয়া হচ্ছে মাত্র ১৪-১৫ কেজি করে। বিষয়টা আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানাই এবং চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসা করি কেন চাল কম দিচ্ছেন? যে কারণে বোরহানউদ্দিন বড় মানিকা ইউনিয়ন পরিষদের (ভোলা) চেয়ারম্যান জসিমউদ্দিন হায়দারের ছেলে নাবিল হায়দার আজকে আমাকে ডেকে নেয় দেখা করার জন্য। তারপর মারধর করে।

স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নাবিলকে রিকশায় করে কয়েক বস্তা চাল নিয়ে যেতে দেখেন সাগর। সাগরের দাবি, ওই ছবিও তিনি ইউএনওকে পাঠিয়েছেন।

মোহাম্মদ বশির গাজী বলেন, চারদিন আগে সাগর তাকে একটা ভিডিও দেখান। যেখানে দুই জেলে বলেন, তারা ১৪ কেজি করে চাল পেয়েছেন।

ওই জেলেদের কেনো চাল কম দেয়া হয়েছে, ইউপি চেয়ারম্যানের সচিবের কাছে জানতে চান ইউএনও। এরপর ইউপি চেয়ারম্যান জসিমউদ্দিন হয়দার আলী ওই দুই জেলেকে নিয়ে ইউএনওর কাছে আসেন।

ইউএনও বলেন, তারা আমার কাছে এসে জানান যে, সাগর তাদের ওই কথা শিখিয়ে দিয়েছেন বলার জন্য।

তবে নাবিল যে রিকশায় করে চাল নিয়েছেন এমন কোনো ছবি তার কাছে পাঠাও হয়নি বলে জানান ইউএনও।

নাবিল হায়দার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি নুরুল হক নুরকে হত্যার হুমকি দেয়ার অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। ওই সময় নূর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগও দিয়েছিলেন।

সাগরের দাবি, ভিপি নুরকে হত্যার হুমকি দেয়ার সেই ঘটনার ভিডিও দেখিয়ে নাবিল তাকে বলেছেন, আমি ভিপি নুরকে গুনি না, আর তুমি তো কোথাকার সাংবাদিক।

তিনি বলেন, একথা বলতে বলতে আমাকে প্রচণ্ড রকম মারধর করে এবং মোবাইল ছিনতাইকারী হিসেবে অপবাদ দেয়।

এ বিষয়ে জানার জন্য নাবিলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া গেছে। তার বাবা ইউপি চেয়ারম্যান জসিমউদ্দিন হায়দারের ফোন নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া গেছে।

সাগর চৌধুরীর উপর সন্ত্রাসী হামলায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ অনলাইন প্রেসক্লাবসহ অন্যান্য সাংবাদিক সংগঠন। তারা এই ঘটনার মূলহোতা নাবিল সহ তার সন্ত্রাসী বাহিনীকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছেন। সূত্র: সময় নিউজ টিভি

মাশরাফি: আল্লাহকে ডাকুন ও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ুন

করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ৩৩ জন আক্রা’ন্ত ও ৩ জন মা’রা গেছেন। এমন ‘প’রিস্থিতিতে সবাইকে সত’র্কবার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক ভিডিওবার্তা দিয়েছেন তিনি।

ভিডিও বার্তায় মাশরাফি বলেন, ‘আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভাল আছেন। যদিও ‘ভাল আছেন’ কথাটা এই মুহূর্তে ঠিক বলা ঠিক কিনা, কারণ সবাই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। তারপরও কথা বলতে হবে। করোনাভাইরাস, আমরা সবাই জানি। অনেকেই কথা বলছি, সোশ্যাল মিডিয়ায়। যেখানেই যাবেন দেখবেন, করোনা ভাইরাস নিয়ে সবাই আ’তঙ্কিত। এবং আতঙ্কিত না হওয়ারও কোনো কারণ নাই। পৃথিবীর সমস্ত বড় বড় দেশগুলো এখন শারীরিক, মানসিক ও সামাজিকভাবেও বিপর্যস্ত। তারা কোনোভাবেই ট্যাকল দিতে পারছে না।

এখন আমাদের কি করণীয়। আজকে যত বড় বড় দেশগুলো দেখছি, যেভাবে ভেঙে পড়ছে, আমাদের দেশটা তো এমনিতে ছোট, মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। আমাদের যদি এরকম সংকট আসে, আল্লাহ না করুক, কি হতে পারে আমরা সবাই বুঝতে পারছি। এই মুহূর্তে করণীয় অনেক কিছু আছে, যেগুলো আমি মনে করি সবারই করা উচিৎ। এক হচ্ছে, ঘরে বসে আল্লাহকে ডাকা, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া। আল্লাহর কাছে ডাকা যে, আল্লাহ আমাদের রহমত করুন। এই ধরনের দুর্যোগ থেকে আমাদের সহযোগিতা করুন যেন করোনা না হয় এবং সবাই যেন সুস্থ থাকে।’

দ্বিতীয় করণীয় কাজ হিসেবে মাশরাফি বলেন, ‘অবশ্যই অবশ্যই প্রবাসী ভাই-বোনেরা যারা বিদেশে থাকেন, আসছেন দেশে বা যারা বেড়াতে গিয়েছিলেন আর দেশে আসছেন, তাদের কিন্তু অনেক কিছু করার আছে। প্রথম হচ্ছে নিয়ম-কানুনগুলো অবশ্যই মেনে চলা। কোয়ারেন্টাইন এই শব্দটা ব্যবহার করে আমি বলব, গৃহবন্দী থাকা। সেটা পরিবার নিয়ে না, আপনি আলাদা ১৪ দিন থাকা। ১৪ দিন পার হওয়ার পরে যদি আপনি অসুস্থ না হোন তখন আপনার পরিবারকে নিয়ে ঘরে থাকা। যতক্ষণ না পযর্ন্ত চিকিৎসক বা সমাজের উচ্চ-পদস্থরা ঘোষণা না করছেন যে, আমরা নিরাপদ, ততক্ষণ ঘরে থাকা।

রপরে অবশ্যই আমাদের অনেক করণীয় আছে। যেটা হচ্ছে, নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া। ১৫-২০ মিনিট অন্তর অন্তর নিয়মিত পানি পান করা এবং আপনার ঘর, আপনার চারপাশটা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা। আমাদের এসব নিয়ম-কানুনগুলো মেনে চলতে হবে। এর থেকে কঠিন পরিস্থিতে যাওয়ার পরে আমরা কিন্তু আর সুযোগ পাবো না। তাই আমাদের উচিৎ এখন থেকেই এই জিনিসটাকে শক্ত হাতে প্রতিহত করা। কারণ এটা একটা রাষ্ট্রীয় সংকট হয়ে যেতে পারে। আমরা কেউ জানিনা আশাপাশে কারা আছে। আমরা যে বের হচ্ছি, কার হাত ধরছি, কি করছি, কেউ জানি না আসলে এ ভাইরাসটা কি নিয়ে পথ চলছে। কারণ এ ভাইরাসটা ১৪ দিন সময় নেবে আপনার বুঝার জন্য। তাই আমার কাছে মনে হয় যে, এটা গভীরভাবে চিন্তা করার ব্যাপার।’

মাশরাফি আরো বলেন, ‘আমরা যেটা গুরুত্ব দিচ্ছি না সেটা যদি আকস্মিকভাবে আমাকে, আপনাকে, আপনার পরিবারকে, পরিবারের কাউকে বা সামাজিকভাবে আঘাত করে সেটা কিন্তু সামাল দেওয়া খুব কঠিন হবে। আমি আগেও বলেছি, ইতালির মতো দেশ, ইংল্যান্ড-স্পেন-চীন বলেন, সবাই কিন্তু হিমশিম খাচ্ছে। সেখানে আমরা কতটুকু পারবো তা ভাবার সময় এসেছে। কারণ দেশটা অনেক ছোট, মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। আমাদের যে করণীয় জিনিসগুলো আছে, আমরা করি। আপনার ঘরের ক্যাপ্টেন কিন্তু এখন আপনি নিজে। আপনি যদি আপনার ঘরের ক্যাপ্টেন্সি ঠিকভাবে করতে পারেন, আমি নিশ্চিত, আমরা কিছুটা হলেও আক্রা’ন্তের সংখ্যা কমাতে পারবো। অন্যথা দুর্যোগ হওয়ার সুযোগ বেশি। তাই আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ আপনার ঘরে থাকুন। প্লিজ, প্লিজ, প্লিজ…’

আগের চেয়ে দ্রুতগতিতে ছ’ড়িয়ে প’ড়ছে করোনা ভাইরাস:বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

দুনিয়াব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস আগের চেয়ে দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান ড. টেড্রস অ্যাডহানম গেব্রেইয়েসুস। সোমবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেছেন।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১ থেকে ১ লাখে পৌঁছাতে ৬৭ দিন সময় লেগেছে। দ্বিতীয় একলাখ আক্রান্ত হতে সময় লেগেছে ১১ দিন। কিন্তু তৃতীয় একলাখ আক্রান্ত হতে সময় লেগেছে মাত্র ৪ দিন।

জি২০ সম্মেলনে রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের একসঙ্গে প্রতিরোধ সরঞ্জাম উৎপাদনে কাজ করার আহ্বান জানাবেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, জি২০ দেশগুলোর ঐক্য আমাদের প্রয়োজন। কারণ বিশ্বের মোট জিডিপির ৮০ শতাংশ এসব দেশের। স্বাস্থ্যকর্মীদের রক্ষাকে যদি আমরা অগ্রাধিকার না দেই তাহলে অনেক মানুষের মৃত্যু হবে। কেননা যারা তাদেরকে সেবা দিয়ে জীবন রক্ষা করতে পারতেন তারাই অসুস্থ থাকবেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব মতে, ২৬ মিলিয়নের বেশি স্বাস্থকর্মী করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেবেন। এর আগ শুক্রবার সংস্থাটির কর্মকর্তারা সতর্কতা উচ্চারণ করে বলেছিলেন, করোনার বিস্তারে মাত্র কয়েক সপ্তাহে বিশ্বের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে নড়বড়ে করে দিতে পারে।

উল্লেখ্য বিশ্বে করোনাভাইরাসে মৃত মানুষের সংখ্যা ১৪ হাজার ছাড়িয়েছে। গত ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশে এই ভাইরাসের আক্রমণ দেখা যায়। করোনাভাইরাসের নতুন কেন্দ্রস্থল ইউরোপ। এই ভাইরাসে টালমাটাল ইতালি। চীনের বাইরে করোনা ১৩ গুণ বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে ১১ মার্চ পৃথিবীব্যাপী মহামারি ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

করোনাভাইরাস বৈশ্বিক মহামারিতে এ পর্যন্ত বিশ্বের ১৯২ টি দেশ ও অঞ্চলে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৫০ হাজার ৬৪৬ জন। মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১৫ হাজার ৩১৭ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৩৪৫ জন।

২৪ ঘণ্টায় ৬০২ জন সহ ইতালিতে মোট ৬০৭৮ জনের মৃত্যু

করোনাভাইরাসে ইতালিতে ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা ও আক্রান্তের পরিমাণ আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। করোনায় সোমবার আরও ৬০২ জন মারা গেছেন, যা রোববার ছিল ৬৫১ জন। এনিয়ে দেশটিতে মোট মৃতের সংখ্যা ৬ হাজার ৭৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

নতুন করে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছে ৪ হাজার ৭৯০ জন। যা এর আগে ছিল ৫ হাজার ৫৬০ জন। দেশটিতে মোট আক্রান্ত হয়েছে ৬৩ হাজার ৯২৮ জন। ইতালির দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানায় মেট্রো ডট ইউকে।

এদিকে করোনার থাবা থেকে সুস্থ হিয়েছে ইতালির ৭ হাজার ৪৩২ জন নাগরিক। এদিকে এমন ভয়াবহ মহামারিতে রাজধানী রোম নিরব নিস্তব্ধ হয়ে গেছে। রেড জোন ঘোষণার পর ঘরে থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মানুষ ভয়ংকর আতঙ্কে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

ইতালি সরকার করোনা মোকাবেলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। যার ফলে গতকালের চিত্রের চেয়ে আজকের চিত্রটি ভিন্ন। সেখানে আগের তুলনায় মৃতের সংখ্যা ও আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা কমে এসেছে। সরকার সেখানে জরুরি অবস্থা অব্যাহত রেখেছে। চলাফেরাও সীমিত করা হয়েছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী জুসেপ্পে কোন্তি করোনা সংকট নিরসনে বিভিন্ন পদক্ষেপ অব্যাহত রেখেছেন। প্রতিদিন জনগণকে সচেতন ও মনোবল বৃদ্ধি করতে ভাষণ দিচ্ছেন। দেশের জনগণের আর্থিক সমস্যা মেটাতে ভিন্ন ভিন্ন খাতে বরাদ্দ দিচ্ছেন।

ইউরোপে এখন পর্যন্ত রেকর্ড সংখ্যক মৃত্যুর মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি ইতালির উত্তরাঞ্চলীয় শহর লম্বার্ডিয়ায়। করোনাভাইরাসে কমপক্ষে ১৮ জন চিকিৎসক মারা গেছেন দেশটিতে।

প্রবাসীরা দেশে ফিরে থানায় না জানালে তাদের বিরু’দ্ধে আইনি ব্যব’স্থা গ্রহণ করা হবে

প্রবাসীরা দেশে ফিরে থানায় না জানালে তাদের বিরু’দ্ধে আইনি ব্য’বস্থা গ্র’হণ করা হবে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) পু‌লিশ হে’ড‌কো’য়ার্টার্স থেকে বিষয়টি নি’শ্চিত করা হয়েছে।১ মার্চ ২০২০ থেকে যারা দে’শে ফি’রেছেন। সকলেরই পাসপো’র্টের দেওয়া ঠি’কানা ব্য’তীত অন্য কোথাও অ’বস্থান করলে সেটি নিকট’স্থ থানায় জা’নানোর অ’নুরোধ করা হয়েছে। যদি কোনো প্রবাসী বাংলাদেশি এটি না করেন তাহলে তাদের বিরু’দ্ধে আইনি ব্যব’স্থা গ্রহ’ণ করা হবে।

এরআগে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) করোনা প’রিস্থিতি মো’কাবিলায় সারা দেশে আগামী ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত গণপ’রিবহন ব’ন্ধ ঘো’ষণা করা হয়েছে। সকালে মন্ত্রণালয় থেকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক ভিডিও বা’র্তায় এ কথা জানান।সরকার দেশবাসী জনগণ যাত্রীসাধারণ মালিক শ্র’মিকসহ সংশ্লি’ষ্ট সকলের জ্ঞা’তার্থে জা’নাচ্ছে যে, ট্রাক, কা’ভার্ডভ্যান, ওষুধ, জ’রুরি সেবা, জ্বা’লানি, প’চ’নশীল পণ্য পরিবহন-এ নি’ষেধা’জ্ঞার বাইরে থাকবে। প’ণ্যবাহি যানবাহনে কোনো যাত্রী পরিবহন করা যাবে না।

এরআগে, করোনার কারণে সারা দেশে যাত্রীবাহী নৌযান চ’লাচল ব’ন্ধ ঘো’ষণা করেছে বাংলাদেশ অ’ভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন ক’র্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেল থেকে এ সিদ্ধা’ন্ত কা’র্যকর হবে বলে জা’নিয়েছে সংস্থাটি। এছাড়া বাংলাদেশের সব লোকাল ও মেইল ট্রেন সী’মিত আ’কারে চ’লবে বলে জানায় রেল ক’র্তৃপক্ষ। সোমবার (২৪ মার্চ) সকালে এমন ঘো’ষণা দেওয়া হয়েছে। ২৬ মার্চ থেকে পরবর্তী ঘো’ষণা না দেওয়া পর্যন্ত সব প্রকার ট্রে’ন সী’মিত আ’কারে চলবে।

রোববার (২২ মার্চ) দেশের সুপারমার্কেটগুলোসহ সব দোকান ব’ন্ধের ঘো’ষণা দেওয়া হয়। দোকান মালিক সমি’তির প’ক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২৫ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত দোকানগুলো ব’ন্ধ থাকবে। তবে, কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান এবং নি’ত্যপ্র’য়োজনীয় পণ্যের দোকান খো’লা থাকবে।এর আগে দুপুরে আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা স্থ’গিত করার ঘোষণা দেয়া হয়। আগামী এপ্রিল মাসের প্রথমদিকে পরীক্ষার নতুন রুটিন জা’নানো হবে।

রোববার (২২ মার্চ) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসং’যো’গ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।বোবরার (২২ মার্চ) করোনা প’রিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত ব্রি’ফিং হবে না, সকাল থেকে এ’মনটাই জা’নিয়েছিল আইইডিসিআর। তবে, দুপুর দেড়টায় হঠাৎ খবর দেয়া হলো, দুই ঘণ্টা পরেই ব্রিফিং। এতে দেশে নতুন করে তিনজন করোনা রোগী শ’না’ক্তের কথা জানানো হয়।বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে আইইডিসিআর পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা

জানান, গত ২৪ ঘণ্টা দেশে নতুন করে ৩ জনের শ’রীরে ক’রোনা শনা’ক্ত হয়েছে। সব মি’লিয়ে ২৭ জন। নতুন করে আর কেউ মা’রা যাননি। তবে আ’ক্রা’ন্তদের মধ্যে আরো ৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফি’রেছেন বলেও জানালেন তিনি। সব মি’লিয়ে ‘সু’স্থ হয়ে ফি’রলেন ৫ জন। অর্থাৎ বর্তমানে ২০ জন করোনা রো’গী আছে বাংলাদেশে।এদিন, মা’ঝপথে ব্রিফিংয়ে যোগ দেন স্বা’স্থ্য অ’ধিদফতরের মহাপরিচালক। নতুন করে হিসাব নিকাশ করে জানান বর্তমানে ১৩ হাজার কি’ট ম’জুত আছে।

নিশ্চই আল্লাহতায়ালাই রোগ-বা’লাই থেকে আরোগ্য দান করেন

মহান আল্লাহতায়ালা মাঝে মধ্যে রোগ-বালাই দিয়ে বান্দার ইমানের দৃঢ়তা পরীক্ষা করে থাকেন। তিনি দেখতে চান, বিপদ-আপদকালীন সময়ে তাঁর বান্দাদের মধ্যে কে বা কারা, তাঁর ওপর অবিচল আস্থা বা বিশ্বাস রেখে, ধৈর্যের সঙ্গে সামনের দিকে এগিয়েছে।

কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং জান-মাল ও ফল-ফলারির স্বল্পতার মাধ্যমে’ (সূরা বাকারা-১৫৫)।

‘আর ভালো এবং মন্দ দ্বারা আমি তোমাদের পরীক্ষা করে থাকি’ (সূরা আম্বিয়া-৩৫)। মানুষের ভালো-মন্দ উভয়ের বিষয়ে আল্লাহতায়ালা সমভাবে ক্ষমতাবান। আমরা অসুস্থ হলে, তিনিই আমাদের সুস্থতা দান করেন। রোগ-ব্যাধি থেকে আরোগ্য লাভের ক্ষেত্রে চিকিৎসক শুধু চেষ্টা করতে পারেন।

মানুষ একে অপরের জন্য কেবল দোয়া করতে পারে। আরোগ্য দানের বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে আল্লাহতায়ালার দয়ার ওপর নির্ভর করে। আল্লাহর সাহায্য বা দয়া ব্যতীত কঠিন রোগ-ব্যাধি থেকে কারও আরোগ্য লাভ করা সম্ভব নয়।

তিনি যদি কারও ওপর আজাব গজব দান করেন, কেউ তা প্রতিরোধ করতে পারবে না। সৃষ্টি জগতের সব কিছুই তাঁর ইচ্ছার অধীন। কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘আর যদি আল্লাহ তোমাকে কোনো দুর্দশা স্পর্শ করেন, তবে তিনি ছাড়া তা দূরকারী কেউ নেই।

আর যদি কোনো কল্যাণ দ্বারা স্পর্শ করেন তবে তিনিই তো সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান। আর তিনিই তাঁর বান্দাদের ওপর ক্ষমতাবান’ (সূরা আনআ’ম-১৭-১৮)। ‘কে আছে অসহায় ও বিপন্নের ডাকে সাড়া দেয় যখন সে ডাকে এবং কষ্ট ও বিপদ দূরীভূত করে দেয়?’ (সূরা নামল-৬২)। আল্লাহ ছাড়া যেমন, মানুষের কোনো সাহায্যকারী নেই।

তেমনি দুনিয়া এমন কোনো রোগ নেই, যে রোগের ওষুধ বা প্রতিষেধক সম্পর্কে আল্লাহ মানুষকে জ্ঞান দান করেন নাই। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, হজরত রসুল (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘আল্লাহতায়ালা এমন কোনো রোগ অবতীর্ণ করেননি।

যার নিরাময়ের উপকরণ তিনি সৃষ্টি করেননি’ (বোখারি-৫২৭৬)। যা কিছু মানুষের জন্য কল্যাণকর, আল্লাহতায়ালা বান্দাদের তা দান করে থাকেন। আল্লাহতায়ালা রোগ-বালাইর মধ্যেও মানুষের জন্য কল্যাণ রেখেছেন। দুনিয়াতে আল্লাহ যা কিছু সৃষ্টি করেছেন, সবকিছুই মানুষের উপকারার্থে।

এ জন্য পানি, বৃক্ষ-লতা, রোদ-বৃষ্টি ও ফলফলারি থেকে শুরু করে সবকিছুর মাঝেই ঔষধি গুণ ক্ষমতা রয়েছে। যখন মানুষের মধ্যে বালা-মুসিবতের আগমন ঘটে। তখন আল্লাহতায়ালা বালা-মুসিবতের পাশাপাশি বান্দার জন্য কল্যাণও পাঠিয়ে দেন।

যখনই আমাদের কোনো রোগব্যাধি আক্রমণ করবে, তখন কঠিন ইস্পাতের ন্যায় অন্তরে আল্লাহর রহমতের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস রেখে, ধৈর্যের সঙ্গে আল্লাহর কাছে আরোগ্য লাভের জন্য সাহায্য চাইতে হবে।

অতীত জীবনের ভুল-ত্রুটির জন্য বেশি বেশি তওবা ইস্তেগফার পড়তে হবে। তাহলে আল্লাহ অবশ্যই কঠিন রোগ-বিমারের শেফা দান করবেন। আল্লাহতায়ালা সবাইকে সুস্থ ও সুন্দর জীবন দান করুক। আমিন।

সৌদি প্রবাসীরা কারফিউ না মানলে দেশে পাঠানো হবে

সৌদি আরবে সোমবার( ২৩ মার্চ) সন্ধ্যা হতে পরবর্তী ২১ দিনের জন্য কারফিউ তথা সান্ধ্য আইন জারি করা হয়েছে। নির্দেশনা না মানলে জরিমানাসহ কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া আইন অমান্য করলে প্রবাসী কর্মীদের দেশে পাঠিয়ে দেয়াও হতে পারে বলে জানা গেছে।

সান্ধ্য আইন নিয়ে এই নির্দেশনার ফলে সন্ধ্যা সাতটা হতে সকাল ছয়টা পর্যন্ত বাইরে বের হওয়া নিষিদ্ধ থাকবে। আইন কার্যকরের জন্য পুরো সৌদিতে বিপুল সংখ্যক আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে মর্মে জানিয়েছে সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এই সময়ে ঘরের বাইরে বের হলে প্রথমবারের জন্য ১০ হাজার রিয়াল জরিমানা করা হবে। পুনরায় আইন ভঙ্গের কারণে জরিমানার পরিমাণ দ্বিগুণ হবে, এরপরেও যদি কেউ আইন অমান্য করে বের হয় তাহলে বিশ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হবে। এছাড়া আইন অমান্যের অপরাধে বিদেশী কর্মীদের ডিপোর্ট করাও হতে পারে।

এদিকে সৌদিআরবে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৫১ জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর দিয়েছে সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় । এনিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫৬২ জনে। আক্রান্ত ৫১ জনের মধ্যে ১৮ জন রিয়াদে, ১২ জন মক্কায়। তবে নতুন কোন বাংলাদেশীর আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

ঢাবি’র তিন শিক্ষার্থীর করোনা প্রতিরোধে দারুন উদ্যোগ নিলেন !

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রতিরোধ ও সচেতনতা নিয়ে দেশব্যাপী সাধারন মানুষের মাঝে এক ধরনের আতঙ্ক, উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। ঠিক সে সময়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অন্নদা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট বিভাগে অধ্যায়নরত তিন শিক্ষার্থী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে হাত পরিষ্কার রাখার উপকরণ (হ্যান্ড স্যানিটাইজার) তৈরি করছেন।

তারা অন্নদা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়নের রসায়ন বিভাগের ল্যাব ব্যবহার করে প্রায় দুই হাজার ছোট প্লাস্টিক বোতলে রাসায়নিক মিশ্রিত পানির মাধ্যমে বোতল গুলো প্রস্তত করছেন। তাদের এ কাজে অর্থনৈতিক ভাবে সহযোগিতা করছেন অন্নদা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যায়নরত বায়োকেমিস্ট বিভাগের শিক্ষার্থী মো. জাহিদ হোসেন বলেন, দেশের ক্রান্তিকালে সকল নাগরিকের এগিয়ে আসা উচিত। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়ে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত। আমাদের হাতে তেমন কাজ নেই। ভাবলাম আমরা যেহেতু বায়োকেমিস্ট বিভাগের শিক্ষার্থী আমাদের হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরী করার পূর্ব অভিজ্ঞতা আছে। তাই বসে থাকতে চাইনি। আমার অপর দুই সহপাঠী মো. তারিকুল ইসলাম ও আসিফ ইকবালকে নিয়ে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির পরিকল্পনা করি।

তিনি বলেন, আমাদের এই কাজে উৎসাহ দেন আমাদের প্রাক্তন বিদ্যাপীঠ অন্নদা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদা নাজমিন ম্যাডাম সহ অন্যান্য শিক্ষকরা। আমরা আগামীকাল মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) এই হ্যান্ড স্যানিটাইজার দরিদ্র সাধারণ মানুষের মাঝে বিতরণ করা হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপর শিক্ষার্থী মো. তারিকুল ইসলাম জানান, বিপদে মানুষের পাশে থাকার প্রয়াস প্রতিটি সুনাগরিকের থাকা প্রয়োজন। আমরা আমাদের জায়গা থেকে যতটুকু পারছি করছি। আমরা দুই হাজার পিস রাসায়নিক মিশ্রিত হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্লাস্টিক বোতল প্রস্তুত করেছি। আগামীকাল থেকে বিনামূল্যে দুই হাজার সাধারন মানুষের মাঝে বোতলগুলো বিতরণ করা হবে।

অন্নদা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদা নাজমিন জানান, বর্তমানে দেশে করোনাভাইরাস প্রকোপের কারণে দেশের প্রতিটি নাগরিক উদ্বিগ্ন। আমাদের প্রাক্তন ছাত্ররা এই মুহূর্তে কিছু একটা করার আগ্রহ প্রকাশ করলে আমরা তাদের উৎসাহ দেই। তাদের আর্থিক সার্পোট দেই। তাদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। আগামীকাল সে গুলো ফুটপাত সহ সাধারন মানুষের মাঝে বিতরণ করা হবে। এতে সাধারণ মানুষ একটু হলেও উপকার পাবে।

বাইরে ঘুরছেন কেন, প্রশ্ন করতেই দুবাই প্রবাসী ম্যাজিস্ট্রেটকে মারতে গেলেন !

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার চাঁচড়া এলাকায় দুবাই প্রবাসী মিজানুর রহমান মিজানকে বাইরে ঘোরাঘুরি করতে দেখে এলাকাবাসী ফোন পেয়ে সেখানে অভিযানে যান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ভূপালী সরকার।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও তার সাথে থাকা পুলিশের দুই সদস্যকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধর করতে উদ্যত হন প্রবাসী মিজানুর রহমান ও তার দুই ভাই।

শুক্রবার (২৩ মার্চ) এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় এলাকা থেকে চলে আসেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ যাওয়ার আগেই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় চাচড়া গ্রামের মনতেজ শেখের ছেলে প্রবাসী মিজানুর রহমান মিজান ও তার দুই ভাই জাহিদ ওরফে কালু ও সাইদ হোসেন।

গ্রামবাসীরা জানায়, গত ৪/৫ দিন আগে দুবাই থেকে দেশে আসেন মিজান। তিনি আসার পর থেকে হোম কোয়ারেন্টাইনে না থেকে বাইরে ঘোরাঘুরি করতে থাকেন। এলাকার লোকজন তাকে বোঝালেও তিনি মানছেন না।

অভিযানের সাথে থাকা পুলিশের এএসআই লিটন আলী জানান, আমরা দুইজন এসিল্যান্ড স্যারের সাথে ভ্রাম্যমাণ আদালতে যাই। এরপর বিদেশ ফেরত ওই ব্যক্তিসহ তার দুই ভাই আমাদেরকে মারধর করার চেষ্টা করে। পরে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সরকারী কমিশনার (ভূমি) ভূপালী সরকার জানান, গত ৪/৫ দিন আগে দুবাই থেকে এসেছেন চাঁচড়া গ্রামের মিজানুর রহমান। আসার পর থেকে তিনি বাইরে ঘোরাঘুরি করছেন। এলাকাবাসীর কাছ থেকে এমন অভিযোগ পেয়ে তিনি শুক্রবার ওই গ্রামে যান। সেখানে গিয়ে তিনি মিজানুর রহমানকে বলেন আপনি বাইরে ঘোরাঘুরি করছেন কেন? তিনি তখন মসজিদে নামাজ পড়ার কথা বলেন। ওই ব্যক্তিকে বাড়িতে নামাজ পড়ার কথা বললে, তিনি সেটা মানেননি। তখন তার দাবি অনুযায়ী সরকারি আদেশ পালনে দেশে ফেরার কাগজ দেখানোর অনুরোধ করি। তিনি কাগজ না দেখিয়ে অকথ্য ভাষা ব্যবহার করেন। আমাদেরকে এক প্রকার লাঞ্ছিত করে। এরপর কাগজপত্র না দেখিয়ে খলিলুর রহমানকে তথ্য-দাতা ভেবে তাকে আমাদের সামনে মারতে উদ্যত হয় এবং পুলিশ ও আমার ওপর চড়াও হয়।

তিনি আরো জানান, এ সময় ইউএনও স্যার ও কালীগঞ্জ থানার ওসিকে বিষয়টি জানালে থানা থেকে অতিরিক্ত ফোর্স আসার আগেই আসামিরা পালিয়ে যায়। মোবাইল কোর্টে বিচার না হওয়ায় নিয়মিত মামলা করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়।

কালীগঞ্জ থানার ওসি মুহা: মাহাফুজুর রহমান মিয়া বলেন, বর্তমানে আসামিরা পলাতক আছে। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

করোনায় আক্রান্ত মা ও ৩ ভাই-বোনের মৃত্যু, আরো ২ বোন হাসপাতালে !

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনায় ভাইরাস মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। এ ভাইরাসে বয়স্কদের মৃত্যু হচ্ছে, এমন ধারণা তৈরি হলেও এবার একই পরিবারে ৪ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের ওই পরিবারটিতে গত সপ্তাহে মারা যায় তিন জন। সবশেষ গেল বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) আরেকজনের মৃত্যু হয়েছে বলে ওই পরিবারের আত্মীয়দের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার মারা যাওয়া ব্যক্তির নাম ভিনসেন্ট ফুসকো। এর আগে ভিনসেন্টের মা গ্রেস ফুসকো (৭৩) বুধবার রাতে মারা যান করোনায়। তার কয়েক ঘণ্টা আগে মারা যান তার বড় ভাই কারমিনে ফুসকো। এর আগে মারা যান আরেক ভাই।

ভিনসেন্টের ভিনসেন্টের ছোট বোন এলিজাবেথ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সবই ছিল অবিশ্বাস্য। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে আমি ঘুম থেকে উঠি। তখন মা আমাকে ডেকে বলে, লিজ্জি, আমার ভালো লাগছে না। রিটারও একই অবস্থা। টনির অবস্থাও একই। তুমি কি আমাদের সাহায্য করতে পারবে?, আমি বললাম অবশ্যই মা’

তিনি জানান, ১০ মার্চ থেকে ১৯ মার্চ-এই নয় দিনে করোনা কেড়ে নিয়েছে এলিজাবেথের মা, দুই ভাই ও বোনের প্রাণ।

তার আরও দুই বোন হাসপাতালে ভর্তি আছেন এবং দুইজনের অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন এলিজাবেথ।