যে মসজিদের প্রশংসা করেছেন স্বয়ং আল্লাহ তাআলা !!

ইসলামের ইতিহাসে প্রথম নির্মিত মসজিদ ‘মসজিদে কুবা’। রাসুলুল্লাহ (সা.) মদিনায় আগমনের পর এই মসজিদ নির্মাণ করা হয়।পবিত্র কোরআনে এই মসজিদ ও তার মুসল্লিদের প্রশংসা করা হয়েছে। বর্তমানে মসজিদে কুবা মদিনার দ্বিতীয় বৃহত্তম মসজিদ। কুবা মূলত একটি প্রাচীন কূপের নাম। কূপের নামানুসারে পরবর্তী সময়ে এলাকার নামকরণ হয়।মহানবী (সা.) মদিনায় আগমনের পর কুবা নামক স্থানে অবতরণ করেন। তিনি আবু আইয়ুবআনসারি (রা.)-এর ঘরে অবস্থান করেন। তখন এই মসজিদ নির্মাণ করা হয়। মদিনার উত্তর প্রান্তে অবস্থিত এই মসজিদের নির্মাণকাজে স্বয়ং নবী করিম (সা.) অংশগ্রহণ করেন। মসজিদ

নির্মাণে প্রথম পাথরটি তিনিই রাখেন। নির্মাণকাজ শেষ হলে তিনি আল্লাহর কৃতজ্ঞতা আদায়
করেন এবং কুবাবাসীর প্রশংসা করেন। নবনির্মিত মসজিদে প্রথম নামাজ তিনিই আদায় করেন।মসজিদে নববীর পাশে স্থায়ী আবাস গড়লেও মহানবী (সা.) প্রতি সপ্তাহের শনিবার মসজিদে কুবায় আসতেন। কোরআনে মসজিদে কুবার প্রশংসা করে বলা হয়েছে, ‘যে মসজিদ প্রথম দিন থেকে তাকওয়ার ওপর প্রতিষ্ঠিত সেখানে অবস্থান করা আপনার জন্য অধিক সংগত।সেখানে এমন কিছু লোক রয়েছে যারা পবিত্রতা পছন্দ করে। আর আল্লাহ পবিত্র ব্যক্তিদের ভালোবাসেন।’ (সুরা : তওবা, আয়াত : ১০৮)প্রতিষ্ঠার পর উসমান বিন

আফফান (রা.), ওমর বিন আবদুল আজিজ (রহ.), উসমানীয় সুলতান দ্বিতীয় মাহমুদ ও তাঁর ছেলে প্রথম আবদুল মাজিদ প্রমুখ শাসকরা মসজিদে কুবার সংস্কারকাজ করেন। বাদশাহ ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ আলে সৌদের সময় সর্বশেষ সম্প্রসারণ হয়। ১৪০৫ হিজরিতে শুরু হওয়া সংস্কারকাজ শেষ হয় ১৪০৭ হিজরিতে।যাতে মসজিদের আয়তন দাঁড়ায় ১৩ হাজার ৫০০ স্কয়ার মিটার। মসজিদে কুবায় বর্তমানে ২০ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারে। (আতাউর রহমান খসরুর লেখা থেকে)

মঙ্গলবার ১৪৮ বাংলাদেশি লিবিয়া থেকে খালি হাতে ফিরেছেন !!

যু’দ্ধাবস্থা ব ‘রাজ করায় লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন ১৪৮ বাংলাদেশি। জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা- আইওএমের ভলান্টারি হিউম্যানাটেরিয়ান রিটার্ন (ভিএইচআর) কর্মসূচির মাধ্যমে নিরাপদে দেশে ফিরেছেন তারা।আইওএমের ভাড়া করা বিমানে গতকাল মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) লিবিয়ার মিসারত বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়ে বুধবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা। ফিরে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন যু’দ্ধাহত, সমুদ্র পথে ইউরোপ যেতে ব্য’র্থ এমনকি লিবিয়ার জে’লে ব’ন্দি থাকা বাংলাদেশিরা।ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুরের মো. আকবর চার বছর আগে লিবিয়ায় গি’য়েছিলেন পারিবারের ভা’গ্য ব’দলাতে। তিনি বলেন, গ্রামের দালালের মাধ্যমে লিবিয়ায় গিয়েছিলেন, তবে

বেতন ছিল খুবই কম। কোনো মতে সেখানে নিজে চলতে পারলেও পরিবারের জন্য কিছুই পা’ঠাতে পারতেন না। যে কারখানায় কাজ করতেন হঠাৎ সেখানে একদিন বিমান হা’মলা হয়। চার বাংলাদেশিসহ ১৩ জন মা’’রা যান।আকবর বলেন, ‘সে এক ভায়াবহ অভিজ্ঞতা। অল্পের জন্য সেদনি বেঁচে গিয়েছি। তাই সি’দ্ধান্ত নিলাম দেশে ফিরে আসব।’পরে লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে আইওএমের সঙ্গে যোগাযোগ করে স্বে’চ্ছায় দেশে ফেরার আ’গ্রহ প্রকাশ করেন আকবর। তিনিও ১৪৮ জনের সঙ্গে দেশে ফিরেছেন।আইওএমের ঢাকা কার্যালয় জানায়, ফিরে আসা ব্যক্তিরা আইওএমের মাধ্যমে সামাজিক সেবা,তৎ’ক্ষণিক সেবা, ফিরে আসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করা, স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং বাংলাদেশ সরকারের দূতাবাসের স’ঙ্গে যোগাযেগে করতে সহায়তা পেয়েছে।এছাড়া ঢাকায় পৌঁছানোর পর আইওএম বাড়ি ফিরতে প্রত্যেককে চার হাজার ৭৩০ টাকা, খাবার, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও মা’নসিক সেবা দিয়েছে। ভবিষ্যতে ফিরে আসা এসব ব্যক্তিদের অর্থনৈতিক সহযোগিতাও করবে আইওএম। যাতে তারা দেশেই

আয় করে জীবন চালাতে পারে।আইওএম বাংলাদেশের চিফ অব মিশন গিওর্গি গিগাওরি বলেন, লিবিয়ার প্রতিকূল অবস্থা অব্যাহত থাকায় ঝুকিপূর্ণ বাংলাদেশিদের সুরক্ষা ও সহায়তা দিতে সর্বদা আমরা তৎপর। যারা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে তাদের তাৎক্ষণিক সব ধরনেরর সহযোগিতা নিশ্চিতের চেষ্টা করছি আমরা। একইসঙ্গে ফিরে আসা ব্যক্তিদের দীর্ঘমেয়াদে সহযোগিতাও করব আমরা।ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে বাংলদেশ সরকার ও লিবিয়া কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় ২০১৫ সাল থেকে এখন পর্যন্ত এক হাজার ৪০০ জনেরও বেশি বাংলাদেশিকে দেশে ফিরতে সহযোগিতা করছে আইওএম। বিশ্বব্যাপী ভিএইচআর প্রোগ্রামের সহযোগিতায় ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসীদের প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ও সহায়তা দিয়ে থাকে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

সুপারস্টার শাহরুখ পরিবারে শো‘কের মাতম মা’রা গেলেন…

বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ পরিবারে শোকের মাতম, চাচাতো বোন নূর জিহান (৫২) মঙ্গলবার পাকিস্তানের একটি হাসপাতলে মা’রা গেছেন।পাকিস্তানের পেশোয়ারের ওই হাসপাতালে দী’র্ঘদিন ধরে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। খবর জিও নিউজের।পেশোয়ারের কিসসা খাওয়ানি বাজারের কাছে শাহওয়ালি কাতালে থাকতেন নূর

জিহান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওরাল ক্যা’ন্সারে ভু’গছিলেন বলে জানান তার স্বামী আসিফ বুরহান রাজনৈতিকভাবে বেশ সক্রিয় ছিলেন নূর জিহান। জেলা ও শহর কাউন্সিলর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।২০১৮ সালে পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে পেশোয়ারের একটি (পিকে-৭৭) আসনে অংশগ্রহণ করতে মনোনয়নপত্রও জমা দিয়েছিলেন তিনি। তবে শেষ মু’হূর্তে তা প্র’ত্যাহার করে নেন।

মঙ্গলবার চীন থেকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী লাইভে এসে সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ে যা বললেন

করোনাভাইরাসের সং’ক্রমণে চীনে এখন পর্যন্ত ১৩২ জন মা’’’রা গেছেন। আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে এতে আ’ক্রান্তের সংখ্যা সর্বো’চ্চ আকার ধারণ করতে পারে বলে জানিয়েছে
দেশটির ন্যাশনাল হেল্থ কমিশন। দেশটির যে শহর থেকে এই ভাইরাস ছ’ড়িয়েছে সেই উহান
শহরে আ’টকা পড়েছেন বাংলাদেশিসহ বিশ্বের অনেক দেশের নাগরিকরা। কারণ, সেখানে বাইরে থেকে কাউকে ঢু’কতে দেয়া হচ্ছে না। আবার শহর থেকে কাউকে বের হতেও দেয়া হচ্ছে না।এদিকে দেশটিতে অধ্যয়নরত বর্ণ সিদ্দিকী নামের এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী মঙ্গলবার তার ফেসবুকে লাইভে এসে সেখানকার পরিস্থিতি জানিয়েছেন। তিনি চীনের ইউনান

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। বসবাস করছেন ইউনান প্রদেশের কুনমিং সিটিতে। লাইভে বর্ণ সিদ্দিকী বলেন, ‘এ মু’র্হূতে দেশের স্বার্থে আমি আমার মা’’তৃভূমিতে যাব না। চীনে আমরা শিক্ষার্থী ছা’ড়াও আরও হাজার হাজার বাংলাদেশি আছেন। আমরা জানি না, এ রো’গটা কারও কাছে চলে এসেছে। এ রোগটার একটা অদ্ভুত ব্যা’পার হচ্ছে, এটি শরীরে আসার পর থেকে ১৪ দিন অবস্থান করবে এবং কোনো ল’ক্ষণও প্রকাশ করবে না। এখন আমরা যারা এখানে আছি, তারা যদি দেশে ফিরে যাই তাহলে নিজের অজা’ন্তেই কারও না কারও সাথে এই ভাইরাস দেশে চলে যেতে পারে। তাই দেশের স্বার্থে এখন চীনে থাকাই ভালো।’ চীনের বর্তমান প’রিস্থিতি স’ম্পর্কে তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাস নিয়ে গো’টা চীনেই আ’’তঙ্ক বিরাজ করছে।তবে এ বিষয়ে গণমাধ্যমে তেমন খবর আসছে না। আমি আমার চাইনিজ বন্ধুদের মাধ্যমে

জানতে পেরেছি, চীনে এই ভাইরাসে আ’ক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেশি, যা ব’হির্বি’শ্বের গণমাধ্যমে তেমন খবর প্র’কাশ পাচ্ছে না। চীন সরকার চাচ্ছে না যে এই ভাইরাসটার কারণে
অন্যরা উদগ্রী’ব হোক।’ তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে এই ভাইরাসের প্র’ভাব চীনের অর্থনীতিতেও পড়েছে। আমি ইতোমধ্যে অনেকগুলো বাজার ঘুরেছি, আগে এসব বাজারে শাক-সবজির
কোনো ঘা’টতি না থাকলেও এখন কোনো কাঁ’চা তরকারি পাওয়া যাচ্ছে না, যা পেয়েছি তা শুষ্ক’খাবার।’ গতকাল চীনের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে ঢাকাকে জানানো হয়, করোনাভাইরাসের কারণে চীন থেকে বাংলাদেশিদের ফিরতে আরও ১৪ দিন লাগবে
করোনাভাইরাসের সং’ক্র’মণ রোধের ল’ক্ষ্যে ১৪ দিন পর্যন্ত উহানে কাউকে প্রবেশ করতে দেবে না স্থানীয় কর্তৃপ’ক্ষ।

আজ ২৯-০১-২০২০ তারিখ প্রবাসী ভাইরা দেখে নিন আজকের টাকার রেট কত!!

দেশে- বিদেশে সবাইকে স্বাগতম।যেকোন সময় মুদ্রার বিনিময় মূল্য উ’ঠা-নামা করতে পারে।
প্রবাসী ভাইদের উদ্দেশে বলছি আপনারা বিনিময় মূল্য (রেট) জেনে দেশে টাকা পাঠাতে পারেন।সেক্ষেত্রে আমাদের ওয়েব সাইট বা আপনার নিকটস্থ ব্যাংক হতে টাকার রেট জেনে নিতে পারেন। যখন বৈদেশিক মুদ্রার রেট বৃ’দ্ধি হয় তখন দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠালে বেশি টাকা পেতে পারেন।

SAR (সৌদি রিয়াল) =22.59 ৳

MYR (মালয়েশিয়ান রিংগিত) =20.78 ৳

USD (ইউএস ডলার) = 85.13 ৳

পাউন্ড = 110.62 ৳

AED (দুবাই দেরহাম) = 23.10 ৳

KWD (কুয়েতি দিনার) = 279.68 ৳

OMR (ওমানি রিয়াল) = 220.71 ৳

QAR (কাতারি রিয়াল) =23.37 ৳

BHD (বাহরাইন দিনার) = 225.45 ৳

EUR (ইউরো) = 93.61 ৳

BHD (বাহরাইন দিনার) = 225.27 ৳

MVR (মালদ্বীপিয়ান রুপিয়া) = 5.48 ৳

জাপানি ইয়েন = 0.78

অস্ট্রেলিয়ান ডলার = 58.18

হংকং ডলার = 10.86

সিঙ্গাপুর ডলার = 62.67

কানাডিয়ান ডলার = 64.50

ইন্ডিয়ান রুপি = 1.18

IQD (ইরাকি দিনার) = 0.070 ৳

ZAR (সাউথ আফ্রিকান রেন্ড) = 6.00 ৳

মনে রাখবেন প্রবাসী ভাইয়েরা,হু’ন্ডিতে রেমিটেন্স পাঠানো একটি অবৈ’ধ পন্থা, এই পথে টাকা পাঠাবেন না।আপনারা ব্যাংকের মধ্যমে বাংলাদেশে টাকা পাঠান এতে আপনার টাকার গ্যা’রান্টি আছে,বাংলাদেশের রে’মিটেন্স বাড়বে দেশের উ’পকার হবে।

আরব আমিরাতে এবার মর’ণঘা’তী করোনা ভাইরা’স !!

বিশ্বজুড়ে এখন আ’ত’ঙ্কের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনাভাইরা’স। চীন থেকে দ্রু’তগতিতে এই ভাইরা’স ছড়িয়ে প’ড়ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।এরই মধ্যে অন্তত ১৮টি দেশে ম’রণঘা’তী এই ভাইরা’সের উপস্থিতি ধ’রা পড়েছে। ১৯তম দেশ হিসেবে এবার সেই তালিকায় নাম লেখাল

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত।দেশটিতে চীনের উহান থেকে ফেরা একটি পরিবারের সদস্যদের শরীরে এই ভাইরা’স পাওয়া গেছে। বুধবার আমিরাতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্সের। ম’রণঘ ‘তী এই ভাইরাসে চীনে এখন পর্যন্ত ১৩২ জনের প্রাণহা’নি হয়েছে। আ’ক্রা’ন্ত হয়েছে ছয় হাজারের বেশি মানুষ।

দুবাইপাস ইংলিশ মিডিয়ামের শিক্ষিকা স্বামী-সন্তান রেখে কাঠমিস্ত্রির প্রেমে ঘর ছাড়লেন !!

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তাদের প্রথম পরিচয়। তারপর ক’থাবা’র্তা, বন্ধু’ত্ব ও
প্রেম। আর সেই প্রেমের সূত্র ধরেই স্বামী-সন্তান রেখে ৩০ বছরের শিক্ষিকা চলে গেল ১৮ বছরের কাঠমিস্ত্রির সঙ্গে। ঘ’টনাটি ঘটেছে চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর থানা এলাকায়।জানা যায়, টুম্পা খাতুন (ছদ্মনাম)। একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের শিক্ষিকা। তিনি লেখাপড়া করেছেন সং’যু’ক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে। টুম্পার স্বামী ব্যবসায়ী সোহাগ হোসেন (ছদ্মনাম) ল’ন্ডন থেকে এমবিএ পাস করে দেশেই ব্যবসা করছেন। টু’ম্পা-সোহাগ দ’ম্পতির সং’সারে একটি স’ন্তান রয়েছে।উচ্চশি’ক্ষি’ত আর ধনী পরিবারের গৃ’হবধূ টু’ম্পা খাতুন হঠাৎ বাসা

থেকে উ’ধাও। আনুমানিক ৩০ বছর বয়সী ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের এই শিক্ষিকাকে কোথাও পাওয়া যাচ্ছিল না।এদিকে, স্ত্রী টু’ম্পাকে হারিয়ে গোয়েন্দা (ডিবি) কার্যালয়ে হাজির হন স্বামী সোহাগ হোসেন। এরপর শুরু হলো গো’য়েন্দা অ’ভিযা’ন।গোয়েন্দা পুলিশ অ’ভিযা’নের শু’রুতেই জানতে পারে, নি’খোঁ’জ ওই শিক্ষিকা চট্টগ্রামে ন’গরী’তে আর নে’ই। গোয়েন্দারা প্র’যুক্তিগ’ত তথ্যাদি বি’শ্লেষণ করে বু’ঝতে পারেন, ওই শিক্ষিকা টু’ম্পা চট্টগ্রাম ত্যা’গ করার সময় তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উ’ত্তো’লন করেছেন।প্র’যুক্তিগ’ত তথ্যাদির সহায়তায় টু’ম্পার অব’স্থান স’ম্পর্কে অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যশোর উদ্দেশ্যে রওনা দেন গোয়েন্দারা। য’শোরে পৌঁছে একটি আবাসিক হোটেল থেকে ওই শিক্ষিকাকে উ’দ্ধার করতে স’মর্থ হন গো’য়েন্দা সদস্যরা।সেখানে গিয়ে গো’য়েন্দারা জানতে পারেন, ওই শি’ক্ষিকার সঙ্গে য’শোরের যুবক কাঠমি’স্ত্রি’ তারিকুল ইসলামের প্রেমের স’ম্পর্ক তৈরি হয়েছিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে।এই ফেসবুক তারিকুলের ডাকে তিনি সাড়া দিয়েছেন।

কাউকে কিছু না বলে চলে যান য’শোর।গো’য়েন্দারা তাদের সম্পর্কের গভীরতা জানার চে’ষ্টা করে পরে জানতে পারেন, ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের শিক্ষিকা টুম্পা ভদ্র পরিবারের মেয়ে। আর তিনিই কিনা একজন কাঠমি’স্ত্রির খ’প্প’রে পড়েছেন!ফেসবুক প্রেমিক তারিকুল প্রায়ই নানা অ’জুহাতে টু’ম্পার কাছ থেকে টাকা চাইতেন, আর টু’ম্পাও তাকে টাকা পাঠিয়ে দিতেন। প্রেমের টানে একপর্যায়ে নিজেই চলে যান ব’খা’টে তারিকুলের কাছে। অবশ্য, তারিকুলই যশোর যাওয়ার জন্য টু’ম্পার টি’কি’টের ব্যবস্থা করেন। আর সেই টাকাও টু’ম্পা আগেই তারিকুলের কাছে পাঠান।টু’ম্পাকে যশোর নিয়ে যাওয়ার পর তারিকুল ইসলাম একটি আবাসিক হোটেলে রাখেন তাকে। আর পরিক’ল্পনা করছিলেন প্রতিবেশী দেশ ভারতে পাচার করে দেওয়ার। কিন্তু, গো’য়েন্দারা এরই মধ্যে অ’ভি’যা’ন চালিয়ে টু’ম্পাকে উ’দ্ধার করায় তাকে আর পা’চার করা যায়নি।কিন্তু, এ ঘটনায় জড়িত প্রেমিক তারিকুল ইসলামকে গ্রে’ফতার করেন গো’য়েন্দারা। ওই ঘটনায় একটি অ’পহর’ণ মা’মলা দায়ের করা হয়। ওই মা’মলায় তারিকুলকে গ্রে’ফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়।এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম নগর গো’য়েন্দা

পুলিশের সহকারী কমিশনার (বন্দর) আসিফ মহিউদ্দীন বলেন, ‘ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল শিক্ষিকার বয়স ছিল প্রায় ৩০ বছর। তিনি ফেসবুকে বন্ধুত্ব তৈরি করেন ১৮ বছরের এক কাঠমি’স্ত্রির সঙ্গে। যশোর পৌঁছার পর যখন ওই যুবকের সঙ্গে দেখা হয়, তখনই তিনি বুঝতে পারেন তিনি ফাঁ’দে পা দিয়েছেন। যে ত’রুণকে তিনি ফেসবুকে দেখেছিলেন, সেই যুবক আর সামনে দেখা যুবকের অনেক তফাৎ। অর্থাৎ, ওই যুবক ছ’দ্ম পরিচয়ে শিক্ষিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব তৈরি করেছিল।’তিনি আরও বলেন, ওই শিক্ষিকাকে উ’দ্ধার করতে আর কিছুটা বি’লম্ব হলে ভারতে পাচার করে দেয়া হতো তাকে। পা’চারের সব ব্যবস্থায় স’ম্প’ন্ন হয়েছিল। তিনি পা’চারের আ’গেই ভাগ্য’ক্রমে উ’দ্ধার হন।এ বিষয়ে চট্টগ্রাম নগর গো’য়েন্দা পুলিশের অ’তি’রিক্ত উপ-কমিশনার (বন্দর) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘ভা’র্চুয়াল বন্ধু’ত্ব করতেও সঠিক বি’চার বি’শ্লেষণ করা প্রয়োজন। সু’যো’গসন্ধা’নীরা ভা’র্চুয়াল বন্ধু হয়ে স্বার্থ হাসিল করতে পারে। এতে বা’স্তব জীবন দু’র্বিসহ হয়ে ওঠে। তাই সবা’রই আ’বেগ নিয়’ন্ত্রণে রাখা জ’রুরি।’

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বিশ্বনবীর (সঃ) এর নসিহত মেনে চলছে চীন !

চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে ম’’রণব্যাধি করোনাভাইরাসের উদ্ভব হয়। বর্তমানে এ শহর
ছাড়াও ১৩টির বেশি দেশে এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। যার কোনো প্রতিষেধকও আবিষ্কৃত না হওয়ায় বিশ্বনবির নসিহত মেনে চলার ওপর জোর দিয়েছে চীন কর্তৃপক্ষ। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শহরের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া, ভারত, নেপাল, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, ফ্রান্স এবং যুক্তরাষ্ট্র এর মধ্যে অন্যতম।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ ভাইরাসে চীনে মা’’;রা গেছে ১৩২ জন। দেশটিতে এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৪ হাজার ১৯৩ জন।গবেষকরা ধারণা করছেন, যদি এ ভাইরাস বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে তাহলে প্রায় ছয় কোটি মানুষ মৃত্যুর মুখে পড়তে পারে। যার কোনো প্রতিষেধকও আবিষ্কৃত হয়নি এখনো।
মারাত্মক মরণব্যাধি এ করোনাভাইরাস। এ ভাইরাস থেকে বাঁচতে কুরআন সুন্নাহে কী ধরনের নসিহত রয়েছে তা অনুসরণ করাই সবার জন্য জরুরি।সম্প্রতি চীন করোনাভাইরাস থেকে বাঁচার সাধারণ যে উপায় অবলম্বন করছে, দেড় হাজার বছর আগে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে উপদেশ দিয়ে গেছেন। হাদিসের এ আমলই অনুসরণ করছে চীন।

এ রোগের সয়লাব ঠেকাতে চীন সরকার হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে রোগীসহ কোনো
মানুষকে অন্য শহরে পাঠাবে না। আবার অন্য শহর থেকে কোনো মানুষকেও এ শহরে প্রবেশ করতে দেবে না। যাতে এ রোগ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে না পারে। হাদিসের নির্দেশনাও এটি।‘হজরত আব্দুর রহমান ইবনে আওফ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘পৃথিবীর কোনো দেশে বা অঞ্চলে যদি কোনে প্রকার প্লেগ বা মহামারি জাতীয় সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে সেক্ষেত্রে তোমরা যারা (ওই অঞ্চলের) বাহিরে আছ তারা ওই শহরে প্রবেশ করো না। আর যে শহরে মহামারী ছড়িয়ে পড়েছে তোমরা যদি সে শহরে বসবাস করো তবে তোমরা সে অঞ্চল বা শহর থেকে বাহির হয়ো না।’ (বুখারি, মুসলিম) মহামারি মূলত আল্লাহর গজব। মহামারি প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন-

‘এটি আল্লাহর গ’জব বা শাস্তি, যা (এ রকম শাস্তি) বনি ইসরাঈলের এক গোষ্ঠীর ওপর এসেছিল, তার বাকি অংশই হচ্ছে ম’হামারি। অতএব, কোথাও মহা’মারি দেখা দিলে এবং সেখানে তোমরা অবস্থানরত থাকলে সে জায়গা থেকে চলে এসো না। অন্যদিকে কোনো এলাকায় এটা দেখা দিলে এবং সেখানে তোমরা অবস্থান না করলে সে জায়গায় যেয়ো না।’ (তিরমিজি) চীনের এ হুবেই প্রদেশে বসবাস করে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ মানুষ। চীন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের আলোকে এ শহর থেকে দেশি কিংবা বিদেশি কোনো মানুষকেই এখনই স্থান ত্যাগ তথা বিদেশিদের নিজ নিজ দেশে যেতে না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি সরাসরি হাদিসের আমল, যা দেড় হাজার বছর আগেই ঘোষণা করেছিলেন বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

করোনাভাইরাস এক অজানা আতঙ্ক। রাসুলে আরাবি মানবজাতিকে সতর্ক করেছেন অন্যায়, জুলুম ও অশ্লীলতার কারণে আল্লাহ তাআলা জালেম ও অন্যায়কারীদের ওপর অপরিচিত মহামারি চাপিয়ে দেন। হাদিসে এসেছে- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘যখন কোনো জাতির মধ্যে
প্রকাশ্যে অ’’শ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ে তখন সেখানে মহা’’মারি আকারে প্লেগ রোগের প্রাদুর্ভাব হয়। তা ছাড়া এমন সব ব্যাধির উদ্ভব হয়, যা পূর্বেকার লোকদের মধ্যে কখনো দেখা যায়নি।’ (ইবনে মাহাজ)
চীনের করোনাভাইরাস সে রকম ইঙ্গিতই বহন করছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলছেন,
‘করোনাভাইরাসটি সার্স বা ইবোলঅর চেয়েও অনেক বেশি বি’’পজ্জনক। এ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে মানুষের ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায় এবং শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

এর আগে চীনে সার্স (সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম) নামের ভাইরাস ছড়িয়ে

পড়ে ৮ হাজার ৯৮ জন মানুষ আক্রান্ত হয়েছিল। যার মধ্যে মারা যায় ৭৭৪ জন। সেটিও ছিল এক ধরনের করোনাভাইরাস। করোনাভাইরাসের লক্ষণগুলো হলো কাশি, জ্বর, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া ও নিউমোনিয়া। তাছাড়া বিভিন্ন সময়ে অপরিচিত এসব ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কেয়ামতের বার্তা দিয়ে যায়।
মানুষকে সতর্ক করে যায়। হাদিসের পরিভাষায়ও এটি পরিলক্ষিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন-‘কিয়ামতের আগে ৬টি আলামত গণনা করে রাখো-
আমার মৃ;ত্যু; অতঃপর বায়তুল মুকাদ্দাস বিজয়; তারপর তোমাদের মধ্যে বকরির পালের মহামারির মতো ঘটবে মহামারি; সম্পদের প্রাচুর্য, এমনকি এক ব্যক্তিকে একশ দিনার দেওয়ার পরও সে অসন্তুষ্ট থাকবে। তারপর এমন সব ফেতনা আসবে, যা আরবের প্রতিটি ঘরে প্রবেশ করবে। তারপর
যু’ দ্ধবিরতির চুক্তি হবে; যা তোমাদের ও বনি আসফার বা রোমকদের মধ্যে সম্পাদিত হবে।

অতঃপর তারা বিশ্বাসঘাতকতা করবে এবং ৮০টি পতাকা উড়িয়ে তোমাদের বিপক্ষে আসবে; প্রতিটি পতাকার নিচে থাকবে ১২ হাজার সৈন্য।’ (বুখারি) সুতরাং কেয়ামতের আগে এসব ফেতনায় হেফাজত থাকতে হবে। মহামারীর রূপধারণকারী এ ভাইরাস থেকে মুক্তি লাভে হাদিসের ওপর আমল করার পাশাপাশি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করার বিকল্প নেই। বেশি বেশি ইসতেগফার করে জুলুম থেকে বিরত থাকাও জরুরি। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহসহ পুরো মানবজাতিকে দুনিয়ার সব অপরিচিত রোগব্যাধি থেকে হেফাজত করতে অন্যায় জুলুম ও অশ্লীলতা থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সাকিব ইস্যুতে সংসদে চাপের মুখে পাপন !

এক যুগ পর পাকিস্তান সফরে গিয়ে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় পড়তে হয়েছে টাইগারদের।
জাতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম প্রাণভোমরা সাকিব আল হাসানের অনুপস্থিতি খুব বাজেভাবেই টের পাচ্ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের এমন ভরাডুবির প্রসঙ্গ তাই বাদ যায়নি জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও। সেখানে
সাকিবের নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের কঠোর সমালোচনা করেছেন সাংসদরা।

জাতীয় সংসদে সাকিবের নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে বিসিবির সমালোচনা করেছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ফখরুল ইমাম। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের দায়িত্ববোধের ব্যাপারে প্রশ্ন তুলে অনুরোধ জানিয়েছেন যত দ্রুত পারা যায় সাকিবকে ক্রিকেটে ফেরানোর পদক্ষেপ নিতে।মঙ্গলবার তিনি সংসদে বলেন, ‘আমাদের জন্য দুঃসংবাদ যে, আমাদের বিসিবির প্রভাবশালী সভাপতি (পাপন) পারলেন না আমাদের সাকিবকে ফেরাতে।সাকিব এক বছর খেলার বাইরে থাকল এটা আমাদের বোধগম্য নয়, এর আগেও দেখেছি সভাপতি যারা ছিলেন দক্ষতার সঙ্গে চালিয়েছেন।

আমি আশা করি, এটার শাস্তির কমানোর ব্যাপারে আরেকটু পদক্ষেপ নেয়া হবে।’
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) গত বছরের অক্টোবরে সাকিবকে সব ধরনের
ক্রিকেট থেকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে। এর মাঝে থাকছে এক বছর স্থগিত নিষেধাজ্ঞা। আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী নীতিমালার আইন লঙ্ঘনের অপরাধে সাকিবকে এ শাস্তি দিয়েছে আইসিসি।

১৯তম দেশ হিসেবে আরব আমিরাতে করোনাভাইরাসের হানা !

বিশ্বজুড়ে দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস..বিশ্বজুড়ে দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস। এরই মধ্যে অন্তত ১৮টি দেশে এর উপস্থিতি ধরা পড়েছে। এবার সেই তালিকায় নাম লেখাল মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটিতে চীনের উহান থেকে ফেরা একটি পরিবারের সদস্যদের শরীরে এই ভাইরাস পাওয়া গেছে। বুধবার আমিরাতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্সের।

তবে ঠিক কতজন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বা কোথায় তাদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে সেটা
গোপন রাখা হয়েছে। এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভাইরাস আক্রান্তদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।আমিরাত বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিমান পরিবহনকেন্দ্র। তাদের দুবাই আন্তর্জাতিকবিমানবন্দর বিশ্বের তৃতীয় ব্যস্ততম বিমানবন্দর। দেশটির সাতটি অঞ্চলের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষের বসবাস আবুধাবি ও দুবাইয়ে।গত সপ্তাহে দুবাই এবং আবুধাবি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে চীন থেকে ফেরা সব যাত্রীকে আলাদাভাবে পরীক্ষা করা হবে।

ভাইরাস আতঙ্কে এরই মধ্যে বেশ কিছু এয়ারলাইন্স চীনমুখী ফ্লাইট কমিয়ে দিয়েছে। যদিও আমিরাতের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা এমিরেটস জানিয়েছে, বুধবার তাদের সব ফ্লাইট যথারীতি ছেড়ে গেছে।
গত ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম
রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর থেকে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত এবং মৃ’’’তের সংখ্যা। দেশটিতে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১৩২ জন, আক্রান্ত প্রায় ছয় হাজার।চীন ছাড়াও ১৮টি দেশের অন্তত ৭৮ জন এ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।চীনা গণমাধ্যম সিনহুয়ায় এক বিশেষজ্ঞের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা সর্বোচ্চ আকার ধারণ করতে পারে।

চীন ছাড়াও থাইল্যান্ড, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর, ভারত,
মালয়েশিয়া, নেপাল, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জার্মানি, কম্বোডিয়া, শ্রীলঙ্কা এবং
তাইওয়ানে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া ইসরায়েলেও এক রোগীর শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নতুন এ ভাইরাসের নাম দিয়েছে ২০১৯ নভেল করোনাভাইরাস। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গেছে চীনে সফর করেছেন এমন লোকজনের মাধ্যমেই এই ভাইরাস ছড়িয়ে
পড়ছে। সে কারণে অনেক দেশই এ ভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে চীন সফরে নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।এদিকে, প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে গবেষণাগারে করোনাভাইরাস তৈরি করতে
সক্ষম হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। একে করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারের পথে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন তারা।

করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ কী?এ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে শুরুতে জ্বর ও শুষ্ক কাশি হতে পারে। এর সপ্তাহখানেক পর
শ্বাসকষ্টও দেখা দেয়। অনেক সময় নিউমোনিয়াও হতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে রোগীর অবস্থা
বেশি খারাপ হওয়ায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা লাগে। তবে এসব লক্ষণ মূলত রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরই জানা গেছে।সেক্ষেত্রে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার একদম প্রাথমিক লক্ষণ কী বা আদৌ তা বোঝাযায় কি-না তা এখনও অজানা। তবে নতুন এই করোনাভাইরাস যথেষ্ট বি’’পজ্জনক। সাধারণ ঠান্ডা-জ্বরের লক্ষণ থেকে এটি মৃ;’’’ত্যুর দুয়ার পর্যন্তও নিয়ে যেতে পারে।

Share