প্রেমিকের সাথে আ’বাসিক হো’টেলে প্রবাসীর স্ত্রী, জেল-জ’রি’মানা

অ;নৈতিক কাজের অপ;রাধে নীলফামারীর সৈয়দপুরে আ;;বাসিক হোটেল সিলগালা করেছে
ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া এক যুবককে একমাসের কা;;রাদণ্ড ও একটি মেয়েকে জরি;;মানা করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরিমল কুমার সরকার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।সূত্র জানায়, অ;;নৈতি;ক কাজের অভি;যোগে গোপ;ন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের বাসটার্মিনাল এলাকায় অবস্থিত একটি হোটেলে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এ সময় রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলার কেল্লাবাড়ি মুন্সিপাড়া এলাকার মৃ;;ত রমজান আলীর ছেলে সোহেল রানা ওরফে রওশন আলী (২৫) ও দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার এক প্রবাসীর স্ত্রী আটক করা হয়। তারা এক হাজার টাকায় রুম ভাড়া নিয়ে অ;;নৈতিক কাজের কথা স্বীকার করেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সোহেল রানাকে একমাসের কারাদণ্ড ও মেয়েটিকে দুই হাজার টাকা জরি;;মানা করা হয়।মুঠোফোনে তাদের পরিচয় হয়। এরই সূত্র ধরে তারা সৈয়দপুরে আসে দেখা করার জন্য।এসময় সোহেল তার প্রেমিকা এক সন্তানের জননী ওই গৃহবধূকে নিয়ে সৈয়দপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের ফাইভ স্টার আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায়।

তারা সেখানে রুম বুুকিং নিয়ে অবস্থান করার সময় স্থানীয়রা বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় সৈয়দপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরিমল কুমারকে জানালে তিনি তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌছে প্রেমিক-প্রেমিকাকে হাতে নাতে আটক করে তার কার্যালয়ে নিয়ে আসেন।বিষয়টি নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিমল কুমার সরকার বলেন,দণ্ডপ্রাপ্ত সোহেল রমজান আলীর ছেলে এবং মেয়েটি প্রবাসীর স্ত্রী। এ ঘটনায় হোটেলটি সিলগালা করে দেওয়ায় হয় বলে জানান তিনি।

দক্ষিন আফ্রিকায় স‘ন্ত্রাসীদের গু‘লিতে ফেনীর দুলাল নি‘হ‘ত

দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গু;;লিতে দুলাল নামে এক বাংলাদেশি নি;হ;ত হয়েছেন। বুধবার
দেশটির কুইন্সটাউন শহরে এ ঘটনা ঘটে। নি;হ;ত দুলাল ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার বাসিন্দা। তার মৃ;;ত্যুর খবর পেয়ে স্বজনের কান্নায় আকাশ বাতাস ভারি হয়ে উঠেছে।জানা যায়, বুধবার রাতে আফ্রিকার কুইন্সটাউন শহরে নিজ দোকানে অজ্ঞাতনামা ২-৩ জন সন্ত্রা;সী প্রবেশ করে মালা;মাল লুট করতে থাকে। বাধা দিলে স;;ন্ত্রাসীরা মাথায় গু;;লি করে
মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়। আহতের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে র;;ক্তাক্ত অবস্থায়
হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃ‘;ত ঘোষণা করে।

নিহত দুলালের এক ছেলে এক মেয়ে রয়েছে।নি;হ;তের স্বজনরা জানায়, ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে ভিটেমাটি বিক্রি করে আফ্রিকায় পাড়ি জমান উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়নের হীরাপুর গ্রামের মজিব মুন্সি বাড়ির মালেক সর্দারের ছেলে দুলাল। প্রথমে অন্যের দোকানে চাকরি করেন তিনি। পরে নিজেই ব্যবসা শুরু করেন কুইন্সটাউন শহর এলাকায়।দুলালের বাবা মালেক সর্দার বলেন, ছেলেকে হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছি আমরা। দুলালের স্ত্রী ও দুই সন্তান কি নিয়ে বাঁচবে তাই ভাবছি।দাগনভূঞা থানা পুলিশের ওসি মো. আসলাম সিকদার বলেন, অফ্রিকায় সন্ত্রা;;সীদের গু;;লিতে ফেনীর এক ব্যক্তির মৃ;;ত্যুর খবর পেয়েছি।

অন্তঃসত্বা বুবলি এখন আমেরিকায় চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন তার বড় বোন

এ সময়ের অন্যতম চিত্রনায়িকা বুবলীকে নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। ক্যারিয়ারের শুরু
থেকেই এই নায়িকা শাকিব খানের স”ঙ্গে প্রে’মের গু’ঞ্জনে রয়েছেন। তবে বি’ষয়টি নিয়ে কখনো মুখ খোলেননি শাকিব-বুবলী কেউই।সম্প্রতি শাকিব-বুবলী অ’ভিনীত ‘বীর’ ছবিটি মুক্তি পায়। কিন্তু ছবির প্রচারণার সময় দেখা যায়নি তাকে। গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টার পরেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ ব্যাপারে বুবলীর বড় বোন ও সংগীতশিল্পী নাজনীন মিমি একটি গণমাধ্যমে বলেন, আমি কয়েকদিন আগে সি”ঙ্গাপুর থেকে এসেছি। বুবলী দেশে নেই। আমি সি”ঙ্গাপুর যাওয়ার সময় বুবলী আমেরিকায় যাওয়ার কথা আমায় বলেছিল। তাই আমা’র জানামতে, বুবলী বর্তমানে আমেরিকায় আছেন।আমেরিকা থেকে লন্ডন হয়ে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তার। ঘুরতেই দেশের বাইরে গেছে বুবলী। এটা নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় শাকিব-বুবলীকে ঘিরে নানা রং মাখানোর সংবাদ দেখছি। তবে এটা একদমই কাম্য না। কারণ শাকিব-বুবলীর রসায়ন নিয়ে অনেক সংবাদ আগেও দেখেছি।

আর এখন দুজনের স’ম্পর্ক নিয়ে যা শুনছি এমন কিছু হলে সেটা শাকিব কিংবা বুবলীই সকলকে জানাবে।এর আগে ১৮ ফেব্রুয়ারি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশন খবর প্রচার করেছে, শাকিব খানের সাবেক স্ত্রী’ অ’পু বিশ্বা’সের পথে হাঁটছেন বুবলী। শুধু তাই নয়, ২৫ হাজার মা’র্কিন ডলার দিয়ে বুবলীকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠিয়েছেন শাকিব খান।তিনি গ’র্ভবতী। এই খবর প্রচারের পর থেকেই নতুন আলোচনায় আছেন বুবলী। সূত্রঃ আরটিভি অনলাইন

একই পরিবারের চারজন নিখোঁজ নারায়ণগঞ্জে

নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় এক সপ্তাহ ধরে নি;খোঁ;জ রয়েছেন এক ব্যবসায়ী, তার স্ত্রী ও স্কুলপড়ুয়া দুই মেয়ে। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি বাসা থেকে মিরপুরে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে বের হয়ে আর ফেরেননি।নি;খোঁ;জদের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া বাগে জান্নাত মহল্লায় সিরাজুল ইসলামের বাড়ির নিচতলার একটি ফ্ল্যাটে সপরিবারে ভাড়া থাকত তোবারক হোসেন।তিনি শহরের বঙ্গবন্ধু রোডের লুৎফা টাওয়ার সংলগ্ন সড়কের ফুটপাতের অস্থায়ী দোকানে গার্মেন্টের তৈরি পোশাক বেচাকেনা করতেন।

ওই ফ্ল্যাটে তোবারক হোসেনের সঙ্গে তার স্ত্রী মুক্তা, দুই মেয়ে ফারিয়া ও ফাহমিদা থাকতো।বড় মেয়ে ফারিয়া চাষাঢ়া বন্ধু স্মৃতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ও ফাহমিদা একই স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী।তোবারক হোসেন মিরপুর ব্লক বি গাবতলী ১ম কলোনি জব্বার হাউজিং এলাকার রেজাউল হকের ছেলে।তার বাবা-মা বর্তমানে মিরপুর সেকশন ৬ এর কেন্দ্রীয় মসজিদের বিপরীতে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন।গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ব্যবসায়ী তোবারক, তার স্ত্রী মুক্তা ও দুই মেয়ে ফারিয়া ও ফাহমিদাকে নিয়ে মিরপুরে বেড়ানোর উদ্দেশ্যে চাষাঢ়ার বাসা থেকে বের হন।

তবে এক সপ্তাহেও তারা ওই বাড়িতে ফেরেননি। তোবারক ও মুক্তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে।এ পরিস্থিতিতে মুক্তার মা মেহের বেগম বুধবার সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার এসআই সাব্বির ঘটনাস্থলে তদন্তে যান।এসআই সাব্বির জানান, কী কারণে সপরিবারে নিখোঁজ হয়েছে, সেটা এখনো স্পষ্ট নয়। সাধারণ ডায়েরি করার পর নিখোঁজের ঘটনার তদন্ত চলছে।

কন্যা সন্তান হল, মা-বাবার জন্য জান্নাতের নেয়ামত

কন্যাসন্তান আল্লাহর শ্রেষ্ঠ উপহার। তারা মা-বাবার জন্য জান্নাতের দাওয়াতনামা নিয়ে দুনিয়ায়
আসে। তাইতো পবিত্র কোরআনে কন্যাসন্তানের সংবাদকে ‘সুসংবাদ’ বলা হয়েছে। পাশাপাশি
জাহেলি যুগের সেই বর্বর চিন্তার মানুষের সমালোচনা করা হয়েছে, যারা কন্যাসন্তানের খবর সুসংবাদ হিসেবে পেলে মন খা’রাপ করত।পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘তাদের কাউকে যখন কন্যাসন্তানের সুসংবাদ দেওয়া হয়, তখন তার মুখমণ্ডল কালো হয়ে যায় এবং সে অসহনীয় মনোস্তাপে ক্লিষ্ট হয়।তাকে যে সুসংবাদ দেওয়া হয়, তার গ্লানি হেতু সে নিজ সম্প্রদায় হতে আত্মগো*** করে;সে চিন্তা করে যে হীনতা সত্ত্বেও সে তাকে রেখে দেবে, না মাটিতে পুঁতে দেবে। লক্ষ করো, সে কত নিকৃষ্ট সিদ্ধান্ত স্থির করেছিল।(সুরা : নাহল, আয়াত : ৫৮-৫৯) রাসুলুল্লাহ (সা.) কন্যাসন্তান লালন-পালনকারীর জন্য তিনটি পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন—এক. জাহান্নাম থেকে মুক্তি, দুই. জান্নাতে প্রবেশের নিশ্চয়তা এবং তিন. জান্নাতে রাসুল (সা.)-এর সঙ্গী হওয়ার সৌভাগ্য।তাই মহান আল্লাহ কাউকে কন্যাসন্তান উপহার দিলে সন্তুষ্ট চিত্তে তাদের লালন-পালন করা আবশ্যক। কেননা তারা জাহান্নাম থেকে মুক্তির উপায়। হ’জরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তিকে কন্যাসন্তান লালন-পালনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং সে ধৈর্যের সঙ্গে তা সম্পাদন করেছে, সেই কন্যাসন্তান তার জন্য জাহান্নাম থেকে আড় (প্রতিবন্ধক) হবে। (তিরমিজি, হাদিস : ১৯১৩)অন্য হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) কন্যাসন্তানের লালন-পালনের বিষয়ে বলেছেন, যে ব্যক্তির তিনটি কন্যাসন্তান বা তিনজন বোন আছে, আর সে তাদের সঙ্গে উত্তম আচরণ করেছে,তাদের নিজের জন্য অসম্মানের কারণ মনে করেনি, সে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে। (তিরমিজি, হাদিস : ১৯১২)উপরোক্ত হাদিস থেকে বোঝা যায়, জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাতে প্রবেশের ব্যাপারে কন্যাসন্তানের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। উপহারের ধারাবাহিকতা এখানেই শেষ নয়। উত্তম’রূপে কন্যাসন্তান লালন-পালনের মাধ্যমে জান্নাতে প্রিয় নবী (সা.)-এর সান্নিধ্য পাওয়া যায়।হ’জরত আনাস (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি দুজন কন্যাসন্তানকে লালন-পালন ও দেখাশোনা করল (বিয়ের সময় হলে ভালো পাত্রের কাছে বিয়ে দিল) সে এবং আমি জান্নাতে এরূপ একসঙ্গে প্রবেশ করব, যেরূপ এই দুটি আঙুল (এ কথা বলার সময় তিনি নিজের দুই আঙুল মিলিয়ে দেখালেন)। (তিরমিজি, হাদিস : ১৯১৪)-সূত্র: অনলাইন।

সৌদি আরবের মক্কায় দুর্বৃত্তের ছু’রি’কাঘা’তে বাংলাদেশি নি’হ’ত !

সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় অজ্ঞাতদের ছু;রিকা;ঘা;তে মোজাম্মল হক নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। দেশটির নাক্কাছার পাশে রুসাইপা নামক স্থানে একটি ক্যাপটেরিয়ার (কুলিন কর্ণার) ভেতরে এ হ;ত্যাকা;ণ্ডের ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে ফজরের নামাজের পরপর দোকানের মালিক ও কয়েকজন ক্রেতা আসলে দোকানটির ভেতরে দেখতে পায় শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছু;রি;র

ক্ষতবিক্ষত দোকানের কর্মচারী মোজাম্মল হকের (২৭) লা;শ পড়ে আছে। খবর পেয়ে সৌদি পুলিশ এসে নিহতের লা;শ উ;দ্ধা;র করে নিয়ে যায়।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে নাস্তা বিক্রি করার জন্য দোকানের সাঁটার সামান্য খোলা রেখে কাজ করার সময় ভোর রাতে কে বা কারা দোকানের ভেতরে ঢুকে এ খু;;নের ঘটনা ঘটায়।জানা গেছে, খুন হওয়া বাংলাদেশি পর্যটন জেলা কক্সবাজারের রামু উপজেলার জোয়ারগানালা ইউনিয়নের মাদরাসা গেট এলাকার দোকাদার সুলতান আহমদের প্রথম পুত্র।

নি;হ;ত মোজাম্মলের ছোট ভাই এনামুল হক জানান, পরিবার ও বৃদ্ধ বাবার দিকে তাকিয়ে গত ৯ মাস আগে আমার বড়ভাই সৌদি আরবে যান। ভিসা নিয়ে গেলেও ইকামা পাইনি। কয়েকবার টাকা দিলেও ইকামা নেওয়া সম্ভব না হওয়ায় অন্য লোকের মাধ্যমে নেওয়ার জন্য সৌদির ২০ হাজার রিয়াল দেন।এনামুল জানান, ইকামার জন্য ২০ হাজার রিয়াল যাকে দিয়েছিল সম্ভবত তার বাড়ি চট্টগ্রামের। তার সঙ্গে ঘটনার আগের দিন বেশ কথাকাটি ও ঝগড়া হয়। নিহতের লা;শ সৌদি আরবের মক্কা নগরীর একটি সরকারি হাসপাতালের ম;র্গে; রয়েছে।

বেতনের টাকা জমিয়ে কেনা অ্যাম্বুলেন্সে গ্রামবাসীকে বিনে পয়সায় সেবা দেন শেফালী

বিনে পয়সায় গ্রামের মানুষকে অ্যাম্বুলেন্স সেবা দিয়ে যাচ্ছেন নাটোরের বড়াইগ্রামের শিক্ষিকা
শেফালী খাতুন। দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা এ সেবা পেয়ে খুশি প্রত্যন্ত অঞ্চলের বাসিন্দারা। দ্রুত হাসপাতালে নিতে না পারায় আত্মীয়ের মৃ’ত্যু।এই ঘটনা ভীষণ নাড়া দেয় বড়াইগ্রাম উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম দোগাছির স্কুলশিক্ষক শেফালী খাতুনকে। সেই ভাবনা থেকে ছয় বছর বেতনের টাকা জমিয়ে, গত দুই মাস ধরে চালু করেন ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা। চব্বিশ ঘণ্টা চালু থাকায় উপকৃত হচ্ছেন আট গ্রামের মানুষ।সহযোগীতা পেলে আরও একটি অ্যাম্বুলেন্স ও মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর ইচ্ছা শেফালী খাতুনের। এ কাজে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন তার স্বামী।

মেরিগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শেফালী খাতুন জানান, গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ,জ্বালানি খরচ এবং অ্যাম্বুলেন্স চালকের বেতন সবকিছুই তিনি নিজেই বহন করেন। মানুষের জন্য কিছু করার স্বপ্ন থেকেই এ কাজ শুরু করেন শেফালী খাতুন। নির্দিষ্ট অঞ্চলের মধ্যেই এ সেবা দেয়া হলেও ভবিষ্যতে সেবার পরিধি আরও বাড়ানোর ইচ্ছা আছে শেফালী খাতুনের।শেফালী খাতুনের স্বামী ময়লাল হোসেন জানান, মানুষের জন্য কিছু করতে পারলে তারা তৃপ্তি পান। স্থানীয় সরকার ও প্রশাসন যদি পাশে দাঁড়ায় তাহলে কাজের গতি আরও বাড়ানো সম্ভব।নাটোরের বড়াইগ্রামের উপজেলা চেয়ারম্যান ডা. সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী বলেন, এ কাজের মধ্য দিয়ে মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন শিক্ষিকা শেফালী খাতুন। গেল দুই মাসে ৪৫ জন রো’গী এ সেবা নিয়েছে এবং দু’টি ম’রদেহ বাড়িতে পৌঁছে দেয়া সম্ভব হয়েছে।

আজ ২০-০২-২০২০ তারিখ দিনের শুরুতেই দেখে নিন আজকের টাকার রেট

দেশে- বিদেশে সবাইকে স্বাগতম।যেকোন সময় মুদ্রার বিনিময় মূল্য উঠা-নামা করতে পারে।
প্রবাসী ভাইদের উদ্দেশে বলছি আপনারা বিনিময় মূল্য (রেট) জেনে দেশে টাকা পাঠাতে পারেন।সেক্ষেত্রে আমাদের ওয়েব সাইট বা আপনার নিকটস্থ ব্যাংক হতে টাকার রেট জেনে নিতে পারেন। যখন বৈদেশিক মুদ্রার রেট বৃদ্ধি হয় তখন দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠালে বেশি টাকা পেতে পারেন।

SAR (সৌদি রিয়াল) =22.63 ৳

MYR (মালয়েশিয়ান রিংগিত) =20.28 ৳

USD (ইউএস ডলার) = 85.17 ৳

পাউন্ড = 110.68 ৳

AED (দুবাই দেরহাম) = 23.16 ৳

KWD (কুয়েতি দিনার) =277.46 ৳

OMR (ওমানি রিয়াল) = 220.77 ৳

QAR (কাতারি রিয়াল) =23.31 ৳

BHD (বাহরাইন দিনার) = 225.45 ৳

EUR (ইউরো) = 93.61 ৳

BHD (বাহরাইন দিনার) = 225.27 ৳

MVR (মালদ্বীপিয়ান রুপিয়া) = 5.48 ৳

জাপানি ইয়েন = 0.78

অস্ট্রেলিয়ান ডলার = 58.18

হংকং ডলার = 10.86

সিঙ্গাপুর ডলার = 62.67

কানাডিয়ান ডলার = 64.50

ইন্ডিয়ান রুপি = 1.18

IQD (ইরাকি দিনার) = 0.070 ৳

ZAR (সাউথ আফ্রিকান রেন্ড) = 6.00 ৳

মনে রাখবেন প্রবাসী ভাইয়েরা,হুন্ডিতে রেমিটেন্স পাঠানো একটি অবৈধ পন্থা, এই পথে টাকা পাঠাবেন না।আপনারা ব্যাংকের মধ্যমে বাংলাদেশে টাকা পাঠান এতে আপনার টাকার গ্যারান্টি আছে,বাংলাদেশের রেমিটেন্স বাড়বে দেশের উপকার হবে।যে যেখানে আছেন নিরাপদে থাকুন, আনন্দময় হোক আপনার সারাদিন।

দেরি করে ঘুমাতে নিষেধ করেছেন মহানবী (সা.)

রাতে জলদি ঘুমাতে যাওয়া আর সকালে জলদি ঘুম থেকে উঠা সুস্বাস্থ্য, সম্পদ আর জ্ঞানের পূর্বশর্ত। বিষয়টি রাসুল (সা.)-এর হাদিসের সঙ্গেও মিলে যায়। আমাদের প্রিয় নবী (সা.)
রাতে দেরি করে ঘুমানো অপছন্দ করতেন। সাহাবায়ে কিরামকে তাগিদ দিতেন এশার পরপরই ঘুমিয়ে যাওয়ার।রাসুলুল্লাহ (সা.) এশার নামাজ এক-তৃতীয়াংশ রাত পরিমাণ দেরি করে পড়া পছন্দ করতেন, আর এশার আগে ঘুমানো এবং এশার পর না ঘুমিয়ে গল্পগুজব করা অপছন্দ করতেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৯৯)রাতে দেরিতে ঘুমানোয় স্বাস্থ্যঝুঁ’কি, মানুষের সুস্থতার জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম। এর জন্য সবচেয়ে উপযোগী সময় হলো রাত। কেননা আল্লাহ তাআলা রাতকে বিশ্রামের উপযোগী করেই বানিয়েছেন। মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘আমি তোমাদের বিশ্রামের জন্য নিদ্রা দিয়েছি, তোমাদের জন্য রাত্রিকে করেছি আবরণস্বরূপ আর দিনকে বানিয়েছি তোমাদের কাজের জন্য।’ (সুরা : নাবা, আয়াত : ৯-১১)বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ক্যান্সারবিষয়ক গবেষণা বিভাগ ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সারের তথ্য মতে, যখন সূর্যের আলো থাকে না তখন শরীরকে কাজ করতে বাধ্য করা বা জাগিয়ে রাখা শরীরে মেলাটনিন হরমোন তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করে।

আর এই মেলাটনিনই মানুষের দেহে টিউমারের বৃদ্ধিকে রোধ করে। ফলে তাদের ধারণা, রাত জাগা মানুষদের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁ’কি বেশি। অর্থাৎরাতের ঘুম অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং এটি কোনোভাবেই দিনের বেলায় ঘুমিয়ে পুষিয়ে নেওয়া যায় না।তাই রাতের বেলা গল্পগুজব, সিনেমা, ফেসবুকিংসহ সব অহেতুক কাজ থেকেই বিরত থাকা প্রয়োজন। কারণ রাতে অহেতুক দেরি করে ঘুমানো মানুষকে শেষরাতের ইবাদত ও ফজর নামাজ থেকে যেমন বঞ্চিত করে, তেমনি এটি স্বাস্থ্যের জন্যও মোটেই শুভকর নয়।যুক্তরাজ্যের এক দল গবেষকের মতে, যারা দেরিতে ঘুমায় ও দেরিতে ঘুম থেকে ওঠে, তাদের অকালমৃত্যুঝুঁ’কি বেড়ে যায় যুক্তরাজ্যের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. পিরেঞ্জ লেভি বলেন, রাত জাগার বদ-অভ্যাস যারা গড়ে তুলেছে, তাদের ৯০ শতাংশই মা’নসিক রোগের শি’কার। ৩০ শতাংশে থাকে ডায়াবেটিসে
আ’ক্রা’ন্ত হওয়ার ঝুঁ’কি। এছাড়া স্নায়বিক সমস্যা থেকে শুরু করে অন্ত্রের রোগে আ’ক্রা’ন্ত’ হওয়ার ঝুঁ’কি অনেকাংশে বেড়ে যায়।সকালে দেরিতে ঘুম থেকে উঠার অপকারিতা, যুক্তরাজ্যের সুবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রোনোলজি বিভাগের অধ্যাপক জন রিচার্ডসন বলেন, ‘আমরা দেখেছি, যারা দেরি করে ঘুম থেকে ওঠে তারা নানা ধরনের মানসিক ও শারীরিক জ’টিলতায় ভো’গে। তাদের গড় আয়ু নিয়মিত সকালে উঠা মানুষের চেয়ে সাড়ে ছয় বছর কম।’খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠার উপকারিতা, খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠা সম্পদ ও জ্ঞানের জন্য পূর্বশর্ত। বলা যায় সফলতার চাবিকাঠি। কেননা ভোররাতে বা দিনের শুরুতে সবচেয়ে বেশি কল্যাণ থাকে। শুধু ইবাদত-বন্দেগিই নয়, দুনিয়াবি কাজের জন্যও এটি সবচেয়ে উপযুক্ত ও বরকতময় সময়। রাসুলুল্লাহ (সা.) ভোরবেলার কাজের জন্য বরকতের দোয়া করেছেন।
সখর গামেদি (রা.) সূত্রে বর্ণিত, রাসুল (সা.) এ দোয়া করেছেন, ‘হে আল্লাহ, আমার উম্মতের জন্য দিনের শুরুকে বরকতময় করুন।’

এ জন্যই রাসুল (সা.) কোনো যু’দ্ধ অ’ভিযা’নে বাহিনী পাঠানোর সময় দিনের শুরুতে পাঠাতেন। বর্ণনাকারী বলেন, সখর (রা.)-ও তার ব্যবসায়ী কার্যক্রম ভোরবেলা শুরু করতেন। এতে তাঁর ব্যবসায় অনেক উন্নতি হয়। তিনি সীমাহীন প্রাচুর্য লাভ করেন। (আবু দাউদ, হাদিস : ২৬০৬)তা ছাড়া এ সময় বান্দার রিজিক বণ্টন হয়। যারা তখন ঘুমিয়ে থাকে তারা সফলতা ও রিজিকের বরকত থেকে বঞ্চিত হয়। প্রিয় নবী (সা.) ইরশাদ করেন, ‘সকালবেলায় রিজিকের অন্বেষণ করো! কেননা সকালবেলা বরকতময় ও সফলতা অর্জনের জন্য উপযুক্ত সময়।’ (মাজমাউজ জাওয়ায়েদ, হাদিস : ৬২২০)ফাতেমা বিনতে মুহাম্মদ (সা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা রাসুল (সা.) আমার ঘরে এসে আমাকে ভোরবেলায় ঘুমন্ত অবস্থায় দেখলেন, তখন আমাকে পা দিয়ে নাড়া দিলেন এবং বললেন, মামণি! ওঠো! তোমার রবের পক্ষ থেকে রিজিক গ্রহণ করো! অলসদের দলভুক্ত হয়ো না। কেননা আল্লাহ সুবহে সাদিক থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত মানুষের মধ্যে রিজিক বণ্টন করে থাকেন। (আত-তারগিব ওয়াত তারহিব, হাদিস : ২৬১৬)
খুব ভোরে উঠা মানুষগুলো সবার থেকে আলাদা ও কর্মদক্ষ হয়ে থাকে। গবেষণায় দেখা যায়, যারা খুব ভোরে ঘুম থেকে ওঠে কিংবা রাতে কম ঘুমায়, অন্যদের তুলনায় তাদের আইকিউ ভালো হয়।টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিক্ষার্থী ভোরবেলায়ই জাগতে পারে, তারা দেরিতে জাগ্রতদের চেয়ে বেশি নম্বর পায়। তাদের জিপিএ অন্যদের তুলনায় বেশি হয়। এই সাফল্যের পেছনে তারা বাড়তি উৎপাদনশীলতা এবং ভালো ঘুম হওয়াকেই কারণ হিসেবে উল্লেখ করে।প্রিয় নবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আল্লাহ ওই বান্দার ওপর রহম করুন, যে রাত্রিকালে উঠে নামাজ আদায় করে এবং তার স্ত্রীকেও জাগায় এবং সেও নামাজ আদায় করে। যদি সে (স্ত্রী) নিদ্রার চাপে উঠতে না চায়, তবে সে (ভালোবেসে) তার মুখে পানি ছিটিয়ে দেয়। আল্লাহ ওই নারীর ওপরও রহম করুন, যে রাত্রিতে উঠে নামাজ আদায় করে এবং তার স্বামীকে ঘুম থেকে জাগায় এবং সেও নামাজ আদায় করে। যদি সে ঘুম থেকে উঠতে না চায়, তবে সে (ভালোবেসে) তার মুখে পানি ছিটিয়ে জাগিয়ে তোলে।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ১৪৫০)

গ্রামে বাড়ি করতে ঋণ সহজ শর্তে দেবে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক –

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড (এমটিবি) সম্প্রতি গ্রামীণ গৃহঋণ সেবা চালু করেছে। এই
ঋণ সেবার আওতায়, ইউনিয়ন পর্যায়ের বাসিন্দারা পাকা বাড়ি নির্মাণ, উন্নয়ন ও বর্ধিতকরণের জন্য ঋণ সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।এমটিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সৈয়দ মাহবুবুর রহমান সম্প্রতি এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গুলশানস্থ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় এমটিবি সেন্টারে ‘এমটিবি গ্রামীণ গৃহঋণ’ সেবা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেন।ঋণ গ্রহীতারা মাসিক কিস্তিতে এই ঋণ পরিশোধ করতে পারবেন।

তারা তাদের পাকা বাড়ি নির্মাণে, বর্ধিতকরণে অথবা মেরামতে এমটিবি’র শাখাসমূহ থেকে সর্বোচ্চ ৮০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।অনুষ্ঠানে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড (এমটিবি)-এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকদ্বয় সৈয়দ রফিকুল হক ও চৌধুরী আখতার আসিফ, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারেক রিয়াজ খান, হেড অব বিজনেস রিটেইল ব্যাংকিং ডিভিশন মো. তৌফিকুল আলম চৌধুরী এবং গ্রুপ চিফ কমিউনিকেশন্স অফিসার আজম খানসহ মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড (এমটিবি)-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।